Abhishek Banerjee: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য অপেক্ষা করছে আরও বিরাট বড় চ্যালেঞ্জ! তবে কী ধরে রাখতে পারবেন নেতাদের?
রাজনৈতিক মহল দাবি করছে, বিধানসভায় সফলভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠ জয়ী বিধায়ককে নিজেদের দিকে টানার পরেই তৃণমূল সাংসদদের সমর্থন নিজেদের দিকে টানা পরবর্তী লক্ষ্য হতে পারে ঋতব্রত-সন্দীপনের৷
Abhishek Banerjee: এবার সাংসদদের সমর্থন আদায় হতে পারে ‘ভাল’ তৃণমূলের পরবর্তী লক্ষ্য
হাইলাইটস:
- অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনে আসছে এবার বড়সড় চ্যালেঞ্জ
- সংখ্যালঘু বিধায়করা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে নাম লিখিয়েছেন
- দলের নামটাও কী হাতছাড়া হতে পারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের?
Abhishek Banerjee: ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে সামনে রেখেই তৃণমূলের মূল নেতৃত্বকে অস্বীকার করে পরিষদীয় দল গঠন করে ফেলেছেন তৃণমূলের বিদ্রোহী বিধায়কেরা৷ এর পাশাপাশি, এও স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁরা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নয়, তবে তাঁরা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বকে মানতে নারাজ৷ গত বুধবারই বঙ্গ রাজনীতির এক বেনজির দৃষ্টান্ত হিসাবে ভেঙে দু’ভাগ হয়ে গিয়েছে তৃণমূল৷ তৃণমূলের প্রতীকচিহ্নে জয়ী ৮০ জনের মধ্যে এখন ‘ভাল তৃণমূলে’র দলে ৫৮ জনই৷ সেক্ষেত্রে, কী দলীয় প্রতীক তথা দলের নামটাও হাতছাড়া হতে পারে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের?
We’re now on WhatsApp- Click to join
রাজনৈতিক মহল দাবি করছে, বিধানসভায় সফলভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠ জয়ী বিধায়ককে নিজেদের দিকে টানার পরেই তৃণমূল সাংসদদের সমর্থন নিজেদের দিকে টানা পরবর্তী লক্ষ্য হতে পারে ঋতব্রত-সন্দীপনের৷ এর কারণ, দলের নাম তথা প্রতীকের উপরে অধিকার বজায় রাখতে হলে তবে বিধায়কদের পাশাপাশি দুই-তৃতীয়াংশ সাংসদদেরও সমর্থন তাদের বিশেষ জরুরি৷ এক্ষেত্রে, আবারও বড় ধরনের ফাটলের মুখোমুখি হতে পারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস৷
We’re now on Telegram- Click to join
গত বুধবারই ৫৮ জন জয়ী তৃণমূল বিধায়কের সমর্থন নিয়ে স্পিকারল রথীন্দ্র বোসের কাছে বিরোধী দলনেতা হওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়৷ স্পিকার তাঁর দাবিকে মান্যতাও দেন৷ উল্লেখযোগ্যভাবে এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে, ঋতব্রত সহ অন্য বিদ্রোহী বিধায়কদের মুখে কোনও মমতা বিরোধী কথা শোনা যায়নি৷ বরং, তাঁরা মমতাকেই তাঁদের মূল পরামর্শদাতা হিসাবে চেয়েছিলেন৷ তবে পাশাপাশি, স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, বিধানসভার তৃণমূলের পরিষদীয় দলের সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও সম্পর্ক নেই৷ অর্থাৎ, মমতাকে ‘মান্যতা’ দিয়ে অভিষেকের নেতৃত্বকে অস্বীকার করা।
গত বুধবারই ৫৮ জন জয়ী তৃণমূল বিধায়কের সমর্থন নিয়ে স্পিকারল রথীন্দ্র বোসের কাছে বিরোধী দলনেতা হওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তাঁর দাবিকে মান্যতাও দেন স্পিকার৷ এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে, কোনও মমতা বিরোধী কথা শোনা যায়নি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় সহ অন্য বিদ্রোহী বিধায়কদের মুখে৷ বরং, তাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই তাঁদের মূল পরামর্শদাতা হিসাবেই চেয়েছিলেন৷ তবে এর পাশাপাশি, স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, বিধানসভার তৃণমূলের পরিষদীয় দলের সাথে কোনও সম্পর্ক নেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের৷
BJP was never to accept the TMC people, its own workers would've opposed it so Ritabrata & all cleverly strategized to float a rebel wing against Abhishek Banerjee. It was a most genius gameplan.
— Sudhanidhi Bandyopadhyay (@SudhanidhiB) June 3, 2026
এক্ষেত্রে, বিধানসভায় নিজেদের অবস্থান পাকাপোক্ত করার পরেই এবার ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের পরবর্তী লক্ষ্য হতে পারে তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদদের সমর্থন আদায়৷
বর্তমানে লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ রয়েছেন ২৯ জন, যেখানে সংসদীয় দলের নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ই। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, যদি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সাংসদ—সম্ভবত ২০ জন অথবা তারও বেশি, বিদ্রোহী শিবিরের পাশে দাঁড়ান, তাহলে আরও জোরদার হতে পারে সংসদীয় নেতৃত্ব পরিবর্তনের দাবি। ইতিমধ্যেই, দলের সাথে দূরত্ব বাড়িয়েছেন সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারও৷
এমনটা হলে তা দলের অন্দরেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কর্তৃত্বকে সবচেয়ে এবার সরাসরি চ্যালেঞ্জ করা হবে৷ সেক্ষেত্রে, তৃণমূলের ফাটলের প্রভাব আর কেবলমাত্র রাজ্যেই আটকে থাকবে না, বরং সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে তাদের বিরোধী ভূমিকা, সংসদীয় রাজনীতিতে তৃণমূলের অবস্থান, জাতীয় রাজনীতিতে তৃণমূলের প্রভাব, তা সবকিছুকেই প্রভাবিত করবে৷
Read More- সাতসকালেই শওকত মোল্লার বাড়িতে হানা NIA, আটক প্রাক্তন বিধায়কের ছেলে
বিধানসভার সাফল্য সংসদে বিদ্রোহীরা পুনরাবৃত্তি করতে পারবে কি না, তা এখনও অবধি অনিশ্চিত। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট যে—বাংলার বিধানসভায় যে লড়াইয়ের শুরু হয়েছিল, তা আর সেখানেই সীমাবদ্ধ নেই। পরবর্তী সংঘর্ষের মঞ্চ হতে পারে লোকসভা, ৩বন তার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে পারেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
এইরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।






