West Bengal Assembly Election 2026: নির্বাচন কমিশনের উপর ‘পূর্ণ আস্থা’ প্রধানমন্ত্রীর! “এবার বাংলায় হবে পরিবর্তনের ভোট” মন্তব্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর
প্রধানমন্ত্রী মোদী যখন কমিশনের উপর আস্থা রাখার কথা জানাচ্ছেন, ঠিক তখনই এসআইআর প্রক্রিয়ায় একাধিক অসঙ্গতির অভিযোগ তুলে নির্বাচন সদনের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
West Bengal Assembly Election 2026: ‘বাংলায় এবার নিরপেক্ষ ভোট হবে…’ এদিন সভা থেকে ভবিষ্যদ্বাণী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর
হাইলাইটস:
- কমিশনের উপরে পূর্ণ আস্থা রাখার কথা এদিন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী
- ঠিক তখনই SIR নিয়ে নির্বাচন সদনের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
- তবে বাংলায় এবার পরিবর্তনের ভোট হবে বলে জোর হুঙ্কার দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী
West Bengal Assembly Election 2026: রাজ্যে এবার হবে নিরপেক্ষ নির্বাচন। কোচবিহারের জনসভা থেকে এমনটাই ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই সূত্রেই প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন কমিশনের উপর ‘পূর্ণ আস্থা’ রাখার কথাও জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “নির্বাচন কমিশনের উপর তাঁর পূর্ণ আস্থা রয়েছে। এবার বাংলায় হবে নিরপেক্ষ ভোট। এবার নির্ভয়ে হবে ভোট। আর এবারই হবে পরিবর্তনের জন্যও ভোট।”
We’re now on WhatsApp- Click to join
প্রধানমন্ত্রী মোদী যখন কমিশনের উপর আস্থা রাখার কথা জানাচ্ছেন, ঠিক তখনই এসআইআর প্রক্রিয়ায় একাধিক অসঙ্গতির অভিযোগ তুলে নির্বাচন সদনের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
We’re now on Telegram- Click to join
গত ১৪ই মার্চ ব্রিগেডে সভা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তখন অবশ্য রাজ্যে ঘোষণা করা হয়নি ভোটের নির্ঘণ্ট। পশ্চিমবঙ্গে ভোট ঘোষণার পরই রবিবার কোচবিহারে প্রথম সভা করেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। এদিন ব্রিগেডের সভায় বেছে বেছে হিসাব নেওয়ারও কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। এদিন সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভোটের পরই তৃণমূলের সব পাপের হিসাব নেওয়া হবে, বেছে বেছে করা হবে হিসাব।”
তৃণমূল শাসনকালে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কথা বলতে গিয়েও মালদহের ঘটনার উদাহরণ দেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। তিনি বলেন, “গোটা দেশ দেখেছে, কীভাবে বিচারকদের আটকে ধরে রাখা হয়েছিল। তৃণমূলের শাসনে রেহাই পান না বিচারকেরাও। তৃণমূলের নির্মম সরকারের মহাজঙ্গলরাজের উদাহরণ কালিয়াচকের ঘটনা।”
“কোচবিহারে আজকের এই বিশাল জনসমাগমই প্রমাণ করে দিয়েছে যে, তৃণমূল কংগ্রেসের পাপের ঘড়া এখন পূর্ণ হয়ে গেছে।
সারা বাংলায় এখন একটাই আওয়াজ প্রতিধ্বনিত হচ্ছে — পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার।”
— প্রধানমন্ত্রী শ্রী @narendramodi জি#CoochBeharwithModi… pic.twitter.com/TUL5AIB8GA
— Dr. Sukanta Majumdar (@DrSukantaBJP) April 5, 2026
এদিকে, পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী এলাকায় বদলে যাচ্ছে জনবিন্যাস, বলেও অভিযোগ তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। তিনি বলেন, “অনুপ্রবেশকারীদের ভোটব্যাঙ্ক বানিয়েছে জোড়া ফুল। আর এই অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচাতেই এসআইআর-এর বিরোধিতা করছে তৃণমূল। এর ফলে বিপদের মুখে বাংলার মানুষের নিরাপত্তা।”
অন্যদিকে, গত কয়েকটি ভোটের ফল বিশ্লেষণ করে দেখা গিয়েছে, রাজ্যে মহিলাদের ভোটই মূলত তৃণমূলের ঝুলিতে। এবার সেই অঙ্কই মাথায় রেখে কোচবিহারের সভায় ‘মা-বোনেদের’ উদ্দেশ্যে বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। তিনি বলেন, “বিজেপি এলে স্বনির্ভর হবেন মহিলারা। মা-বোনেদের সব সুবিধা দিয়েছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার।” বিজেপি ‘মা-বোনেদের ফার্স্ট চয়েস’ বলেও এদিন জানান প্রধানমন্ত্রী মোদী।
প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী বক্তৃতার শুরুতে বাংলায় বলেছিলেন, “আমি সবাইকে নমস্কার জানাই।” তার পর একাধিক বার কাটা কাটা বাংলায় তাঁকে বক্তৃতা করতে শোনা গিয়েছে এদিন। কখনও তিনি বলেছেন, “বাংলায় এবার এখন একটাই আওয়াজ, ‘পাল্টানো দরকার’।” কখনও আবার বলেছেন, “জঙ্গলরাজের অন্ত হবে”।
এইরকম আরও রাজনৈতিক প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।







