Arup Biswas: ঋতব্রতদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেই কী মমতাকে চাপে ফেলতে বড় পদক্ষেপ অরূপের? পাল্টা চাল তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও
ওই চিঠিতে সংসদীয় এবং পরিষদীয় দলে ভাঙনের কথাও এদিন উল্লেখ করা হয়েছে। তবে দলের তহবিল কার হাতে থাকবে, তা নিয়েই তৈরি হয় জল্পনা, আর সেই বিষয়টিই এবার উল্লেখ করে অ্যাকাউন্টটি ফ্রিজ করার জন্য ব্যাঙ্ক ম্যানেজারকে আবেদন জানিয়েছিলেন অরূপ।
Arup Biswas: কেন আচমকা ব্যাঙ্ককে চিঠি লিখতে গেলেন অরূপ বিশ্বাস? কী ঘটেছে এদিন? জেনে নিন বিস্তারিত
হাইলাইটস:
- মমতাকে চাপে ফেলতেই কী চিঠি লিখল অরূপ?
- অরূপের এই চিঠিতে মান্যতা দিল না ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ
- কিন্তু কেন? কী এমন ছিল অরূপের ওই চিঠিতে?
- তবে কী অরূপের হাবভাব বুঝেই বড় সিদ্ধান্ত মমতার?
Arup Biswas: রীতিমতো ১৫ বছরের তৃণমূল জমানায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশেষ আস্থাভাজন যদি কিছু জন থেকে থাকতেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন অরূপ বিশ্বাস। তবে এবার মমতাকে কী চাপে ফেলারই চেষ্টা করছেন সেই অরূপ বিশ্বাসই? তৃণমূল কংগ্রেসের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করতে চেয়েই ব্যাঙ্ক ম্যানেজারকে এদিন চিঠি অরূপ বিশ্বাসের। গত ১২ই জুন, ব্যাঙ্কে পাঠানো চিঠিতে নিজেকে তৃণমূলের কোষাধ্যক্ষ হিসাবে দাবি করেন অরূপ বিশ্বাস।
We’re now on Telegram- Click to join
ওই চিঠিতে সংসদীয় এবং পরিষদীয় দলে ভাঙনের কথাও এদিন উল্লেখ করা হয়েছে। তবে দলের তহবিল কার হাতে থাকবে, তা নিয়েই তৈরি হয় জল্পনা, আর সেই বিষয়টিই এবার উল্লেখ করে অ্যাকাউন্টটি ফ্রিজ করার জন্য ব্যাঙ্ক ম্যানেজারকে আবেদন জানিয়েছিলেন অরূপ। যাতে এহেন অবস্থাতেও দলের অ্যাকাউন্টটি সুরক্ষিত রাখা যায়। তবে সূত্রের খবর, অরূপের ওই চিঠিতে মান্যতা দেননি ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ। কারণ ৫ই জুন থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শুভাশিস চক্রবর্তীকে।
We’re now on WhatsApp- Click to join
এর আগে যখন কালীঘাটে বৈঠক হয়েছিল, তখন অরূপের সাথে তর্কাতর্কির মতোই একটা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল বলে খবর। এরপর, এটাও জানা যায় যে, অরূপ বিশ্বাসকে যখন ডেকে পাঠানো হচ্ছিল, তখন তিনি কালীঘাটে যাচ্ছিলেন না। এবং অন্যদিকে, মেসিকাণ্ডেও যখন অরূপের বিরুদ্ধে পরপর অভিযোগ দায়ের করা হতে থাকে, তার মধ্যেই আর্থিক লেনদেনের বিষয়টিও জড়িয়ে যায়, তখনই দলের অন্দরেও প্রশ্নের মুখে পড়ছিলেন অরূপ বিশ্বাস। সঠিক উত্তর দলকেও দিতে পারেননি বলেই খবর রয়েছে। কালীঘাটের অন্দরেও বাড়তে থাকে জটিলতা, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন অরূপ বিশ্বাস। অরূপকে ডেকে জিজ্ঞাসাও করা হলে, সেখানেও নাকি তাঁর তরফে মেলেনি কোনও জবাব। তাই দল কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব অরূপের থেকে সরিয়ে নিয়ে দেওয়া হয় শুভাশিসকে।
In another development amidst internal factions- #TMC leader Aroop Biswas has shot off letter to HDFC bank as their party treasurer asking for total freeze on the party account pending resolve of the issue of authority and who does control over the organisation belongs to. 20 out… pic.twitter.com/xvXdFZcYNG
— Tamal Saha (@Tamal0401) June 18, 2026
১২ই জুন ব্যাঙ্ককে চিঠি পাঠিয়েছিলেন অরূপ। এদিকে সে সময়ে তিনি বিধাননগর দক্ষিণ থানায় পুলিশের হাজিরা এড়িয়ে যাচ্ছিলেন। হদিশও মিলছিল না তাঁর। তবে সেই চিঠি গৃহীত হয়নি, কারণ অরূপের হাবভাব বুঝেই তার আগেই ৫ই জুন সমস্ত আইনি পদ্ধতি মেনেই অরূপকে সরিয়ে কোষাধ্যক্ষ বানিয়ে ফেলেছে শুভাশিসকে। তাই এখানে স্বাভাবিকভাবেই এটা বলা যেতে পারে যে, এটি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বড় চাল! দলের পক্ষ থেকে রেজুলিউশন করে মিনিটস করে তা জানানো হয়েছে, এবার এখন থেকে কোষাধ্যক্ষ শুভাশিস চক্রবর্তী। আর সেটাই জানিয়ে দেওয়া হয় ব্যাঙ্ককেও। তবে প্রশ্ন হচ্ছে যে, কেন আচমকা ১২ই জুন চিঠি লিখতে গেলেন অরূপ বিশ্বাস? তিনি ঋতব্রতদের সাথে যোগাযোগ রেখেই কী মমতাকে চাপে ফেলতে চাইছেন? এবার উঠছে প্রশ্ন।
এদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের অ্যাকাউন্টের দাবিদার ঋতব্রতরাও। গতকাল কলকাতা হাইকোর্ট স্পষ্ট করে দিয়েছে যে বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই। এবার সন্দীপন সাহা অ্যাকাউন্ট নিয়ে বলেন, “চিঠি দিয়েছেন অরূপ বিশ্বাস। তিনি ছিলেন কোষাধ্যক্ষ। তিনি মনে করেছেন যে, এই চিঠিটা হয়তো না দিলে, তৃণমূলের যে অ্যাকাউন্টটা রয়েছে, তাতে হতে পারে অনিয়ম।”
এইরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।







