Record Book Sell In Left Book Stalls: হামলার মধ্যেই বামেদের বুকস্টলে এবার রেকর্ড বই বিক্রি! দাবি সিপিএমের
সিপিএমের পুজোয় বুকস্টলের ইতিহাস অনেক পুরনো। ১৯৫২ সালে অবিভক্ত কমিউনিস্ট পার্টির উদ্যোগে পার্ক সার্কাস এবং বাগবাজার সর্বজনীনে শুরু হয় প্রথম বইয়ের স্টল।
Record Book Sell In Left Book Stalls: এ বছরের দুর্গাপুজোয় স্টল ভাঙলেও দমানো যায়নি বামেদের উদ্যম
হাইলাইটস:
- প্রায় ১,৭০০টি বুকস্টল করেছে সিপিএম
- পুজোয় স্টল ভাঙলেও দমেনি লড়াই!
- হামলার মধ্যেই রেকর্ড বই বিক্রির দাবি
Record Book Sell In Left Book Stalls: দুর্গাপুজোয় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত জুড়ে সিপিএমের বইয়ের স্টলে হামলা এবং স্টল করতে বাধা দেওয়ার অভিযোগে উত্তপ্ত হয়েছে পুরো রাজনৈতিক মহল। কিন্তু সেই চাপের কাছেই মাথানত করতে রীতিমতো নারাজ আলিমুদ্দিন স্ট্রিট। বহুবার ভাঙা স্টল নতুন করে তৈরি করে মানুষের কাছে বার্তা পৌঁছে দিয়েছে বাম নেতৃত্ব। এবার এরই মাঝে এ বছর রেকর্ড বই বিক্রির দাবি করেছে সিপিএম। তবে বই বিক্রির চূড়ান্ত হিসাব এখনও দলের হাতে আসেনি।
We’re now on Telegram- Click to join
সিপিএমের পুজোয় বুকস্টলের ইতিহাস অনেক পুরনো। ১৯৫২ সালে অবিভক্ত কমিউনিস্ট পার্টির উদ্যোগে পার্ক সার্কাস এবং বাগবাজার সর্বজনীনে শুরু হয় প্রথম বইয়ের স্টল। এই বিশেষ উদ্যোগের অন্যতম পুরোধা ছিলেন ভারতের কমিউনিস্ট আন্দোলনের পথিকৃৎ মুজফ্ফর আহমেদ, যিনি ‘কাকাবাবু’ নামেই পরিচিত বাম মহলে।
We’re now on WhatsApp- Click to join
পুজোর এই ৫ দিন যাবৎ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বুকস্টল ভাঙা অথবা বসতে না দেওয়ার অভিযোগ সিপিএমের সদর দফতর আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে আসতে থাকে। হালতু, যাদবপুর, কসবা থেকে বারাকপুর, পুরুলিয়া, দমদম, বারাসত— বহু জায়গায় দলীয় কর্মীদের সমস্যার মুখে পড়তে হয়। তবুও তাঁরা হাল ছাড়েননি। স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশে নিয়ে নতুন করে কর্মীরা স্টল তৈরি করেছে। এদিকে বাম নেতৃত্বের দাবি যে, দু-এক জায়গা বাদ দিলে প্রায় সর্বত্রই গড়ে তোলা সম্ভব হয়েছে বুকস্টল।
4.30pm on Bijaya Dashami. Crowd at CPI(M) book stall at Kolkata's Jadavpur. It is the same stall for which bulldozers had come past midnight on October 18. Locals, Left activists resisted the demolition. pic.twitter.com/HAlViATCg3
— Indradeep Bhattacharyya (@Indra_Calcutta) October 21, 2026
প্রায় ৪০ বছর ধরে চলে আসা কসবার বিবি চ্যাটার্জি রোডে বুকস্টল এবার আর করতে দেওয়া হয়নি বলেই অভিযোগ সিপিএমের। এই বাধার অভিযোগের মধ্যেই এলাকারই বাসিন্দা মিলন বন্দ্যোপাধ্যায় স্টল তৈরি করার জন্য নিজের বাড়ির গ্যারেজ খুলে দেন।
Read More- চোরবাগানের ঘটনায় কার দায়? অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে এবার সিট গঠন করল রাজ্য সরকার
অন্যদিকে, হালতুর শক্তি সংঘের সামনের বুকস্টল নিয়েও ওঠে বাধা দেওয়ার অভিযোগ। পুলিশ এই স্টল তুলে দিতে বলেছিল বলে দাবি করেন সিপিএম কর্মীরা। কিন্তু স্টল না সরিয়ে তাঁরা বই বিক্রি চালিয়ে যান। যদিও দলের দাবি, অতীতের সব বিক্রির হিসাব এবার ছাপিয়ে গিয়েছে। এক দিনেই ওই স্টলে প্রায় ১০ হাজার টাকার বই বিক্রি হয়েছে।
এইরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।







