healthBangla News

Amit Shah Diabetes Recovery: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কীভাবে ছয় বছরে ডায়াবেটিস থেকে সেরে উঠলেন? তিনি তাঁর নিজের এই জয়ের কাহিনী শোনালেন

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাঁর স্বাস্থ্য নিয়ে একটি অনুপ্রেরণামূলক অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, কীভাবে কিছুদিন ডায়াবেটিসের সঙ্গে লড়াই করার পর জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এনে তিনি শুধু এই রোগটিকেই জয় করেননি বরং আগের চেয়েও বেশি ফিট হয়ে উঠেছেন।

Amit Shah Diabetes Recovery: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছেন কীভাবে তিনি ডায়াবেটিসের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন, সেই গল্প জেনে নেওয়া যাক

হাইলাইটস:

  • অমিত শাহ তাঁর স্বাস্থ্য নিয়ে একটি অনুপ্রেরণামূলক অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়েছেন
  • কিভাবে তিনি ডায়াবেটিসের সঙ্গে লড়াই করে রোগটিকে জয় করেছেন তা জানিয়েছেন
  • বিশ্ব যকৃত দিবস ২০২৫ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন

Amit Shah Diabetes Recovery: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাঁর স্বাস্থ্য বিষয়ক অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, কীভাবে একসময় তিনি ডায়াবেটিসের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক তাঁর সেই যাত্রার কথা (Amit Shah Diabetes Journey)।

We’re now on WhatsApp – Click to join

ইনসুলিন ছাড়াই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাঁর স্বাস্থ্য নিয়ে একটি অনুপ্রেরণামূলক অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, কীভাবে কিছুদিন ডায়াবেটিসের সঙ্গে লড়াই করার পর জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এনে তিনি শুধু এই রোগটিকেই জয় করেননি বরং আগের চেয়েও বেশি ফিট হয়ে উঠেছেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক, ডায়াবেটিসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে তিনি কী কী পদক্ষেপ নিয়েছিলেন।

অমিত শাহ কী বললেন?

বিশ্ব যকৃত দিবস ২০২৫ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “আমি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ছিলাম, কিন্তু ২০২০ সালের মে মাসের পর আমি আমার দৈনন্দিন রুটিনে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছি।” তিনি ব্যাখ্যা করেন যে, পর্যাপ্ত ঘুম, যথেষ্ট পরিমাণে জল পান, সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং নিয়মিত ব্যায়াম তাঁর স্বাস্থ্যের জন্য যুগান্তকারী প্রমাণিত হয়েছে (Diabetes Control Without Insulin)। তিনি আরও বলেন, “আজ আমি কোনো অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ বা ইনসুলিন ছাড়াই আপনাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছি।”

ছোট ছোট অভ্যাস গ্রহণ করা

তিনি আরও জানান যে, এই পরিবর্তনগুলি তাকে ২০ কেজিরও বেশি ওজন কমাতে সাহায্য করেছে। তিনি বিশ্বাস করেন যে, বড় পরিবর্তন হঠাৎ করে ঘটে না; বরং ছোট ছোট অভ্যাস ধারাবাহিকভাবে গ্রহণ করার মাধ্যমেই দীর্ঘমেয়াদী ফল পাওয়া যায়।

যুবকদের উদ্দেশে দেওয়া বার্তায় তিনি বলেন, “শরীর ও মন দুটোকেই সুস্থ রাখা জরুরি। শরীরের জন্য প্রতিদিন দুই ঘণ্টা ব্যায়াম করুন এবং মনের জন্য অন্তত ছয় ঘণ্টা ঘুমান। এই উপদেশটি আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে দেওয়া।”

Read more:- বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসে অমিত শাহ স্বাস্থ্যকর অভ্যাস এবং সুস্থ থাকার জন্য তিনটি মূলমন্ত্র দিয়েছেন, জেনে নিন

শৃঙ্খলা এবং ভারসাম্য

অমিত শাহর জীবনযাত্রা থেকে যদি কিছু শেখার থাকে, তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো শৃঙ্খলা এবং ভারসাম্য। পর্যাপ্ত ঘুম, প্রচুর জল পান এবং ঘরে তৈরি সুষম খাবার শরীরকে ভেতর থেকে শক্তিশালী করে। প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং অতিরিক্ত চিনি এড়িয়ে চলাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত ব্যায়াম আপনার দৈনন্দিন রুটিনের অংশ হওয়া উচিত। সবসময় জিমে যাওয়ার প্রয়োজন নেই; আপনি হাঁটা, যোগব্যায়াম বা কোনো খেলাধুলাও করতে পারেন। ধারাবাহিকতাই মূল চাবিকাঠি। এছাড়াও, দ্রুত ফল লাভের আশায় ক্র্যাশ ডায়েট বা শর্টকাট এড়িয়ে চলুন। প্রকৃত পরিবর্তন ধীরে ধীরে আসে এবং কেবল সেটাই টেকসই।

স্বাস্থ্য এবং জীবনধারা সংক্রান্ত আরও প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।

Back to top button