New Habitable Planet Gliese 12b: বসবাসযোগ্য নতুন গ্রহ আবিষ্কার করল নাসা! এবার পৃথিবীর জনসংখ্যা বাড়লেও আর চিন্তা নেই

New Habitable Planet Gliese 12b: টেলিস্কোপ ব্যবহার করে পৃথিবীর মতো বায়ুমণ্ডল সহ একটি এক্সোপ্ল্যানেট আবিষ্কার করেছেন নাসার বিজ্ঞানীরা!

 

হাইলাইটস:

  • এই পৃথিবীর বাইরেও মানুষের থাকার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা খুঁজে পেয়েছে নাসা
  • টেলিস্কোপ ব্যবহার করে পৃথিবীর মতো বায়ুমণ্ডল সহ একটি এক্সোপ্ল্যানেটের খোঁজ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা
  • এই গ্রহে প্রাণের সম্ভাবনা রয়েছে বলে আশাবাদী বিজ্ঞানীরা

New Habitable Planet Gliese 12b: এবার যতই পৃথিবীর জনসংখ্যা বাড়ুক, আর চিন্তা নেই। এই পৃথিবীর বাইরেও মানুষের থাকার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা খুঁজে পেয়েছে নাসা। চাঁদের মতো এই জায়গার পিছনে পরিশ্রম করারও দরকার হবে না। জায়গাটি আগেভাগেই মানব অভ্যস্ত। আর এই সবই নাসার টেলিস্কোপের কামাল, এটি ব্যবহার করেই পৃথিবীর মতো বায়ুমণ্ডল সহ একটি এক্সোপ্ল্যানেট খুঁজে পেয়েছেন নাসার বিজ্ঞানীরা। জানা গেছে, এই এক্সোপ্ল্যানেটটি পৃথিবীর থেকে কিছুটা চওড়া। এই এক্সোপ্ল্যানেটটির তাপমাত্রা প্রায় ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মাত্র কয়েক দিনেই তার নক্ষত্রের চারপাশে ঘুরে ফেলে এই এক্সোপ্ল্যানেটটি।

We’re now on WhatsApp – Click to join

এই এক্সোপ্ল্যানেটে জনবসতি গড়ে তোলার জন্য আশা প্রকাশ করেছেন বিজ্ঞানীরা। বিজ্ঞানীদের আশা, এই গ্রহে প্রাণের সম্ভাবনা রয়েছে। এই নতুন সম্ভাব্য গ্রহটির নাম গ্লিস ১২বি (Gliese 12b), বিজ্ঞানীদের ভাষায় যা হল এক্সোপ্ল্যানেট। পৃথিবী থেকে প্রায় ৪০ আলোকবর্ষ দূরে মীন রাশিতে অবস্থিত গ্লিস ১২বি এক্সোপ্ল্যানেটটি একটি ছোট এবং শীতল লাল বামন নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করে চলেছে।

গ্লিস ১২বি তে ১২.৮ দিনে এক বছর 

গ্লিস ১২বি এক্সোপ্ল্যানেটটি নাসার ট্রান্সিটিং এক্সপ্লোনেট সার্ভে স্যাটেলাইট (Transiting Exoplanet Survey Satellite/TESS) দ্বারা আবিষ্কৃত হয়েছে। অনুমান করা হচ্ছে এই এক্সোপ্ল্যানেটের প্রস্থ পৃথিবীর তুলনায় প্রায় ১.১ গুণ। এই প্রস্থ এই গ্লিস ১২বি এক্সোপ্ল্যানেটটিকে আমাদের গ্রহের পাশাপাশি শুক্রের মতো করে তোলে, যেই গ্রহকে পৃথিবীর যমজ বলা হয়। গএই এক্সোপ্ল্যানেটটি মাত্র ১২.৮ দিনেই তার নক্ষত্রকে প্ৰদক্ষিণ করে ফেলে। এই লাল বামন গ্লিস ১২ পৃথিবীর নক্ষত্র সূর্যের আকারের প্রায় এক চতুর্থাংশ, তাই এটি সূর্যের চেয়েও অনেক বেশি শীতল। অর্থাৎ, গ্লিস ১২বি তার লাল বামন নক্ষত্র থেকে সূর্য এবং পৃথিবীর মধ্যে দূরত্বের মাত্র ৭ শতাংশ সমান দূরত্বে অবস্থান করছে, তাই এটি এখনও বাসযোগ্য অঞ্চল। এই এলাকাটির নাম ‘গোল্ডিলক্স জোন’।

We’re now on Telegram – Click to join

গ্লিস ১২বি এক্সোপ্ল্যানেটটি সূর্য থেকে শুক্রের প্রাপ্ত বিকিরণের প্রায় ৮৫ শতাংশ গ্রহণ করতে পারে, কিন্তু শুক্রের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা ৪৬৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এর তুলনায় এর পৃষ্ঠের তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বলে মনে করছে বিজ্ঞানীরা। যদিও পৃথিবী এবং শুক্র উভয়েই বাসযোগ্য অঞ্চলে রয়েছে, পৃথিবীতে জীবন সম্ভব এবং অনুকূল পরিবেশ থাকলেও শুক্র গ্রহ একটি অবাসযোগ্য নরক যেখানে তাপমাত্রা এত গরম যে সীসাও গলে যেতে পারে বলে জানাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।

Read more:- নিউইয়র্ক থেকে লন্ডন, 7 ঘণ্টার জার্নি মাত্র 90 মিনিটে পূর্ণ করবে NASA-র নতুন বিমান X-59

এই প্রসঙ্গে বলে রাখা দরকার, যে বিজ্ঞানীদের দল গ্লিস ১২বি আবিষ্কার করেছেন, তাঁরা এখনও নিশ্চিতভাবে বলতে পারেননি যে এই এক্সোপ্ল্যানেটে সত্যিই বায়ুমণ্ডল রয়েছে কিনা। তাই আমাদের পৃথিবীর মতো এটিও বাসযোগ্য কিনা তা এখনও স্পষ্ট হয়নি, তবে গবেষকরা যথেষ্ট আশাবাদী।

এইরকম আরও প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.