Mamata Banerjee Janatar Darbar: দলের ভাঙন ঠেকাতে এবার নয়া কৌশল কালীঘাট তৃণমূলের, ‘জনতার দরবার’ শুরু করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
দলত্যাগীদের সম্পর্কে কালীঘাট তৃণমূলের ব্যাখ্যা, মূলত দুটি পদ্ধতিতে দলত্যাগ করানো হচ্ছে। প্রথমত, ভয় দেখানো আর দ্বিতীয়ত, টাকার লোভ। তবে এখনই আদালত কিংবা নির্বাচন কমিশনের কাছেও ছুটছে না তৃণমূলের পুরনো শিবির।
Mamata Banerjee Janatar Darbar: দলের কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রাখতে এবার থেকে প্রায় প্রত্যেকদিন জনতার দরবারে বসবেন মমতা
হাইলাইটস:
- দলের নেতাদের ‘বাঁচাতে’ নতুন কৌশল নিচ্ছে কালীঘাট তৃণমূল
- কালীঘাটে নিজের বাসভবনে ‘জনতার দরবার’ শুরু করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
- দল চালাতে আগের মতো সংগঠন মজবুত করাই এখন মূল লক্ষ্য তৃণমূলনেত্রীর
Mamata Banerjee Janatar Darbar: তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রতিদিন তৃণমূলের একের পর এক নেতা ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিচ্ছেন। এই আবহে দলের নেতাদের ‘বাঁচাতে’ নতুন কৌশল নিচ্ছে কালীঘাট তৃণমূল। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্ব বাদে বাকি কমিটিতে কোনও নেতাদের মনোনীত করার ক্ষেত্রে এখন আর তাড়াহুড়ো করা হবে না। নেতারা যাতে কোনও ভাবেই টার্গেট না হয়, সেকারণেই এই সিদ্ধান্ত। এদিকে জানা যাচ্ছে, দলের কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রাখতে এবার থেকে প্রায় প্রত্যেকদিন কালীঘাটে নিজের বাসভবনেই ‘জনতার দরবার’-এ বসবেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় Mamata Banerjee)।
We’re now on WhatsApp – Click to join
Defectors group of TMC made its new Chairman and Working Committee and they also removed @MamataOfficial as Party Chairperson.
On the same day rebels removed Mamata Banerjee as Chairperson of #TMC, Mamata Banerjee submitted list of officer bearers of AITC as on 20.6.2026.… pic.twitter.com/JQgbgYVGhB
— Satyaki (@satyaupdate) June 23, 2026
কমিটিতে নেতা মনোনীত করার ক্ষেত্রে কেন তাড়াহুড়ো করছে না কালীঘাট তৃণমূল?
দলত্যাগীদের সম্পর্কে কালীঘাট তৃণমূলের ব্যাখ্যা, মূলত দুটি পদ্ধতিতে দলত্যাগ করানো হচ্ছে। প্রথমত, ভয় দেখানো আর দ্বিতীয়ত, টাকার লোভ। তবে এখনই আদালত কিংবা নির্বাচন কমিশনের কাছেও ছুটছে না তৃণমূলের পুরনো শিবির। একইসঙ্গে এও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, আইপ্যাকের মতো সংস্থার উপর ১০০ শতাংশ ভরসা করা হবে না। দল চালাতে আগের মতো সংগঠন মজবুত করাই এখন তাদের মূল লক্ষ্য। ছাব্বিশের নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির পর আইপ্যাকের বিরুদ্ধে একের পর এক নেতা সরব হয়েছিলেন। আর সেইকারণে ভোটকুশলী সংস্থার উপর পুরোপুরি ভরসা রাখতে চাইছেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস।
মমতার ‘জনতার দরবার’-
দলের একাধিক বিশ্বাসযোগ্য নেতারা যখন হাত ছাড়লেন, তখন মানুষের উপর ভরসা রাখতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সংগঠনও প্রায় হাতছাড়া হওয়ার পথে। এই অবস্থায় এবার থেকে প্রায় প্রত্যেকদিন কালীঘাটে নিজের বাসভবনেই ‘জনতার দরবার’-এ বসবেন তৃণমূলনেত্রী। প্রত্যেকদিন দুপুর তিনটে থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত দলের নেতা, কর্মী এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন তিনি। জানা যাচ্ছে, জনতার দরবার হবে তৃণমূলের পার্টি অফিসেও। সেখানে থাকবেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
Read more:- বাংলায় তৃণমূল কংগ্রেসও মহারাষ্ট্রের এনসিপি এবং শিবসেনার পথেই এগোচ্ছে, মমতা ব্যানার্জী ক্রমশ কোনঠাসা হচ্ছে
মমতার জনতার দরবার নিয়ে এদিন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, “শুধু ওই কয়েকঘণ্টা নয়। মমতাদি রাত দুটো আড়াইটে পর্যন্ত ফোনে থাকছেন। সবটা সামলাচ্ছেন।” বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের নিশানা করে তিনি বলেন, তাঁরা তো এলাকায় যান না। কর্মীদের সঙ্গেও নেই।
এই রকম রাজনৈতিক প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।





