Indonesia Earthquake and Tsunami: জোরাল ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া, উপকূলীয় এলাকায় সুনামির সতর্কতা রয়েছে
ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস) অনুসারে, ৭.৪ মাত্রার এই ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল মলুকা সাগরের ৩৫ কিলোমিটার (২২ মাইল) গভীরে। মার্কিন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রটি ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল থেকে ১,০০০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে বিপজ্জনক সুনামির সম্ভাবনার বিষয়ে সতর্কবার্তা জারি করেছে।
Indonesia Earthquake and Tsunami: জোরাল ভূমিকম্পের পর অন্তত দুটি আফটারশক অনুভূত হয়
হাইলাইটস:
- ভোররাতে তীব্র ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া
- বৃহস্পতিবার সকালে ইন্দোনেশীয় জলসীমায় একটি ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট সুনামি ঢেউয়ে একজন নিহত হয়েছেন
- জনগণকে সৈকত বা উপকূলীয় এলাকায় ফিরে না যাওয়ার জন্য অনুরোধও করা হয়েছে
Indonesia Earthquake and Tsunami: বৃহস্পতিবার ভোররাতে তীব্র ভূমিকম্পে কেঁপে উঠে ইন্দোনেশিয়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চল। আমেরিকার জিওলজিক্যাল সার্ভে জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে এই কম্পনের মাত্রা ছিল প্রায় ৭.৪। কম্পনে আতঙ্কিত হয়ে স্থানীয়রা তাদের বাড়ি ও অফিস থেকে ছুটে বেরিয়ে আসেন। এর জেরে সেখানে সুনামি সতর্কতাও জারি হয়েছে।
We’re now on WhatsApp – Click to join
ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস) অনুসারে, ৭.৪ মাত্রার এই ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল মলুকা সাগরের ৩৫ কিলোমিটার (২২ মাইল) গভীরে। মার্কিন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রটি ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল থেকে ১,০০০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে বিপজ্জনক সুনামির সম্ভাবনার বিষয়ে সতর্কবার্তা জারি করেছে।
Watch- One person was killed on Thursday after a powerful 7.4 magnitude earthquake struck off the coast of Indonesia.
The tremors were felt strongly in and around Manado, North Sulawesi.The earthquake, centered in the Molucca Sea at a depth of 35 kilometers (22 miles), was… pic.twitter.com/dF5p2pWznT
— Chaudhary Parvez (@ChaudharyParvez) April 2, 2026
সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, বৃহস্পতিবার সকালে ইন্দোনেশীয় জলসীমায় একটি ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট সুনামি ঢেউয়ে অন্তত একজন নিহত এবং বেশ কয়েকটি বাড়ি ও ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইন্দোনেশিয়া দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, উত্তর সুলাওসির মিনাহাসা জেলায় ৭০ বছর বয়সী এক নারী নিহত এবং আরেকজন বাসিন্দা আহত হয়েছেন। জনগণকে সৈকত বা উপকূলীয় এলাকায় ফিরে না যাওয়ার জন্য অনুরোধও করা হয়েছে। এদিকে মূল ভূমিকম্পের পর অন্তত দুটি আফটারশক অনুভূত হয়, উভয়টিই উপকূল থেকে দূরে হয়েছিল।
উল্লেখ্য, ইন্দোনেশিয়া ২৮ কোটিরও বেশি মানুষ নিয়ে তৈরি এক বিশাল দ্বীপপুঞ্জ। একটি প্রধান ভূকম্পন চ্যুতির উপর অবস্থিত হওয়ায় এটি প্রায়শই ভূমিকম্প এবং আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের দ্বারা প্রভাবিত হয়। ২০২২ সালে, পশ্চিম জাভার সিয়ানজুর শহরে ৫.৬ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে, এতে অন্তত ৬০২ জন নিহত হন।
Read more:- ভর দুপুরে কলকাতায় ভূমিকম্প, শহরের সর্বত্র অনুভূত হল তীব্র কম্পন
এরপর ২০১৮ সালের সুলাওয়েসি ভূমিকম্প ও সুনামির পর এটিই ছিল ইন্দোনেশিয়ার সবচেয়ে মারাত্মক ঘটনা, যাতে ৪,৩০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছিল। ২০০৪ সালে, ভারত মহাসাগরে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়েছিল। এই ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট সুনামিতে এই দেশে ২ লাখ ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়, যাদের অধিকাংশই ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশের বাসিন্দা।
এই রকম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।







