Mamata Banerjee: স্ট্রংরুমের বাইরে স্লোগান যুদ্ধ! রাত ১২ টার পর গণনাকেন্দ্র ছাড়লেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়!
খবর সূত্রের, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ি বেরিয়ে যাওয়ারও পরও কিছুক্ষণ চলছে স্লোগান আর পাল্টা স্লোগান ঘিরে তৈরি হয়েছে উত্তেজনা৷ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতেই মাইকিং পুলিশের৷
Mamata Banerjee: স্ট্রংরুমের বাইরে তৃণমূল বনাম বিজেপি কর্মী সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা, জমায়েত সরাতে মাইকিং পুলিশের
হাইলাইটস:
- স্ট্রংরুমের বাইরে চার ঘণ্টারও বেশি সময় বসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
- শাখাওয়াত মেমোরিয়ালের বাইরেই বসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
- রাত ১২ টার পর গণনাকেন্দ্র ছাড়লেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
- স্ট্রংরুমের বাইরে তৃণমূল এবং বিজেপি কর্মী সমর্থকদের মধ্যে বচসা
Mamata Banerjee: স্ট্রংরুমের বাইরে প্রায় চার ঘণ্টারও বেশি সময় বসেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ শাখাওয়াত মেমোরিয়ালের বাইরেই বসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তিনি গণনা কেন্দ্র ছাড়লেন রাত ১২ টার পর। তাঁর গাড়ি বেরোতেই তৃণমূলকর্মী সমর্থকরা স্লোগান দেয় ‘জয় বাংলা’৷ আর বিজেপিকর্মী সমর্থকরা পাল্টা ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিতে শুরু করেন৷
We’re now on WhatsApp- Click to join
খবর সূত্রের, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ি বেরিয়ে যাওয়ারও পরও কিছুক্ষণ চলছে স্লোগান আর পাল্টা স্লোগান ঘিরে তৈরি হয়েছে উত্তেজনা৷ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতেই মাইকিং পুলিশের৷ এলাকা ফাঁকা করতে আর জমায়েত সরাতেই মাইকিং পুলিশের৷
We’re now on Telegram- Click to join
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার রাতে কারচুপির আশঙ্কায় শাখাওয়াত মেমোরিয়ালে স্ট্রংরুম পরিদর্শনে যান তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তৃণমূলের অন্য দুই প্রার্থী কুণাল ঘোষ আর শশী পাঁজা বসেছিলেন ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের গেটের বাইরে অবস্থানে৷
BJP and their compromised Election Commission have no idea who they are dealing with.
They have imported operatives from other states to swarm the area outside the Netaji Indoor Stadium, staging a media spectacle to mask their fear. We do not need to mobilize. At one command… pic.twitter.com/PHQk7K5fiQ
— All India Trinamool Congress (@AITCofficial) April 30, 2026
আর অন্যদিকে, শাখাওয়াত মেমোরিয়ালের বাইরে কেন তৃণমূলের প্রচার ভ্যান দাঁড়িয়ে আছে? পুলিশ কেন সেটাকে ঢুকতে দিল বিজেপি কর্মী সমর্থকরা এই অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে৷ অবশেষে বিক্ষোভে ভিড় খালি করতে হস্তক্ষেপ করে পুলিশ।
প্রসঙ্গত, শ্যামপুকুর এবং বেলেঘাটা কেন্দ্রের দুই তৃণমূল প্রার্থী শশী পাঁজা আর কুণাল ঘোষ অভিযোগ তুলেছিলেন যে, সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের অনুপস্থিতিতেই নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা এবং বিজেপি ইভিএম খোলার চেষ্টা করছেন। নির্বাচনের ফল ঘোষণার আগেই তারা এবার বড়সড় কারচুপির আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
নির্বাচন কমিশনের নজরদারি ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন কুণাল ঘোষ। তিনি দাবি করেন যে, লাইভ স্ট্রিমিং এবং সিসিটিভি ক্যামেরায় দেখা যাচ্ছে যে, স্ট্রংরুমের ভেতরে কিছু মানুষ কাজ করছেন, আর অথচ সেখানে তৃণমূলের কোনো প্রতিনিধি নেই। এমনকি তাঁদের ভেতরে ঢুকতেও এদিকে বাধা দেওয়া হচ্ছে। তাঁর প্রশ্ন যে, যাদের পরিচয় স্পষ্ট নয়, কার অনুমতিতে তাঁরা সেখানে প্রবেশাধিকার পেলেন এবং কেনই বা তাঁদের উপস্থিতিতে কাজ চলছে? আমাদের অন্য প্রার্থীদের সাথে তাঁরা কথা বলতে বলছেন। কেন আমরা অন্য প্রার্থীদের দায়িত্ব নেব? উঠছে প্রশ্ন।
এইরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।







