Bangla News

Tarapith Hotel Fire: তারাপীঠের এক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঘুমের মধ্যেই অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু! এখনও অবধি মৃতের সংখ্যা ৬

তারাপীঠ থানা থেকে কিছুটা দূরত্বে পুকুরের ধারেই রয়েছে ওই হোটেলটি। শ্রাবণের শেষ বলে পূণ্যার্থীদের ভিড় ছিল হোটেলে। আজ সেই হোটেলে ভোররাতে আচমকাই আগুন লাগে বলে খবর।

Tarapith Hotel Fire: এই ঘটনায় গুরুতর জখম অবস্থায় বেশ কয়েকজনকে ইতিমধ্যে রামপুরহাট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে

হাইলাইটস:

  • তারাপীঠের হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মৃত্যু অন্তত ৬ জনের
  • কারও দমবন্ধ হয়ে মৃত্যু তো আবার কেউ আগুনে দগ্ধ হয়ে
  • মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে

Tarapith Hotel Fire: আজ ভোররাতে মর্মান্তিক ঘটনা তারাপীঠে। সেখানের একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। খবর অনুযায়ী, এই ঘটনায় অন্তত কমপক্ষে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। কারও দমবন্ধ হয়ে, তো আবার কেউ আগুনে দগ্ধ হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। তবে এই মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই খবর। গুরুতর জখম অবস্থায় বেশ কয়েকজনকে হাসপাতালেও ভর্তি করা হয়েছে। এবং, ইতিমধ্যে আটক করা হয়েছে হোটেল মালিককে।

We’re now on WhatsApp- Click to join

এদিন ঠিক কী ঘটেছিল?

তারাপীঠ থানা থেকে কিছুটা দূরত্বে পুকুরের ধারেই রয়েছে ওই হোটেলটি। শ্রাবণের শেষ বলে পূণ্যার্থীদের ভিড় ছিল হোটেলে। আজ সেই হোটেলে ভোররাতে আচমকাই আগুন লাগে বলে খবর। জানা গিয়েছে যে, হোটেলের এক তলায় বিদ্যুৎ সরবরাহের এনসিবিতে আচমকা আগুন দেখতে পান হোটেলকর্মীরা।

তারপরই শুরু করে চিৎকার, ডাকাডাকি। কিন্তু, ততক্ষণে আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো হোটেলজুড়ে। বিশেষ করে ফাইবারের যেসব জিনিসপত্র ছিল, তাতেই আগুন ধরে যাওয়ায় তা আরও দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে থাকে।

We’re now on Telegram- Click to join

হোটেলের কিছুটা পাশে থানা থাকায় দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় পুলিশ এবং দমকলবাহিনী। দ্রুতই আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে উদ্ধারকাজ শুরু হয়। ৬ জন মৃত দেহ সহ আরও অন্তত ১০ থেকে ১৫ জনকে হোটেল থেকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে

Read Kore- রামবনে অমরনাথ তীর্থযাত্রীবাহী একটি বাসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, সকল তীর্থযাত্রীরা জানালা দিয়ে লাফিয়ে নিজেদের প্রাণ বাঁচান

কী বলছেন হোটেলের পর্যটকরা?

তারপীঠ মন্দিরে পুজো দিতে গিয়েছিলেন এক পর্যটক। ওই হোটেলেই ছিলেন তাঁরা। তাঁর কথায়, “ভোর ঠিক ৪টের সময় বাইরে একটি বিকট আওয়াজ হয়। রিসেপশনের ডান দিকে দু’নম্বর ঘরেই ছিলাম আমরা। মা এবং বোন ছিল এক নম্বর ঘরে। সামনে দরজা খুলে বেরোতে গিয়ে দেখি আগুন ঢুকে আসছে।

এরপর দরজা বন্ধ করে দিই আমরা। কোনও জানালা ছিল না ঘরে। রুমের শৌচালয়ে গিয়ে সেখানকার উপরের ফাঁকা জায়গা দিয়ে আমরা বেরোনোর চেষ্টা করছিলাম। আমি, আমার স্ত্রী আর দুই সন্তান প্রায় ৪৫ মিনিট আটকে ছিলাম। তারাপীঠ থানায় বহুবার ফোন করেছি। তারপর ওঁরা এসে আমাদের দরজা ভেঙে ফের উদ্ধার করেন।”

এইরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।

Back to top button