UAE Drone Attack: আমিরশাহীর পরমাণুকেন্দ্রে ড্রোন হামলার ঘটনায় কড়া নিন্দা ভারতের, ‘একেবারেই মেনে নেওয়া যায় না…!’ জানালো বিদেশ মন্ত্রক
তবে হামলায় হতাহতের কোনও ঘটনা না ঘটলেও, তেজস্ক্রিয়তা ছড়ানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। এরপর ফেডারেল অথরিটি ফর নিউক্লিয়ার রেগুলেশন (FANR) একটি বিবৃতি জারি করে জানিয়েছে, হামলার পর ওখানকার তেজস্ক্রিয় নিরাপত্তার মাত্রা এখনও পর্যন্ত স্বাভাবিক রয়েছে।
UAE Drone Attack: এই ড্রোন হামলার দায় কোনও গোষ্ঠী এখনও পর্যন্ত স্বীকার করেনি
হাইলাইটস:
- রবিবার আমিরশাহীতে অবস্থিত বারাকাহ পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাছে একটি ড্রোন হামলা চালানো হয়
- এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে ভারত
- এই হামলাকে ‘বিপজ্জনক উত্তেজনা বৃদ্ধি’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে
UAE Drone Attack: সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। ভয়ঙ্কর এই ড্রোন হামলায় আগুন ধরে গিয়েছে বারাকাহ পরমাণু কেন্দ্রটিতে। সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, ওই পরমাণুকেন্দ্রের বাইরে একটি বৈদ্যুতিক জেনারেটরকে নিশানা করেই এই হামলাটি চালানো হয়। তবে হামলায় হতাহতের কোনও ঘটনা না ঘটলেও, তেজস্ক্রিয়তা ছড়ানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। এরপর ফেডারেল অথরিটি ফর নিউক্লিয়ার রেগুলেশন (FANR) একটি বিবৃতি জারি করে জানিয়েছে, হামলার পর ওখানকার তেজস্ক্রিয় নিরাপত্তার মাত্রা এখনও পর্যন্ত স্বাভাবিক রয়েছে।
We’re now on WhatsApp – Click to join
সোমবার অর্থাৎ আজ আমিরশাহীর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে ভারত৷ এই হামলাকে ‘বিপজ্জনক উত্তেজনা বৃদ্ধি’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ায় সব পক্ষকে আবার সংলাপ ও কূটনীতিতে ফেরার আহ্বান জানিয়েছে। ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের তরফে বিবৃতি জারি করে বলা হয়েছে, তারা UAE-র একমাত্র পারমাণবিক ফেসিলিটিতে হামলা নিয়ে ‘গভীরভাবে উদ্বিগ্ন’।
🚨🇦🇪 UAE condemns drone attack that caused a fire near its nuclear plant.
Calls it a "dangerous escalation." pic.twitter.com/H4135qn43d
— HUSSEIN (@PulseOrbit) May 17, 2026
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘এই ধরনের কাজ একেবারেই মেনে নেওয়া যায় না এবং এটা অবশ্যই বিপজ্জনক উত্তেজনা বৃদ্ধি। আমরা জরুরি ভিত্তিতে সংযম দেখানোর এবং আবার সংলাপ ও কূটনীতিতে ফেরার আহ্বান জানাই।’ রবিবার বারাকাহ নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্টে ড্রোন হামলায় আগুন লাগে, যেটাকে আমিরশাহি কর্তৃপক্ষ ‘অযৌক্তিক সন্ত্রাসী হামলা’ বলে বর্ণনা করেছে। তবে এই হামলার দায় কোনও গোষ্ঠী এখনও পর্যন্ত স্বীকার করেনি।
উল্লেখ্য, পারমাণবিক স্থাপনার ওপর কোনও হামলা বড়সড় পরিবেশগত ও মানবিক সংকট তৈরি করতে পারে। এর আগে ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধ চলাকালীন আমিরশাহীর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বেশ কয়েকটি হামলা প্রতিহত করলেও এবার প্ল্যান্টের বাইরে হামলা চালাতে সক্ষম হয় ড্রোনটি।
এই রকম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।







