Narendra Modi-Mamata Banerjee: ‘ঝালমুড়ির ঝালে’ উত্তপ্ত ভোটের বাংলা! প্রধানমন্ত্রী মোদির ঝালমুড়ি খাওয়ার ঘটনায় তীব্র কটাক্ষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের
এদিন রাস্তার পাশে একটি ঝালমুড়ির দোকানে যান মোদি। দোকানদারকে ঝালমুড়ি বানাতে বলেন। দোকানদারকে দশ টাকা দেন। এবং তারপর ঠোঙায় দেওয়া ঝালমুড়ি খান তিনি।
Narendra Modi-Mamata Banerjee: এদিনের এই গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে আসলে কি বলছেন সাধারণ মানুষ?
হাইলাইটস:
- এদিন ঝাড়গ্রামে এসে ঝালমুড়ি খান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি
- অবশ্য এই ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
- এদিন প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে কি বললেন তৃণমূলনেত্রী?
Narendra Modi-Mamata Banerjee: এবার ঝালমুড়ির ঝালে গরম ভোটের বাংলা। প্রধানমন্ত্রী মোদি খেলেন ঝালমুড়ি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন নাটক। গত রবিবার বাঁকুড়া, পুরুলিয়ার পরই ঝাড়গ্রামে সভা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সভা শেষে গাড়ি করে হেলিপ্যাডের উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি। মাঝপথে গাড়ি থামে প্রধানমনন্ত্রীর।
We’re now on WhatsApp- Click to join
এদিন রাস্তার পাশে একটি ঝালমুড়ির দোকানে যান মোদি। দোকানদারকে ঝালমুড়ি বানাতে বলেন। দোকানদারকে দশ টাকা দেন। এবং তারপর ঠোঙায় দেওয়া ঝালমুড়ি খান তিনি। কোনও নিরাপত্তা ছাড়াই রাস্তার ধারে আচমকাa থেমে যাওয়া এবং দোকানদার টাকা নেবেন না বললেও তিনি ১০ টাকা পকেট থেকে বের করে দেন – প্রধানমন্ত্রীর এই ব্যবহারই মানুষের মন জয় করে নিয়েছে।
We’re now on Telegram- Click to join
ঝালমুড়ি বাঙালির অতিপ্রিয় একটি খাদ্য। বাঙালির মন পেতে এবার মোদির হাতেও ঝালমুড়ি। রবিবার ঝাড়গ্রামে সভা শেষে পড়ন্ত দুপুরে গাড়ি থেকে নেমে প্রধানমন্ত্রী ধীর পায়ে এগিয়ে গেলেন কলেজ মোড় এলাকার ছোট্ট একটি ঝালমুড়ির দোকানের দিকে।
ব্যস্ত রবিবারে পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে চারটি জনসভার ফাঁকে, ঝাড়গ্রামে সুস্বাদু ঝালমুড়ি খেলাম। pic.twitter.com/VqIrc0zrmR
— Narendra Modi (@narendramodi) April 19, 2026
তবে মুড়ি বানানোর আগে প্রধানমন্ত্রীকে দোকানদারের প্রথম প্রশ্ন, ‘ঝাল খাবেন?’ প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘হ্যাঁ।’ মুড়ি মাখতে মাখতে সে বলেন, ‘পেঁয়াজ দেব?’ প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘পেঁয়াজও খাই।’ এর পাশাপাশি আরও বললেন, ‘কেবল মাথা খাই না..’।
সোমবার তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অবশ্য গোটা ঘটনাটি নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি৷ তিনি বলেন, “দোকানে মাইক ফিট করে, ঝালমুড়ি এসপিজিকে দিয়ে তৈরি করিয়েছে৷ ওনার পকেটে দশ টাকা কখনও থাকে? কত নাটক। ভোটের সময় গুহাতে গিয়ে বসে থাকে। কখনও বলে, আমি চা ওয়ালা। দশ টাকা বের করে ঝালমুড়ি খাচ্ছে। বুঝুন তো সেই ঝালমুড়িটাও নিজেদের তৈরি করা। আর যদি তৈরি করা না হবে তবে দোকানে আগে থেকে ক্যামেরা ফিট করা ছিল কী করে। সবই নাটক। মানুষ কি বোঝে না? যেখানেই মিটিং করে, ট্রেনে করে লোক নিয়ে আসে। বাইরে থেকে লোক নিয়ে এসে মিটিং-মিছিল করে।”
এইরকম আরও রাজনৈতিক প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।







