Bangladesh News: রাজনীতি থেকে কী সরে দাঁড়াতে চলেছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা? কী হবে তবে আওয়ামি লিগের ভবিষ্যৎ?
আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি অবশেষে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন৷ তবে এই নির্বাচনে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে হাসিনার দল আওয়ামি লিগকে৷ এমন পরিস্থিতিতে, বাংলাদেশের এক সংবাদপত্রে প্রকাশিত হল একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য৷
Bangladesh News: শেখ হাসিনার ‘রাজনৈতিক সন্ন্যাস’? ভোটের আগেই বাংলাদেশের ইতিউতি উঁকি মারছে হাজারো জল্পনা
হাইলাইটস:
- সামনেই হবে বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন
- ২০২৪ সালের পর প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচন
- তার আগেই রাজনীতির অন্দরে জোর জল্পনা
Bangladesh News: ২৪শের জুলাই বিপ্লবের জেরে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা৷ তাঁর দেশ ত্যাগের পর থেকেই দেশের প্রশাসনিক দায়িত্বভার সামলাচ্ছে মুহম্মদ ইউনূসের নেতত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকার৷
আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি অবশেষে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন৷ তবে এই নির্বাচনে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে হাসিনার দল আওয়ামি লিগকে৷ এমন পরিস্থিতিতে, বাংলাদেশের এক সংবাদপত্রে প্রকাশিত হল একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য৷
We’re now on WhatsApp- Click to join
ওই পত্রিকার সাম্প্রতিক একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, সম্ভবত, এবার সক্রিয় রাজনীতি থেকে রীতিমতো সরে দাঁড়াতে চলেছেন মুজিবর কন্যা শেখ হাসিনা৷ সেক্ষেত্রে, দলের সব দায়িত্বভার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের হাতে তিনি তুলে দেবেন। ওই প্রতিবেদনে এমনটাও দাবি করা হয়েছে যে, বাংলাদেশের এহেন গণতান্ত্রিক সঙ্কটের মুহূর্তে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে আওয়ামি লিগের অস্তিত্ব প্রশ্নের মুখে পড়ে যাবে৷
We’re now on Telegram- Click to join
ওই রিপোর্টে আরও দাবি করা হয়েছে, এই সময় যদি শেখ হাসিনা সক্রিয় রাজনীতি ছাড়েন, তাহলে এটি সবচেয়ে খারাপ সময়ে নেওয়া একটি সিদ্ধান্ত হিসাবেই গণ্য হবে৷ বিশেষ করে যখন আওয়ামি লিগের একাধিক বরিষ্ঠ নেতা লড়াই করছে বিভিন্ন গর্হিত অপরাধমূলক অভিযোগের বিরুদ্ধে৷
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল অবধি শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনকালে, জয় রাজনীতি অথবা দল গঠনে কোনও আগ্রহ দেখাননি। তিনি সর্বদা একটি ছোট কিন্তু প্রভাবশালী বৃত্তের মধ্যে থাকতেন, যে বৃত্তের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি, আর্থিক কারসাজি এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের রয়েছে অভিযোগ।
বেশ কয়েকটি বিতর্কিত মামলার সাথে যুক্ত হয়েছে জয়ের নাম, যার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশে পেপ্যাল পরিষেবার ব্যর্থতা (যেখানে তিনি আর তাঁর সহযোগী জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে উঠেছিল বিপুল ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ)৷ এছাড়া, ৫জি স্পেকট্রাম ও অন্যান্য বড় প্রকল্পের মতো বিলিয়ন ডলারের চুক্তিতে রয়েছে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগও।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অফশোর অ্যাকাউন্ট এবং শেল কোম্পানিতে কোটি কোটি ডলার জমানোর অভিযোগ রয়েছে জয়ের বিরুদ্ধে। জয়ের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ রিজার্ভ ব্যাঙ্কে চুরি, মাদক ও সোনা চোরাচালানের মতো কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার রয়েছে অভিযোগ। যদিও তাঁর সহযোগীদের দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল এইসব কাজ বলেই অভিযোগ৷
আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন যা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ চরম পর্যায়ে উঠেছে৷ এই নির্বাচনে শেখ হাসিনার দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে না পারলেও বিএনপি থেকে শুরু করে এনসিপি, জামাত প্রস্তুতি নিচ্ছে প্রত্যেকেই৷ বিদেশ থেকে ফিরে এসেছেন প্রয়াত খালেদা জিয়ার ছেলে তথা বর্তমান বিএনপি-র চেয়ারম্যান তারেক রহমান৷ সাথে দেশে ফিরেছেন তাঁর স্ত্রী এবং মেয়েও৷
Read More- ভোটের প্রচারে সরাসরি হিন্দুদের হত্যার হুমকি! ইউনূসের বাংলাদেশে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি
অন্যদিকে, বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রের চারশো গজের মধ্যে, মোবাইল ফোন নেওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কমিশন। নির্বাচনে অশান্তি এড়াতেই গত রবিবার এ বিষয়ে জারি করা হয়েছে এক বিজ্ঞপ্তি৷ কিন্তু, দ্রুত এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করার দাবি জানিয়েছে এনসিপি৷ নির্দেশ প্রত্যাহার না হলে কমিশনের দফতর ঘেরাও করারও হুঁশিয়ারি এদিন দেওয়া হয়েছে৷ গতকাল কিছুটা সুর নরম করেছে নির্বাচন কমিশন৷
এইরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।







