Bangla News

US-Russia: রাশিয়া ও ইরানের তেল কেনায় অস্থায়ী ছাড় প্রত্যাহার করলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারতের জ্বালানি আমদানিতে বড়সড় ধাক্কা

এই সিদ্ধান্তে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়তে পারে ভারতের উপর। কারণ এই ছাড়ের সুযোগে ভারত রাশিয়া থেকে প্রায় ৩ কোটি ব্যারেল তেল আমদানি করেছিল বলে সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে।

US-Russia: এই ছাড় প্রত্যাহারের ফলে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহে চাপ বাড়তে পারে

হাইলাইটস:

  • রাশিয়া ও ইরানের তেলের উপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার যে অস্থায়ী ছাড় দিয়েছিল, তা আর রিনিউ করা হবে না বলে জানিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  • যার ফলে বিশ্ববাজারে বাড়তে পারে তেলের দাম
  • ভারতের জ্বালানি আমদানিতে বড়সড় ধাক্কা

US-Russia: মধ্যপ্রাচ্যে যখন পরিস্থিতি আবারও উত্তাল তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়া এবং ইরানের তেলের উপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার যে অস্থায়ী ছাড় দিয়েছিল, তা আর বাড়ানো হবে না বলে জানিয়েছে। এর ফলে মনে করা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক তেল বাজারে নতুন করে চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিতে পারে।

We’re now on WhatsApp – Click to join

মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট সাংবাদিক সম্মেলনে জানান, ইরানের তেলের উপর জারি থাকা ছাড় এই সপ্তাহেই শেষ হবে এবং রাশিয়ার তেলের ক্ষেত্রেও একই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, “রাশিয়ান ও ইরানি তেলের জন্য দেওয়া সাধারণ লাইসেন্স আমরা আর রিনিউ করছি না। ১১ই মার্চ-এর আগে সমুদ্রে থাকা যে তেল ছিল, তা ইতিমধ্যেই ব্যবহার হয়ে গেছে।”

তবে এই সিদ্ধান্তে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়তে পারে ভারতের উপর। কারণ এই ছাড়ের সুযোগে ভারত রাশিয়া থেকে প্রায় ৩ কোটি ব্যারেল তেল আমদানি করেছিল বলে সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে। অন্যদিকে এই পদক্ষেপ নিয়ে মার্কিন রাজনীতিতেও সমালোচনা হয়েছে, কারণ এতে মস্কো ও তেহরানের উপর আর্থিক চাপ কিছুটা কমেছিল বলে অভিযোগ ওঠেছে।

উল্লেখ্য, গত মাসে অর্থাৎ মার্চে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৩০ দিনের একটি অস্থায়ী ছাড় ঘোষণা করেছিল। এর ফলে ভারতীয় রিফাইনারিগুলি রাশিয়ার তেল কিনতে পারত, যাতে আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ বজায় থাকে এবং দামও নিয়ন্ত্রণে থাকে। একই সঙ্গে, ২০শে মার্চ-এর আগে লোড হওয়া প্রায় ১৪ কোটি ব্যারেল ইরানি তেলও তখন বিক্রির অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।

Read more:- হরমুজ প্রণালী যখন একটি আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথ, তখন ইরান কীভাবে এর ওপর নিজের অধিকার দাবি করছে?

সেই সময় বেসেন্ট জানিয়েছিলেন, এটি একটি স্বল্পমেয়াদি পদক্ষেপ, যা রাশিয়াকে বড় আর্থিক সুবিধা দেবে না। এর পাশাপাশি ভারতকে “গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার” বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে ভারত মার্কিন তেল আমদানি বাড়াবে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ছাড় প্রত্যাহারের ফলে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহে চাপ বাড়তে পারে এবং তার সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে জ্বালানির দামে।

এই রকম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।

Back to top button