Kunal Ghosh on TMC Symbol: ‘দিদিই লড়াই—দিদিই প্রতীক’, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের পরই এবার ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট কুণাল ঘোষের
কুণাল ঘোষ এদিন সমাজ মাধ্যমে একটি ছবি পোস্ট করেন। ছবিতে দেখা গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। পিছনে দেবী দুর্গার ত্রিনয়ন। তার উপরে লেখা রয়েছে, “দিদিই লড়াই—দিদিই প্রতীক।”
Kunal Ghosh on TMC Symbol: সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ছবি পোস্ট করে কী ইঙ্গিত দিতে চাইলেন কুণাল ঘোষ?
হাইলাইটস:
- কুণাল ঘোষ এদিন নিজের সমাজ মাধ্যমে একটি ছবি পোস্ট করেন
- ছবিতে দেখা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ও পিছনে দুর্গার ত্রিনয়নও
- এরই সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় কী লিখেছেন কুণাল ঘোষ?
Kunal Ghosh on TMC Symbol: বাংলার নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগরে উপনির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও পক্ষকেই তৃণমূলের নাম এবং প্রতীক ব্যবহারে অনুমতি দেয়নি জাতীয় নির্বাচন কমিশন। বিকল্প নাম এবং প্রতীক নিয়ে আপাতত উপনির্বাচনে লড়াই করতে পারবে এই দুই পক্ষ। আগামীকালই তিনটি বিকল্প নাম জানাতে হবে এই দুই শিবিরকে। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের পরই সমাজ মাধ্যমে এবার ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট কুণাল ঘোষের। তিনি লিখলেন ‘দিদিই প্রতীক’।
We’re now on Telegram- Click to join
এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় কী লিখেছেন কুণাল ঘোষ?
কুণাল ঘোষ এদিন সমাজ মাধ্যমে একটি ছবি পোস্ট করেন। ছবিতে দেখা গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। পিছনে দেবী দুর্গার ত্রিনয়ন। তার উপরে লেখা রয়েছে, “দিদিই লড়াই—দিদিই প্রতীক।” এই ছবি পোস্ট করে এবার কী ইঙ্গিত দিতে চাইলেন কুণাল ঘোষ?
We’re now on WhatsApp- Click to join
রাজনৈতিক বিশ্লেষণের মতে এদিন কুণাল ঘোষ বোঝাতে চেয়েছেন, তৃণমূল এবং মমতা সমার্থক। অর্থাৎ তৃণমূল মানেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা মানেই হচ্ছে তৃণমূল। প্রতীক যাই হোক না কেন, লড়াই তো হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখকে সামনে রেখেই। কুণাল ঘোষ এই বার্তাই দিতে চেয়েছেন বলেই মত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।
জয় বাংলা। pic.twitter.com/zdS30n6g4j
— Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) September 17, 2026
উল্লেখ্য, গতকাল তৃণমূলের দুই শিবিরকেই ডেকে পাঠিয়েছিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। দুই পক্ষের সাথে বৈঠকের পর নির্বাচন কমিশনের উত্তর কী হয়, সেদিকেই তাকিয়ে ছিল রাজনৈতিক মহল। দুই পক্ষের সাথে বৈঠকের পর জাতীয় নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আপাতত কোনও শিবিরই এককভাবে “সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস” এই নামটি ব্যবহার করতে পারবে না। কোনও শিবিরই ব্যবহার করতে পারবে না নির্বাচনী প্রতীক। নিজেদের দলের জন্য ভিন্ন ভিন্ন নাম বেছে নিতে পারবে এই দুই শিবিরই। চাইলে তাঁদের নাম মূল দল “সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস”-এর সাথে যুক্ত করতে পারবে।
চলতি উপনির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন কর্তৃক বিজ্ঞাপিত অবাধ নির্বাচনী প্রতীকের তালিকা থেকে পৃথক প্রতীক বরাদ্দ করা হবে উভয় পক্ষের প্রার্থীদের। জাতীয় নির্বাচন কমিশন উভয় পক্ষকে ১৮ই সেপ্টেম্বর সকাল ১১টার মধ্যে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে তিনটি বিকল্প জমা দিতে বলেছে তাদের দলের নামের জন্য।
এইরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।





