TMC Bank Account Case Update: তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে একটি সংস্থার অ্যাকাউন্টে প্রায় ১৬০ কোটি টাকা ট্রান্সফার! কোটি কোটি লেনদেনে নজর ED-র
বিধাননগর সাইবার পুলিশের দায়ের করা একটি এফআইআরের ভিত্তিতে এই তদন্ত শুরু হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে যে, আর্থিক লেনদেনে অসততা এবং বেআইনিভাবে অর্থ সংগ্রহ আর তৃণমূল-এর কিছু ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ঘটনা ঘটেছে সন্দেহজনকভাবে অর্থ ট্রান্সফারের।
TMC Bank Account Case Update: এবার তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট তদন্তে তহবিল তছরুপের সন্দেহজনক গন্ধ পাচ্ছে ED
হাইলাইটস:
- তৃণমূল-এ অ্যাকাউন্ট থেকে সন্দেহজনকভাবে অর্থ ট্রান্সফারের
- দলীয় অর্থে বিমান কিনে সেগুলিকে ভাড়ায় নেওয়া হত বলে খবর
- তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট তদন্তে এবার এমনটাই আভাস ED-র
TMC Bank Account Case Update: ED-র কলকাতা জোনাল অফিস মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন (PMLA) অর্থাৎ ২০০২-এর আওতায় কলকাতা এবং সংলগ্ন এলাকায় ইতিমধ্যেই মোট ৫টি স্থানে তল্লাশি চালিয়েছে। এই তল্লাশি কেয়ারওয়েল গ্রুপের সাথে সম্পর্কিত বলেই জানা যাচ্ছে। তল্লাশির সময় তৃণমূল-এর একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের ৩টি অ্যাকাউন্টে থাকা প্রায় ৪৪০.৪২ কোটি টাকা শনাক্ত করে PMLA-এর ধারা ১৭(১এ) অনুসারে এটি করা হয়েছে ফ্রিজ।
We’re now on Telegram- Click to join
বিধাননগর সাইবার পুলিশের দায়ের করা একটি এফআইআরের ভিত্তিতে এই তদন্ত শুরু হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে যে, আর্থিক লেনদেনে অসততা এবং বেআইনিভাবে অর্থ সংগ্রহ আর তৃণমূল-এর কিছু ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ঘটনা ঘটেছে সন্দেহজনকভাবে অর্থ ট্রান্সফারের।
We’re now on WhatsApp- Click to join
তদন্তে জানা গিয়েছে, তৃণমূল-এর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ১৬০ কোটি টাকা স্থানান্তর করা হয় কেয়ারওয়েল এভিয়েশন ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড এবং তার সহযোগী সংস্থায়। মূলত, এই লেনদেন হয়েছে এপ্রিল ২০২৩ থেকে জুন ২০২৬-এর মধ্যে।
ED FREEZES TMC BANK ACCOUNT
Enforcement Directorate has launched a money laundering investigation into three Trinamool Congress bank accounts holding around Rs 440 crore, carrying out coordinated raids across multiple locations with Central Armed Police Forces… pic.twitter.com/UQ80gK4woP
— Nabila Jamal (@nabilajamal_) July 8, 2026
এছাড়াও তদন্তে উঠে এসেছে যে, কেয়ারওয়েল এভিয়েশন প্রায় ৮২.৯৬ কোটি টাকা ২০২৩-২৬ সময়কালে একটি নয়া সংস্থায় পাঠায়। ওই সংস্থা তখন একটি Embraer Legacy ৬০০ বিমান ও একটি Agusta ১০৯ গ্র্যান্ড নিউ হেলিকপ্টার কেনে নেই। এবং এই দুটি কেনায় মোট ব্যয় হয় প্রায় ১১২ কোটি টাকা।
এদিকে, ২০২৩ সালে কেম্যান আইল্যান্ডসের একটি সংস্থা থেকে হেলিকপ্টারটি কেনার জন্য ১.৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অনিরাপদ ঋণ নেওয়া হয়েছিল বলেই জানা গিয়েছে তদন্তে।
ED-র দাবি, বিমান এবং হেলিকপ্টার দুটি তৃণমূল-এর অর্থে কেনা হলেও পরে সেগুলি ভাড়ায় ব্যবহার করতে দেওয়া হয় তৃণমূল-কেই। এরপরই বিমান ব্যবহারের নামে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ ফের স্থানান্তর করা হয়। এই আর্থিক ব্যবস্থার প্রকৃত উদ্দেশ্য এবং আসল সুবিধাভোগী কারা, তা-ই এবার খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ED জানিয়েছে, এখনও তদন্ত চলছে।
এইরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।







