Dinesh Trivedi: আগেই ঠিক ছিল…! দীনেশ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশের নতুন ভারতীয় রাষ্ট্রদূত ঠিক করল কেন্দ্র
ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রদূত হিসাবে শোনা গিয়েছিল আরিফ মহম্মদ খানের নাম। তবে কেন্দ্র দীনেশ ত্রিবেদীকেই বেছে নিল। এত দিন বাংলাদেশে ভারতীয় রাষ্ট্রদূত হিসাবে প্রণয় বর্মা নিযুক্ত ছিলেন।
Dinesh Trivedi: এবার বাংলাদেশে নতুন ভারতীয় হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী, সোমবারই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নয়াদিল্লির
হাইলাইটস:
- বাংলাদেশে নয়া ভারতীয় হাই কমিশনার হলেন দীনেশ ত্রিবেদী
- এদিন প্রণয় বর্মার জায়গায় এবার আসছেন দীনেশ ত্রিবেদী
- তারেক রহমানের সময়ে এই নিয়োগকে মানা হচ্ছে কূটনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ
Dinesh Trivedi: আগে থেকেই হয়ে গিয়েছিল সিদ্ধান্ত। এবার ওপার বাংলার পরবর্তী হাই কমিশনার হতে চলেছেন দীনেশ ত্রিবেদী। সরকারের পক্ষ থেকে এদিন আনুষ্ঠানিকভাবে এমনটাই এবার জানিয়ে দেওয়া হল। সোমবার এ প্রসঙ্গে বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, বাংলাদেশে ভারতীয় হাই কমিশনার রাষ্ট্রদূত হিসাবে নিয়োগ করা হয়েছে দীনেশ ত্রিবেদীকে।
We’re now on WhatsApp- Click to join
বাংলাদেশে নতুন ভারতীয় হাই কমিশনার রাষ্ট্রদূত দীনেশ ত্রিবেদী
ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রদূত হিসাবে শোনা গিয়েছিল আরিফ মহম্মদ খানের নাম। তবে কেন্দ্র দীনেশ ত্রিবেদীকেই বেছে নিল। এত দিন বাংলাদেশে ভারতীয় রাষ্ট্রদূত হিসাবে প্রণয় বর্মা নিযুক্ত ছিলেন। কংগ্রেস, জনতা দল, তৃণমূল কংগ্রেস এবং পরে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি দুঁদে রাজনীতিক। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পরই দু’দেশই চেয়েছে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক মজবুত করতে। এহেন পরিস্থিতিতে দীনেশ ত্রিবেদীর হাই কমিশনার রাষ্ট্রদূতে নিয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
We’re now on Telegram- Click to join
প্রসঙ্গত, ৮০-র দশকে কংগ্রেসে যোগ দেন দীনেশ ত্রিবেদী। এরপরই ১৯৯০ সালে জনতা দলে চলে যান তিনি। ৯৬ সাল অবধি রাজ্যসভায় সাংসদ ছিলেন তিনি। ১৯৯৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন দীনেশ ত্রিবেদী। ২০০৮ অবধি রাজ্যসভায় তিনি ছিলেন তৃণমূলের সাংসদ।
India is appointing former Railway Minister Dinesh Trivedi as High Commissioner to Bangladesh, the first political appointee to the neighbourhood in a long time
Move comes as India looks to reset ties with Dhaka after a sharp deterioration under the US-backed Yunus… pic.twitter.com/yuE0IXa8Ex
— Nabila Jamal (@nabilajamal_) April 19, 2026
এদিকে, ২০০৯ সালে ব্যারাকপুর থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে লোকসভা ভোটে প্রার্থী হন তিনি। হন স্বাস্থ্য এবং পরিবার কল্যাণ মন্ত্রীও। ২০১১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রীর দায়িত্ব ছাড়লে, সেই দায়িত্বভার সামলান দীনেশ ত্রিবেদী। ২০১৯ সালে ব্যারাকপুর থেকে আবার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হন তিনি। কিন্তু সে বার বিজেপির অর্জুন সিংহের কাছে হেরে যান তিনি। এরপরই ২০২১ সালে ৬ই মার্চ তিনি যোগ দেন বিজেপিতে।
Read More- প্রচারের শেষ দিনে বাইকে চড়লেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তো প্রধানমন্ত্রী মোদি দিলেন মন্দিরে পুজো!
উল্লেখ্য, ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মেরামতের দিকে যখন উভয় পক্ষই নজর দিচ্ছে, ঠিক সেই সময়ই নয়াদিল্লির একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদকে ঢাকায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে বেশ কৌতূহল ওয়াকিবহল রাজনৈতিক মহলের।
এইরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।







