Bangla News

Kaliachak Incident: সেদিন কী ঘটেছিল কালিয়াচকে? পুলিশের রিপোর্টে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

শুক্রবার, কালিয়াচকের ঘটনায় আদালতে রিপোর্ট জমা দিল মোথাবাড়ি থানার পুলিশ। ওই রিপোর্টে পরিষ্কার উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি কর্মী এবং যে সব জুডিশিয়ল অফিসাররা ছিলেন, তাঁদের উপর হামলা করা হয়েছিল পরিকল্পিতভাবেই।

Kaliachak Incident: শুক্রবার কালিয়াচক কাণ্ডের ঘটনায় কোর্টে রিপোর্ট জমা দিয়েছে মোথাবাড়ি থানার পুলিশ

হাইলাইটস:

  • সম্প্রতি কালিয়াচক ঘটনায় রিপোর্ট জমা করেছে পুলিশ
  • পুলিশের ওই রিপোর্টে উঠে এসেছে একের পর এক তথ্য
  • ওই রিপোর্টে কি কি বিস্ফোরক তথ্য উঠে এসেছে? জানুন

Kaliachak Incident: কালিয়াচক কাণ্ডে এবার শীর্ষ আদালতে রিপোর্ট জমা দিল পুলিশ। আর তাতেই উঠে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে যে, বিডিও অফিস থেকে বেরোনোর পরই হামলা চালানো হয় তাঁদের কনভয়ে। কেবল বিচারকের কনভয়ে নয়, হামলা চালানো হয়েছে পুলিশ এবং আধাসেনার ওপরেও। পুলিশের ওই রিপোর্টে উঠে এসেছে এমনই বিস্ফোরক তথ্য।

We’re now on WhatsApp- Click to join

শুক্রবার, কালিয়াচকের ঘটনায় আদালতে রিপোর্ট জমা দিল মোথাবাড়ি থানার পুলিশ। ওই রিপোর্টে পরিষ্কার উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি কর্মী এবং যে সব জুডিশিয়ল অফিসাররা ছিলেন, তাঁদের উপর হামলা করা হয়েছিল পরিকল্পিতভাবেই। আর তাঁদের যখন উদ্ধার করতে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা, তখন তাঁদের উপরও করা হয় হামলা। রিপোর্ট অনুসারে, যখন ওই বিডিও অফিস থেকে বিচারকদের কনভয় বেরোয়, ঠিক সেইসময়ই সিআরপিএফ জওয়ানের গাড়ি লক্ষ্য করেও চালানো হয় হামলা। তাঁদের গাড়ির কাচও ভেঙে দেওয়া হয়। ঘটনায় জখম হয়েছেন একজন চালক। জখম হয়েছেন সিআরপিএফের সাব ইন্সপেক্টরও। এছাড়াও, জখম হয়েছেন একজন অধস্তন কর্মীও। সব মিলিয়ে, পুলিশের ওই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দুই থেকে তিন জনের আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি।

We’re now on Telegram- Click to join

পুলিশের ওই রিপোর্টে আরও দাবি করা হয়েছে যে, হামলা চালানো হয়েছে বিডিও অফিসের সামনে জমায়েতের উস্কানির জেরেই। ১লা এপ্রিল সন্ধ্যায় বিডিও অফিসের সামনে প্রায় ১০০ অজ্ঞাত পরিচয়ের জমায়েত হয়। ব্যারিকেড করে কনভয়ে হামলা এবং ইটবৃষ্টি করা হয়। তবে, নির্বাচনের আগে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকা সত্ত্বেও ওই ১০০ জন অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিরা কোথা থেকে এলেন, এবার তা নিয়েই উঠেছে প্রশ্ন।

এই প্রসঙ্গে সিউড়ির বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, “রাজ্যের যা পরিস্থিতি, সেখানে যা সিদ্ধান্ত নিয়েছে সুপ্রিম কোর্টে সেটাই সঠিক। তদন্ত হচ্ছে এনআইএ। আজ গ্রেফতার হয়েছে উস্কানিদাতাদের পাণ্ডা। যা রিপোর্ট তাতে বোঝাই যাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা নেই এ রাজ্যে। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশকে নিয়ন্ত্রণে নিতে হবে আরও কঠোর হাতে নির্বাচন কমিশনকে। তবেই শান্তিতে ভোট হবে পশ্চিমবঙ্গে।”

Read More‘পেটি ধরে ধরে স্টোর করে রাখা কমিশনের অফিসের দো-তলায়’, ভিডিও পোস্ট করে বিস্ফোরক অভিযোগ তৃণমূল সেনাপতি অভিষেকের

এ প্রসঙ্গে কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি দেবাশিস কর গুপ্ত বলেছেন, “বিচারব্যবস্থা সম্পূর্ণ স্বাধীনই। নিরপেক্ষতা তাঁদের কাছ থেকেই কাম্য। সেক্ষেত্রে যাঁরা আসলে বৈধ ভোটার, আর যাঁদের সঠিক কাগজপত্র রয়েছে, তাঁরা তো পাবেনই বিচার।”

এইরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।

Back to top button