New TMC Block: নব তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, চেয়ারম্যান হলেন অরূপ রায়, আর কে কোন পদ পেলেন?
এমনকী যে ছবি ব্যবহার হয়েছে সেখানেও মমতার মুখ নেই। রয়েছেন বিএর আম্বেদকর, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরদের ছবি। মমতার জায়গায় নব তৃণমূলের চেয়ারম্যান হলেন অরূপ রায়।
New TMC Block: এই নতুন তৃণমূল কমিটিতে এবার কে, কোন পদে রয়েছেন তা এখনই বিস্তারিত জেনে নিন
হাইলাইটস:
- বিদ্রোহী বিধায়কদের নিয়ে গঠিত ‘নব তৃণমূল ব্লক’
- এবার এই কমিটিতে কে কোন পদ পেলেন জানেন?
- আজ এই প্রতিবেদনে এ প্রসঙ্গে বিস্তারিত জেনে নিন
New TMC Block: এই ভোটে পালাবদলের পরই উলুবেড়িয়া পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বিদ্রোহী বিধায়কদের নিয়ে গঠন করেছিল ‘নব তৃণমূল ব্লক’। আর এবার সেই নয়া তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক হলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় সহ আরও অনেকেই। আর এবার সেই নব তৃণমূলে সাসপেন্ড কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সবথেকে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হচ্ছে খোদ দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই ধাক্কা কার্যত বিদ্রোহীদের। নেই মমতা বন্দোপাধ্যায়ের কোনও নাম।
We’re now on WhatsApp- Click to join
এমনকী যে ছবি ব্যবহার হয়েছে সেখানেও মমতার মুখ নেই। রয়েছেন বিএর আম্বেদকর, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরদের ছবি। মমতার জায়গায় নব তৃণমূলের চেয়ারম্যান হলেন অরূপ রায়। মূলত, এখন বিদ্রোহীদের হাতে তৃণমূলের পুরো রাশ। এত তাড়াতাড়ি নয়া সংগঠন তৈরি হল তবে কি এবার প্রতীকের জন্যও বিদ্রোহীরা আবেদন করবেন? উঠছে প্রশ্ন।
We’re now on Telegram- Click to join
এই নব কমিটিতে কে কোন পদে আছে জেনে নিন—
নব তৃণমূল ব্লকের সাধারণ সম্পাদক– জাভেদ খান, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, সন্দীপন সাহা, সাবিনা ইয়াসমিন।
কোষাধ্যক্ষ– আখতারুজ্জামান
ভাইস প্রেসিডেন্ট– ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, রথীন ঘোষ
চেয়ারম্যান– অরূপ রায়
#Breaking: Rebel #TMC camp led by Ritabrata Banerjee ups its ante against Mamata Banerjee & Abhishek Banerjee.
Ritabrata Banerjee names Arup Ray as the party’s chairperson.
Firhad Hakim, Aroop Biswas, Rathin Ghosh & Sabina Yasmin named party’s vice chairpersons.
— Pooja Mehta (@pooja_news) June 22, 2026
এই বিদ্রোহ শুরুর ঘটনাক্রম
রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরই বিরোধী দলনেতা হিসাবে বিধানসভায় পাঠানো হয় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম। একটি রেজুলিউশন কপিতে পাঠানো হয় ৭০ জন বিধায়কের সই নিয়ে বিধানসভায়। এরপরই এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা অভিযোগ করেন যে স্বাক্ষর করেননি তাঁরা। তাঁদের সই জাল করা হয়েছে। এরপরই স্পিকারকে গিয়ে তাঁরা সেই নালিশও করেন। ধীরে ধীরে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দিতে থাকেন তৃণমূলের জিতে আসা একাধিক বিধায়করা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছাড়তে থাকেন। মামলার জল গড়ায় হাইকোর্ট অবধি। স্পিকার ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কেই বেছে নেন বিরোধী দলনেতা হিসাবে। সেই থেকেই শুরু হয় ভাগাভাগি।
ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির নিউ টাউনের অভিজাত হোটেলে। এরপর সেখানেই মমতাপন্থী তৃণমূলের কাউন্সিলর থেকে একে একে একাধিক বিধায়ককেও বৈঠকে যোগ দিতে দেখা যায়। এদিন দুপুরে সেইখানে উপস্থিত ছিলেন অরূপ বিশ্বাসও। যদিও বর্তমানে তিনি আর বিধায়ক নন। তবে এদিনের সেই বৈঠক থেকেই জানানো হয় এই তৃণমূলের কোন পদে কে কে রয়েছেন।
এইরকম আরও রাজনৈতিক প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।





