Bangla News

Russian Oil: ২০৩০ সালের মধ্যে মিটবে তেল সংকট! হরমুজে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই রাশিয়ার সঙ্গে হাত মিলিয়েছে ভারত

এই কোম্পানিগুলো জাহাজগুলোকে পিঅ্যান্ডআই কভার নামক এক বিশেষ ধরনের বীমা প্রদান করে। এই বীমা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি ছাড়া কোনো জাহাজ আন্তর্জাতিক জলসীমায় চলাচল করতে পারে না।

Russian Oil: তেল সংকটের মধ্যে ভারতের বড় সিদ্ধান্ত! রাশিয়ার সঙ্গে হাত মিলিয়ে কি শেষ হবে তেল সংকট?

হাইলাইটস:

  • মধ্যপ্রাচ্যের হরমুজ প্রণালীতে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এল বড় খবর
  • রাশিয়া থেকে তেল সরবরাহ সুরক্ষিত করতে বড় পদক্ষেপ ভারতের
  • এবার বীমা কোম্পানির সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত

Russian Oil: যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধ এবং হরমুজ প্রণালীর অবরোধ বিশ্বজুড়ে তেল ও গ্যাস সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। এই সময়ে, ভারত যাতে তেলের ঘাটতির সম্মুখীন না হয়, তা নিশ্চিত করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও বিচক্ষণ পদক্ষেপ নিয়েছে। ভারত সরকার রাশিয়ার তেলবাহী জাহাজের জন্য বীমা প্রদানকারী রুশ কোম্পানির সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগে অনুমোদিত কোম্পানির সংখ্যা ছিল আটটি, কিন্তু এখন এই সংখ্যা বাড়িয়ে ১১ করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি নিয়েছে ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ শিপিং (ডিজিএস)।

We’re now on WhatsApp- Click to join

এই কোম্পানিগুলো জাহাজগুলোকে পিঅ্যান্ডআই কভার নামক এক বিশেষ ধরনের বীমা প্রদান করে। এই বীমা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি ছাড়া কোনো জাহাজ আন্তর্জাতিক জলসীমায় চলাচল করতে পারে না। প্রকৃতপক্ষে, রাশিয়ার ওপর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে প্রধান ইউরোপীয় বীমা কোম্পানিগুলো রুশ তেল বহনকারী জাহাজগুলোর জন্য তাদের বীমা সুরক্ষা কমিয়ে দিয়েছিল। এতে ভারতের জন্য একটি সমস্যা তৈরি হয়, কারণ ভারত রাশিয়া থেকে বিপুল পরিমাণে তেল ক্রয় করে। এখন, ভারত রুশ কোম্পানিগুলোকে অনুমোদন দিয়ে এই সমস্যার সমাধান করেছে।

We’re now on Telegram- Click to join

কোন কোন বড় কোম্পানিকে অনুমতি দেওয়া হয়েছিল?

বিশ্বের কয়েকটি বৃহত্তম রুশ কোম্পানি, যেমন গ্যাজপ্রম ইন্স্যুরেন্স এবং রসগোসস্ট্রাখ-কে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ভিএসকে, সোগাজ এবং আলফাস্ট্রাখোভানিকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এটি শুধু বর্তমানের জন্যই নয়, বরং আগামী বছরগুলোর জন্যও ভারতের প্রস্তুতিকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। এছাড়াও, আরও বেশ কয়েকটি কোম্পানিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং দুবাই-ভিত্তিক ইসলামিক প্রোটেকশন অ্যান্ড ইনডেমনিটি ক্লাব কোম্পানিকে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পরিষেবা প্রদানের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, যা পছন্দের সুযোগ বাড়িয়েছে এবং কোনো একক সংস্থার উপর নির্ভরতা কমিয়েছে।

হরমুজ প্রণালীতে তীব্র উত্তেজনার সময়ে এই সিদ্ধান্তটি এসেছে। এই পথটি বিশ্বের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এর মধ্য দিয়ে বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহন করা হয়। এতে যেকোনো ধরনের বিঘ্ন ভারতের মতো দেশগুলোকে সরাসরি প্রভাবিত করবে। ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল আমদানিকারক দেশ এবং সম্প্রতি রাশিয়া থেকে সস্তায় তেল কেনা বাড়িয়েছে।

Read More- ‘সরকারের এবার মেয়াদ ফুরোচ্ছে’, সংবিধান সংশোধনী বিল ভেস্তে যেতেই বিজেপিকে তোপ দাগলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

তাই, তেলের প্রবাহে যাতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে, তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি ছিল। ভারতের এই পদক্ষেপটি একটি রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করবে, যা নিরবচ্ছিন্ন তেল সরবরাহ নিশ্চিত করবে এবং দেশের জ্বালানির চাহিদা নির্বিঘ্নে মেটানো নিশ্চিত করবে।

এইরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।

Back to top button