Bangla News

One Year Of Pahalgam Attack: রক্তস্ত্রোতে ভেসেছিল উপত্যকা, কান পাতলে এখনও কান্নার আওয়াজ শোনা যায়, পহেলগাঁও হামলার ১ বছর পর ফিরে দেখা সেই মর্মান্তিক দিন

কাশ্মীরের ওই পহেলগাঁওয়ের বৈসরণ উপত্যকা, যা ‘মিনি সুইজারল্যান্ড’ নামেও বেশ পরিচিত, আজ তা জনশূন্য। উপত্যকাটি নিরাপত্তাজনিত কারণে জনসাধারণের জন্য বন্ধ রয়েছে।

One Year Of Pahalgam Attack: জঙ্গিদের হাতে শহীদ সেই সব নিরীহ পর্যটকদের আজ প্রথম বার্ষিকীতে স্মরণ করছে গোটা দেশ

হাইলাইটস:

  • পহেলগাঁও হামলা ভয়াবহ জঙ্গি হামলার ১ বছর পূর্ণ
  • এই জঙ্গি হামলা গোটা দেশকেই কাঁপিয়ে দিয়েছিল
  • এদিন ২৬ জন মানুষকে নৃশংসভাবে হত্যা করে জঙ্গিরা

One Year Of Pahalgam Attack: কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গিহানার হল এক বছর পার। গত বছর এই দিনে ২৬ জন নিরীহ মানুষকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছিল জঙ্গিরা। আজ, সেই হামলারই প্রথম বার্ষিকীতে, গোটা দেশ সেই স্মরণ করছে সেই নিরীহ মানুষদের যারা জঙ্গিদের হাতে শহীদ হয়েছেন।

We’re now on WhatsApp- Click to join

কাশ্মীরের ওই পহেলগাঁওয়ের বৈসরণ উপত্যকা, যা ‘মিনি সুইজারল্যান্ড’ নামেও বেশ পরিচিত, আজ তা জনশূন্য। উপত্যকাটি নিরাপত্তাজনিত কারণে জনসাধারণের জন্য বন্ধ রয়েছে। আজ, স্থানটি নির্জন হয়ে দর্শনার্থীদেরই অপেক্ষায় রয়েছে।

We’re now on Telegram- Click to join

প্রসঙ্গত, গত বছরের ২২শে এপ্রিল বৈসরণ উপত্যকায় হামলা চালায় জঙ্গিরা। এই হামলায় ২৬ জন নিরীহ মানুষ প্রাণ হারান। এই ঘটনাটি গোটা দেশ ও বিশ্বকে স্তম্ভিত করে দিয়েছিল।

এবার এক বছর আগে ঘটে যাওয়া এই হামলায় ২৫ জন পর্যটক ও একজন স্থানীয় ঘোড়সওয়ারকে লক্ষ্যবস্তু করেছিল জঙ্গিরা। এর নৈপথ্যে ছিল পাকিস্তানের মদতপুষ্ট জঙ্গিরা এবং এই কাপুরুষোচিত কাজের প্রতিবাদে কঠোর অবস্থান নেয় ভারত এবং পাকিস্তানের ওপর প্রতিশোধ নিতে ‘অপারেশন সিঁদুর’ অভিযান করে। এই অভিযানের অংশ হিসেবে হামলাকারী তিন জঙ্গিকে হত্যা করে নিরাপত্তা বাহিনী।

পহেলগাঁও হামলার পর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে জম্মু এবং কাশ্মীরের ৪৮টি পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ করে দেয় সরকার। সেগুলোর বেশিরভাগই পুনরায় খুলে দেওয়া হলেও, নিরাপত্তাজনিত কারণে এই উপত্যকা পর্যটকদের জন্য আপাতত বন্ধই রয়েছে। একারণে এলাকাটি আজও জনশূন্য। উপত্যকায় যাওয়ার রাস্তাটি ঘেরা কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে এবং সশস্ত্র আধাসামরিক বাহিনী দ্বারা এটি সুরক্ষিত।

অপরেশন সিঁদুরের পরেও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি পহেলগাঁওের পরিস্থিতি। নিরাপত্তাজনিত কারণে ৪৮টি পর্যটন কেন্দ্রের মধ্যে ৬টি এখনও বন্ধ। এই আতঙ্কের কারণে পর্যটনের উপর ব্যাপক প্রভাব পড়েছে, যার ফলে পর্যটকদের আগমনও কমে গিয়েছে ৭৫%। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ হয় যে, পুরোপুরি সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছেন স্থানীয় গাইডরা এবং অনেককে জীবিকা নির্বাহের জন্য তাদের গাড়ি এবং ঘোড়া বিক্রি করে দিতে হয়েছে।

পহেলগাঁও হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া কিছু প্রত্যক্ষদর্শী জানান যে, বৈসরণ যাওয়ার রাস্তাটি মোটরযান চলাচলের অযোগ্য হওয়ায় ত্রাণ দলের পৌঁছাতে দেরি হয়েছিল এবং এর ফলে রক্তক্ষরণে তাদের পরিবারের সদস্যরাও মারা যান। পহেলগাঁও থেকে বৈসরণ যাওয়ার একমাত্র পথ ছিল পাইন ও সিডার বনের মধ্যে দিয়ে একটি দুর্গম ও কাঁচা রাস্তা।

Read More- পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার ৮ মাস পর চার্জশিট দিল NIA, এই হামলার মূল চক্রী কে জানেন? জেনে নিন

এখন বৈসরণকে সংযোগকারী রাস্তাটি মোটরযান চলাচলের উপযোগী করা হবে। যদিও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুফতি মোহাম্মদ সৈয়দের আমলে পাকা করার কথা উঠেছিল এই রাস্তাটি, কিন্তু এর সম্ভাব্য প্রভাবের কারণে অশ্বারোহীদের জীবন ও অর্থনৈতিক অবস্থার উপর প্রকল্পটি স্থগিত করা হয়েছিল। এখন একটি পাকা রাস্তা নির্মাণের প্রস্তুতি চলছে। পহেলগাঁওের ন্যাশনাল কনফারেন্সের বিধায়ক প্রকল্পটির আনুমানিক ব্যয় ৬৩ মিলিয়ন রুপি হবে বলে জানিয়েছেন। চলতি বছরের মে মাসে কাজ শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এইরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।

Back to top button