Spiritual

Hanuman Jayanti 2026: শ্রীরামের পর এবার পালা তাঁর একনিষ্ঠ সেবকের! জানেন কবে হনুমান জয়ন্তী? পুজো করার সঠিক নিয়মাবলী সম্পর্কে জানুন

বজরংবলী ছিলেন শ্রীরামচন্দ্রের একনিষ্ঠ সেবক। ভক্তিভরে তাঁর উপাসনা করলে নানান সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। এরই সাথে আত্মবিশ্বাস ও সাহসও বৃদ্ধি পায়।

Hanuman Jayanti 2026: শ্রীরামের ভক্ত বজরংবলীর পুজো করার নিয়মগুলি কী কী?

হাইলাইটস:

  • ভক্তিভরে বজরংবলীর উপাসনা করলে দূর হয় কঠিন সমস্যাও
  • এবার রামনবমীর পরই পালা তাঁর ভক্ত বজরংবলীর পুজোর
  • চৈত্র মাসের পূর্ণিমা তিথিতে পালিত হয় এই হনুমান জয়ন্তী

Hanuman Jayanti 2026: রামনবমীর পরই এসে গেল তাঁর প্রিয় ভক্ত বজরংবলীর উদযাপনের তিথি। চৈত্র মাসের পূর্ণিমা তিথিতে হনুমান জয়ন্তী পালিত হয়। ভগবান রামচন্দ্রের প্রতি বজরংবলীর প্রবল ভক্তির নানা গল্প পাওয়া যায় রামায়ণে। বজরংবলীর আর এক নাম হল সঙ্কটমোচন।

We’re now on Telegram- Click to join

বজরংবলী ছিলেন শ্রীরামচন্দ্রের একনিষ্ঠ সেবক। ভক্তিভরে তাঁর উপাসনা করলে নানান সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। এরই সাথে আত্মবিশ্বাস ও সাহসও বৃদ্ধি পায়। এই হনুমান জয়ন্তীতে বজরংবলীর পুজোয় সুফল প্রাপ্তি হয়। বজরংবলী পুজোর তিথি এবং পুজোর নিয়মকানুন সম্পর্কে জেনে নিন।

We’re now on WhatsApp- Click to join

হনুমান জয়ন্তীর তিথি:

তিথি শুরু:

ইংরেজি- ১লা এপ্রিল, ২০২৬

বাংলা- ১৭ই চৈত্র, ১৪৩২

সময়- সকাল ৭টা ৭ মিনিট

তিথি শেষ:

ইংরেজি- ২রা এপ্রিল, ২০২৬

বাংলা- ১৮ চৈত্র, ১৪৩২

সময়- সকাল ৭টা ৪২ মিনিট

হিন্দু ধর্মের নিয়ম অনুসারে, যেহেতু ২রা এপ্রিল ভোরে থাকছে তিথি, তাই এই দিনটি হনুমান জয়ন্তী হিসাবেই পালন করা হবে।

হনুমান জয়ন্তীতে হনুমানজিকে পুজো করার নিয়ম—

এই দিন ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে নদীতে স্নান করতে পারলে খুব ভালো হয়। সেটি সম্ভব না হলে তবে বাড়িতেই স্নান করে লাল কিংবা কমলা বা হলুদ রঙের শুদ্ধ বস্ত্র পরে নিন।

বাড়িতে হনুমানজীর মূর্তি থাকলে সেটিকে ঘি, দুধ, দই, মধু এবং গঙ্গাজল দিয়ে অভিষেক করুন। তার পর মূর্তিটি জল দিয়ে ধুয়ে দিন। যে কোনও দেবতার মূর্তি জল ব্যতীত অন্যান্য জিনিস দিয়ে অভিষেক করা হলে পরে সেটিকে ফের জল দিয়ে ধুয়ে রাখা আবশ্যিক।

এর পর হনুমানজীর সারা শরীরে কমলা রঙের সিঁদুর মাখিয়ে দিন। সিঁদুরে চামেলির তেল যদি মিশিয়ে মাখাতে পারেন তবে খুব ভাল। লাল এবং কমলা রঙের ফুল, লাল জবার মালা ও তুলসীপাতা নিবেদন করুন। একটি পানপাতায় সিঁদুর দিয়ে ‘জয় শ্রীরাম’ লিখে দিয়ে নিবেদন করতে পারলেও খুব ভালোই হয়।

Read More- নিষ্ঠাভরে দেবী অন্নপূর্ণার আরাধনায় দূর হয় সব অভাব-অনটন, সংসারে ভরে ওঠে সুখ-সমৃদ্ধিতে! কখন হবে অন্নদাত্রীর পুজো?

এদিকে, নৈবেদ্য হিসাবে গুড়, মুগের লাড্ডু, ছোলা বা কমলা রঙের লাড্ডু এবং কলা দিতেই হবে। এরই সাথে পছন্দমতো ফল এবং মিষ্টি প্রভৃতি দিতে পারেন। নিজের হাতে হালুয়া তৈরি করে দিতে পারেন।

নৈবেদ্য দানের পরই ধূপকাঠি এবং একটি মাটির প্রদীপে ঘি এবং লবঙ্গ দিয়ে জ্বালিয়ে আরতি করুন। আরতি শেষে তাঁর কাছে নিজের করা সমস্ত ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন এবং আপনার মনস্কামনা জানান। সব শেষে করুন তিন বার হনুমান চালিসা পাঠ।

যাঁরা মন্দিরে গিয়ে পুজো দেবেন বলে ভেবেছেন, তাঁরা হনুমানজীর কাছে অর্পণের জন্য তুলসীপাতা আর লাল ফুলের মালা, কলা এবং কমলা রঙের মিষ্টি অবশ্যই নিয়ে যাবেন। এরই সাথে পছন্দমতো অন্যান্য নৈবেদ্য সামগ্রীও আপনি নিয়ে যেতে পারেন। মন্দিরে হনুমানজীর সামনে বসে হনুমান চালিসা পাঠ করুন এবং চামেলির তেল কিংবা ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালান।

এইরকম আরও আধ্যাত্মিক প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।

Back to top button