Bhutan Flash Flood: নেপালের পর এবার ভুটানে ফেটে চৌচির বিপজ্জনক হিমবাহ হ্রদ! উত্তরবঙ্গে জারি রেড অ্যালার্ট!
ভুটানের এই হিমবাহ হ্রদটি বিপজ্জনক হিসেবেই চিহ্নিত। এই ঘটনা যেভাবে ঘটেছে তার প্রক্রিয়া GLOF (Glacial Lake Outburst Flood) নামে বিজ্ঞানসম্মতভাবে পরিচিত।
Bhutan Flash Flood: হুড়মুড়িয়ে নামছে সংকোশ নদীতে প্রবল জলস্রোত, সতর্কতা জারি আলিপুরদুয়ারের বিস্তীর্ণ এলাকায়
হাইলাইটস:
- ভুটানের একটি হিমবাহ হ্রদ ফেটে ভয়াবহ হড়পা বান
- বাংলার ডুয়ার্স অঞ্চলে ব্যাপক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা
- নদী তীরবর্তী এলাকাগুলোতে জারি হয়েছে সতর্কতা
Bhutan Flash Flood: সম্প্রতি ভুটানের গাসা জেলার লায়া অঞ্চলে একটি হিমবাহ হ্রদ ফেটে যাওয়ার ফলে হয়েছে ভয়াবহ ‘হড়পা বান’। ফলে কেবল ভুটানে নয় ক্ষতি হবে অসম ও পশ্চিমবঙ্গের ভুটান লাগোয়া সীমান্তবর্তী এলাকায়। আলিপুরদুয়ারে রেড অ্যালার্ট জারি।
We’re now on Telegram- Click to join
ভুটানের এই হিমবাহ হ্রদটি বিপজ্জনক হিসেবেই চিহ্নিত। এই ঘটনা যেভাবে ঘটেছে তার প্রক্রিয়া GLOF (Glacial Lake Outburst Flood) নামে বিজ্ঞানসম্মতভাবে পরিচিত।
প্রসঙ্গত, ভুটানের গাসা জেলার লায়া গেউগের লুঙ্গোতে ওয়াকিলা পর্বতের পাদদেশে অবস্থিত শিনতাফু হিমবাহ হ্রদটি আচমকা ফেটে যায়। এই হ্রদ থেকে তীব্র গতিতে নেমে আসতে শুরু করে প্রায় ৭৪ লক্ষ ঘনমিটার জল। শিনতাফু হ্রদটিকে ভুটানের অন্যতম বিপজ্জনক ১৭টি হিমবাহ হ্রদের মধ্যে একটি হিসেবে চিহ্নিত করা রয়েছে।
We’re now on WhatsApp- Click to join
ইতিমধ্যেই তীব্র জলের তোড়ে সম্পূর্ণ ধসে গেছে লায়া অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জংখাগ সড়কের একটি বড় অংশ। স্থানীয় বহু মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে নিরাপদ স্থানে। নদীর তীরবর্তী এলাকাগুলোতে সাইরেন বাজিয়ে সতর্কতা জারি করা হচ্ছে অনবরত।
Massive flooding reported in Bhutan following a dam breach pic.twitter.com/1jTgcXLkYU
— Surajit (@surajit_ghosh2) October 30, 2026
আমাদের রাজ্যেও এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বাংলার ডুয়ার্স অঞ্চলে এর ব্যাপক প্রভাব পড়তে পারে। আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে নদী তীরবর্তী এলাকা প্লাবিত হওয়ার সতর্কতা জারি। নিম্ন অসমের ধুবড়ি জেলাতেও জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট।
Read More- প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ভেসে গেল নেপালের ঘরবাড়ি ও সেতু, আটকে পরেছেন বিদেশি পর্যটকরা
ভুটানের হিমবাহের ঝিল ভেঙে বিপুল পরিমাণ জল নেমে আসার আশঙ্কায় জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলা প্রশাসনকে সতর্ক করা হয়েছিল। ভুটানের পক্ষ থেকে সতর্কবার্তা পাওয়ার পরই সম্ভাব্য বিপর্যয় মোকাবিলায় দুই জেলার প্রশাসন প্রস্তুতি শুরু করে। বিশেষ করে, ভুটানের পাহাড় থেকে নেমে আসা বাড়তি সতর্কতা জারি করা হয় নদীগুলির তীরবর্তী এলাকায়। জলপাইগুড়ি জেলার বানারহাট, নাগরাকাটা-সহ একাধিক ব্লকের নদী সংলগ্ন এলাকায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করে সতর্ক করা হয় বাসিন্দাদের। তবে, প্রশাসনের প্রস্তুতি থাকলেও জলপাইগুড়ি জেলায় এখনও অবধি কোনও বড় ধরনের দুর্যোগ কিংবা বিপত্তির খবর নেই। এখন অনেকটাই পরিস্থিতি বিপদমুক্ত বলে দাবি প্রশাসনের।
এইরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।







