Fatty liver with homemade food: বাড়িতে রান্না করা খাবার খেলেও কি লিভারের ক্ষতি হতে পারে, এমনটা কেন হয়?
প্রতিদিন অতিরিক্ত তেল, ঘি, চিনি এবং উচ্চ-ক্যালোরিযুক্ত খাবার গ্রহণ করলে ওজন বৃদ্ধি এবং লিভারে চর্বি জমার ঝুঁকি বাড়ে। এটি ফ্যাটি লিভার নামে পরিচিত। চলুন, ঘরে রান্না করা খাবার খাওয়ার সময় করা সাধারণ ভুলগুলো জেনে নেওয়া যাক, যা লিভারের স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
Fatty liver with homemade food: ঘরে তৈরি খাবার স্বাস্থ্যের জন্য ভালো বলে মনে হলেও কিছু নির্দিষ্ট উপাদান অতিরিক্ত পরিমাণে গ্রহণ করলে যকৃতে চর্বি জমতে পারে! কোন ভুলগুলো এড়িয়ে চলতে হবে জানুন
হাইলাইটস:
- ঘরে তৈরি খাবার স্বাস্থ্যের জন্য ভালো বলে মনে করা হয়
- কিন্তু কিছু নির্দিষ্ট উপাদান অতিরিক্ত পরিমাণে গ্রহণ করলে যকৃতে চর্বি জমতে পারে
- কোন ভুলগুলো এড়িয়ে চলতে হবে এবং কী কী বিষয় মনে রাখতে হবে, সে সম্পর্কে জেনে নিন
Fatty liver with homemade food: বাইরে খাওয়ার চেয়ে ঘরে রান্না করা খাবারকে সাধারণত ভালো বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু আপনি কি জানেন যে, প্রতিদিনের ঘরে রান্না করা খাবারও লিভারের স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে? এর কারণ খাবারটি রান্না করা নয়, বরং এতে ব্যবহৃত উপকরণ এবং পরিমাণ। প্রতিদিন অতিরিক্ত তেল, ঘি, চিনি এবং উচ্চ-ক্যালোরিযুক্ত খাবার গ্রহণ করলে ওজন বৃদ্ধি এবং লিভারে চর্বি জমার ঝুঁকি বাড়ে। এটি ফ্যাটি লিভার নামে পরিচিত। চলুন, ঘরে রান্না করা খাবার খাওয়ার সময় করা সাধারণ ভুলগুলো জেনে নেওয়া যাক, যা লিভারের স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
We’re now on WhatsApp – Click to join
অতিরিক্ত ঘি, তেল ও ভাজা খাবার সমস্যাটি বাড়িয়ে তুলতে পারে
ঘরে তৈরি পরোটা, পুরি, পাকোড়া এবং অন্যান্য ভাজা খাবার নিঃসন্দেহে সুস্বাদু, কিন্তু এগুলো ঘন ঘন এবং বেশি পরিমাণে খাওয়া অস্বাস্থ্যকর। খাবারে অতিরিক্ত ঘি, মাখন এবং তেল অতিরিক্ত ক্যালোরির কারণ হয়। দীর্ঘ সময় ধরে অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণ করলে ওজন বৃদ্ধি পায় এবং লিভারে চর্বি জমার ঝুঁকি বাড়ে। এই অবস্থাকে ফ্যাটি লিভার বলা হয়। মাঝে মাঝে পরোটা বা পুরি খেলে লিভারের কোনো ক্ষতি হয় না। খাদ্যাভ্যাস ভারসাম্যহীন হলে এবং শারীরিক কার্যকলাপ সীমিত থাকলে সমস্যাটি আরও গুরুতর হয়। তাই, আপনার খাদ্যতালিকায় তেল ও ঘিয়ের পরিমাণ সীমিত করুন। আপনার খাদ্যতালিকায় ডাল, শাকসবজি এবং অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার অন্তর্ভুক্ত করুন।
এই জিনিসগুলো খাওয়া এড়িয়ে চলুন
ঘরে তৈরি মিষ্টি, হালুয়া, ক্ষীর এবং মিষ্টি চা অনেকের দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসের অংশ। তবে, অতিরিক্ত চিনি গ্রহণের ফলে শরীরে অতিরিক্ত ক্যালোরি প্রবেশ করে। নিয়মিত মিষ্টি পানীয় এবং চিনিযুক্ত খাবার গ্রহণ ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি বাড়ায়। একইভাবে, পরিশোধিত ময়দা এবং অতিরিক্ত পরিশোধিত শর্করা থেকে তৈরি খাবার এড়িয়ে চলুন। এর মানে এই নয় যে আপনাকে রুটি, ভাত বা পরোটা খাওয়া বন্ধ করে দিতে হবে। বরং এগুলোর পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা এবং আপনার খাদ্যতালিকায় শস্যদানা, ডাল, ফল ও শাকসবজি অন্তর্ভুক্ত করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। একটি সুষম খাদ্য এবং নিয়মিত শারীরিক কার্যকলাপ ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
Read more:- ভারতের শহরাঞ্চলে প্রতি তিনজনের মধ্যে একজন ফ্যাটি লিভারে ভোগেন, যা উপেক্ষা করলে ক্যান্সারের কারণ হতে পারে!
অতিরিক্ত খাওয়া এবং অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ সম্পর্কেও জানুন
অনেক সময় মানুষ অতিরিক্ত খায় অথবা সারাদিন ধরে ঘন ঘন খায়। এর ফলে দৈনিক ক্যালোরি গ্রহণ বেড়ে গেলে ওজন বৃদ্ধি পায় এবং ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি বাড়ে। তাই, খাবারের পরিমাণের দিকে মনোযোগ দিন এবং নিজের ক্ষুধা অনুযায়ী খান। এছাড়াও, অতিরিক্ত লবণ খাওয়া কমানো উচিত। লিভারে চর্বি জমা বা প্রদাহের প্রধান কারণ হিসেবে লবণকে বিবেচনা করা সঠিক নয়। অতিরিক্ত লবণ উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়। যাদের লিভারের গুরুতর রোগ এবং শরীরে জল জমার সমস্যা রয়েছে, ডাক্তাররা তাদের লবণ গ্রহণ সীমিত করার পরামর্শ দেন। লিভার সুস্থ রাখতে সুষম খাদ্য গ্রহণ করুন, নিয়মিত ব্যায়াম করুন এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন। আপনার যদি আগে থেকেই ফ্যাটি লিভার বা ডায়াবেটিস থাকে, তবে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনুন।
স্বাস্থ্য এবং জীবনধারা সংক্রান্ত আরও প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।







