Bangla News

Bangladesh Family Murder: বাংলাদেশে তালাবন্ধ বাড়ি থেকে উদ্ধার অবসরপ্রাপ্ত হিন্দু শিক্ষক-সহ পরিবারের ৪ জনের দেহ, কীভাবে হল মৃত্যু?

এদিন রংপুর মেট্রোপলিটন CID-এর ইনচার্জ সুবীর চৌধুরী এ বিষয়ে জানিয়েছেন, বাড়ির সিঁড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় প্রীতিলতা এবং আগমীর দেহ। গণপতির দেহ উদ্ধার হয় ছাদ থেকে।

Bangladesh Family Murder: কোনও শত্রু ছিল না অবসরপ্রাপ্ত এই হিন্দু শিক্ষকের, তবে কীভাবে খুন করা হল গোটা পরিবারকে?

হাইলাইটস:

  • বাংলাদেশে বাড়ি থেকে উদ্ধার একই পরিবারের ৪ জনের দেহ
  • তালাবন্ধ বাড়ির ভিতরে কীভাবে ঘটল এই রহস্যজনক মৃত্যু?
  • খতিয়ে দেখছে পুলিশ, CID এবং গোয়েন্দা বিভাগের একাধিক দল

Bangladesh Family Murder: ওপার বাংলার রংপুর শহরে তালাবন্ধ বাড়ির ভিতর থেকে উদ্ধার দেহ। এক সঙ্গে চারটি দেহ উদ্ধার। জানা গিয়েছে, এক অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক (৬৫) এবং তাঁর স্ত্রী (৫০), মেয়ে (২৩) ও ছেলের (১২) মৃতদেহ উদ্ধার। শনিবার রাত ১১টা নাগাদ উদ্ধার করা হয় দেহ। বাড়ির ভিতরে বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে ছিল দেহগুলি। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, শ্বাসরোধ করেই খুন করা হতে পারে গোটা পরিবারকে।

We’re now on Telegram- Click to join

এদিন রংপুর মেট্রোপলিটন CID-এর ইনচার্জ সুবীর চৌধুরী এ বিষয়ে জানিয়েছেন, বাড়ির সিঁড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় প্রীতিলতা এবং আগমীর দেহ। গণপতির দেহ উদ্ধার হয় ছাদ থেকে। আর একটি খাটের নিচে পাওয়া যায় প্রিয়মের দেহ। তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে তাঁদের শ্বাসরোধ করেই খুন করা হয়েছে বলে অনুমান। গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে শুক্রবার ভোরের মধ্যেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে প্রাথমিক অনুমান পুলিশের। এই ঘটনার তদন্তে CID, পুলিশ এবং গোয়েন্দা বিভাগের একাধিক দল কাজ শুরু করেছে যৌথভাবে।

We’re now on WhatsApp- Click to join

পরিবারের বাকি সদস্যদের দাবি, বৃহস্পতিবার রাত থেকেই চারজনেরই বন্ধ ছিল মোবাইল ফোন। এ প্রসঙ্গে প্রীতিলতার বোন পূজা চক্রবর্তী জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে শেষবার দিদির সাথে কথা হয়েছিল তাঁর। এরপরই ফোনে যোগাযোগ না হওয়ায় শনিবার রাতেই ওই বাড়িতে যান আত্মীয়রা। বাড়ির মেন গেটে বাইরে থেকে তালাবন্ধ ছিল। বাড়ির ভিতরের সমস্ত আলোও বন্ধ ছিল। পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছে তালা ভেঙে পুলিশ বাড়ির ভিতরে ঢোকে। তখনই চারজনের দেহ নজরে আসে পুলিশের। পূজা জানিয়েছেন, সম্প্রতি, ওই এলাকায় তাঁরা নতুন বাড়ি তৈরি করেছিলেন। গণপতি চক্রবর্তীর সাথে কারোরই কোনওরকম বিবাদ ছিল বলে তাঁর জানা নেই।

উল্লেখ্য, গত বছর ডিসেম্বর মাসে রংপুর জেলা স্কুলের শিক্ষক হিসেবে অবসর নেন প্রয়াত এই গণপতি চক্রবর্তী। এ বছর তাঁর মেয়ে রংপুর কারমাইকেল কলেজ থেকে ইংরেজিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। রংপুর জেলা স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ছিল তাঁর ১২ বছরের ছেলে।

Read More- তারাপীঠের এক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঘুমের মধ্যেই অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু! এখনও অবধি মৃতের সংখ্যা ৬

গণপতির ভাইঝি সোমা চক্রবর্তী জানিয়েছেন, অবসর নেওয়ার পর হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার কাজ শুরু করেছিলেন তিনি। স্থানীয় বাসিন্দা সুধাংশু চন্দ্র দাস জানিয়েছেন, প্রায় ৪ বছর ধরে ওই এলাকায় বসবাস করছিল এই পরিবারটি। তিনতলা বাড়িটি তৈরি করেছিলেন গণপতিই। তবে ওই বাড়িটির নির্মাণকাজ এখনও পুরোপুরিভাবে শেষও হয়নি।

এইরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।

Back to top button