World Most Powerful Passport: গ্লোবাল পাসপোর্ট ইনডেক্সে ভারত স্থানে বিরাট পরিবর্তন, জেনে নিন এর শক্তি কীভাবে নির্ধারিত হয়?
এই নতুন রিপোর্ট অনুসারে, ভারতীয় পাসপোর্টের শক্তি হ্রাস পেয়েছে এবং ভারত এই তালিকায় ১২৫তম স্থানে নেমে এসেছে। ২০২৫ সালের তুলনায় এই র্যাঙ্কিং এক ধাপ নিচে নেমেছে। এই বিশ্ব তালিকায় সিঙ্গাপুর প্রথম স্থানে রয়েছে, আর আফগানিস্তান রয়েছে একেবারে শেষে।
World Most Powerful Passport: এই র্যাঙ্কিং আন্তর্জাতিকভাবে একটি দেশের সাধারণ নাগরিকদের জন্য উপলব্ধ সুবিধা এবং সম্মান পরিমাপ করে
হাইলাইটস:
- গ্লোবাল পাসপোর্ট ইনডেক্সে ভারত এক ধাপ পিছিয়ে ১২৫তম স্থানে নেমে এসেছে
- একটি দেশের পাসপোর্টের শক্তি তার কূটনৈতিক সম্পর্ক, অর্থনীতি এবং ভিসামুক্ত ভ্রমণের ওপর নির্ভর করে
- এই বিশ্ব তালিকায় সিঙ্গাপুর প্রথম স্থানে রয়েছে
World Most Powerful Passport: বিশ্বজুড়ে ভারতের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের মাঝে পাসপোর্ট নিয়ে এক আশ্চর্যজনক খবর সামনে এসেছে। রেসিডেন্সি এবং সিটিজেনশিপ উপদেষ্টা সংস্থা গ্লোবাল সিটিজেন সলিউশনস তাদের গ্লোবাল পাসপোর্ট ইনডেক্সের পঞ্চম বার্ষিক সংস্করণ প্রকাশ করেছে।
We’re now on WhatsApp – Click to join
এই নতুন রিপোর্ট অনুসারে, ভারতীয় পাসপোর্টের শক্তি হ্রাস পেয়েছে এবং ভারত এই তালিকায় ১২৫তম স্থানে নেমে এসেছে। ২০২৫ সালের তুলনায় এই র্যাঙ্কিং এক ধাপ নিচে নেমেছে। এই বিশ্ব তালিকায় সিঙ্গাপুর প্রথম স্থানে রয়েছে, আর আফগানিস্তান রয়েছে একেবারে শেষে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, গ্লোবাল পাসপোর্ট ইনডেক্সের র্যাঙ্কিং কীভাবে নির্ধারণ করা হয়।
পাসপোর্টের মর্যাদা কী?
সাধারণ কথায়, পাসপোর্ট র্যাঙ্কিং বলতে বোঝায় কোনো দেশের নাগরিকরা অগ্রিম ভিসা ছাড়াই কতগুলি দেশে ভ্রমণ করতে পারে। এই র্যাঙ্কিং আন্তর্জাতিকভাবে একটি দেশের সাধারণ নাগরিকদের জন্য উপলব্ধ সুবিধা এবং সম্মান পরিমাপ করে। বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সংস্থা এটি পরিমাপ করার জন্য রিপোর্ট প্রকাশ করে। এদের মধ্যে, হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স-এর হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্স সুপরিচিত, যা বিশ্বজুড়ে পাসপোর্টের শক্তি মূল্যায়ন করতে ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন-এর অফিসিয়াল ডেটা ব্যবহার করে।
🇮🇳 India has slipped to 125th in the Global Passport Index 2026. pic.twitter.com/aOTZ422rmA
— 🚨Indian Gems (@IndianGems_) July 5, 2026
ভিসামুক্ত এবং আগমন-পরবর্তী প্রবেশের প্রধান ভিত্তি
কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম এবং একটি পয়েন্ট পদ্ধতি রয়েছে, যা নির্ধারণ করে বিশ্বব্যাপী কোনো দেশের পাসপোর্ট কতটা মনোযোগ পাবে। এর প্রাথমিক এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড হল ভিসা-মুক্ত প্রবেশ। এর অর্থ হল, ভারতীয়রা যদি পূর্বের কোনো কাগজপত্র ছাড়াই এমন প্রতিটি দেশে ভ্রমণ করেন যেখানে পৌঁছানোর সাথে সাথেই তাদের প্রবেশাধিকার দেওয়া হয়, তবে সেই পাসপোর্ট এক পয়েন্ট করে পায়। দ্বিতীয় মানদণ্ডটি হল ‘ভিসা-অন-অ্যারাইভাল’, যার মাধ্যমে ভ্রমণকারী দেশের বিমানবন্দরে নামার সাথে সাথেই ভিসা পাওয়া যায়। এটিও র্যাঙ্কিংয়ে এক পয়েন্ট যোগ করে।
ই-ভিসা এবং কূটনৈতিক চুক্তি
আজকের ডিজিটাল যুগে, র্যাঙ্কিংয়ে ই-ভিসা এবং ইটিএ (ইলেকট্রনিক ট্র্যাভেল অথরাইজেশন) প্রক্রিয়াগুলোও বিবেচনা করা হয়। যদি কোনো দেশের অনলাইন ভিসা খুব সহজ এবং দ্রুত হয়, তবে এটিকে একটি ইতিবাচক সূচক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বিশ্বব্যাপী, এই সূচকটি বিশ্বের ২২৭টি সম্ভাব্য ভ্রমণ গন্তব্যের সাথে ১৯৯টি পাসপোর্টের তুলনা করে। কোনো দেশের ভিসা-মুক্ত বা ভিসা-অন-অ্যারাইভাল পয়েন্ট যত বেশি থাকে, বিশ্ব তালিকায় তার অবস্থান তত উঁচু এবং শক্তিশালী হয়।
Read more:- পাসপোর্টের বিভিন্ন রঙের অর্থ কী? জেনে নিন কীভাবে অনলাইনে এর জন্য আবেদন করবেন
অর্থনীতি ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা
একটি পাসপোর্টের প্রকৃত শক্তি কেবল মানুষ কোথায় ভ্রমণ করতে চায় তার উপরই নির্ভর করে না, বরং দেশটির কূটনীতি এবং অর্থনীতির উপরও নির্ভর করে। দুটি দেশের মধ্যে শক্তিশালী বাণিজ্য চুক্তি, পারস্পরিক নিরাপত্তা সমন্বয় এবং দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা—এই সবই এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যখন কোনো দেশকে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ ও নিরাপদ হিসেবে গণ্য করা হয়, তখন বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলো তার নাগরিকদের প্রতি আস্থা প্রকাশ করে এবং তাদের জন্য নিজেদের দ্বার উন্মুক্ত করে দেয়। এই কারণেই ধনী ও উন্নত দেশগুলোর পাসপোর্ট সবসময় শীর্ষে থাকে।
এই রকম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।







