Nepal Flood: নেপালে লাশের স্তূপ, অথচ তিব্বতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান কম! চীন কি হরপা বান নিয়ে সত্য গোপন করছে?
নেপাল ও তিব্বত সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে বন্যা ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। দ্য গার্ডিয়ানের রিপোর্ট অনুযায়ী, শুক্রবার পর্যন্ত নেপালে বন্যায় সরকারিভাবে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৭৯-এ দাঁড়িয়েছে, অন্যদিকে চীনে মৃতের সংখ্যা ছিল মাত্র ৫।
Nepal Flood: হরপা বান নিয়ে চীন কী কোনও সত্য গোপন করছে? জানতে চাইলে আন্তর্জাতিক মহল
হাইলাইটস:
- হরপা বান নেপাল ও তিব্বতে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটিয়েছে
- শুক্রবার পর্যন্ত নেপালে ৫৭৯ জন এবং চীনে ৫ জন মারা গেছেন
- নেপালে এত ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার পরেও তিব্বতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান কেন?
Nepal Flood: নেপাল ও তিব্বতে বিধ্বংসী হরপা বান ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটিয়েছে। তবে, উভয় স্থান থেকে আসা তথ্যে উল্লেখযোগ্য অসামঞ্জস্য রয়েছে। যেখানে কাঠমান্ডু থেকে আসা ধারাবাহিক রিপোর্টগুলো নেপালের ধ্বংসযজ্ঞের একটি স্পষ্ট চিত্র তুলে ধরছে, সেখানে চীন তিব্বতের মতো সংবেদনশীল অঞ্চলগুলো থেকে তথ্য প্রবাহের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। এর ফলে সেখানকার প্রকৃত পরিস্থিতি বোঝা এবং স্বাধীনভাবে তথ্য যাচাই করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
We’re now on WhatsApp – Click to join
নেপালে মৃতের সংখ্যা ৫৭৯, যেখানে চীনে মাত্র ৫
নেপাল ও তিব্বত সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে বন্যা ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। দ্য গার্ডিয়ানের রিপোর্ট অনুযায়ী, শুক্রবার পর্যন্ত নেপালে বন্যায় সরকারিভাবে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৭৯-এ দাঁড়িয়েছে, অন্যদিকে চীনে মৃতের সংখ্যা ছিল মাত্র ৫।
The engineer who designed that house's column structure deserves a national medal.
pic.twitter.com/PQgORN5LVq— Rishi Bagree (@rishibagree) August 28, 2026
এই গরমিলটি প্রশ্ন তোলে, কারণ তিব্বত অংশে জিরং সীমান্ত চৌকির আশেপাশের গ্রামগুলোতে হাজার হাজার মানুষ বাস করে। এর ফলে চীনের জানানো কম মৃতের সংখ্যা এবং এই অঞ্চলে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের মধ্যেকার অসামঞ্জস্য নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
সাংবাদিকরা নেপালে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেছেন
নেপালে সাংবাদিকরা দুর্যোগ-কবলিত এলাকাগুলোর যথাসম্ভব কাছাকাছি গিয়ে বেঁচে যাওয়া মানুষ ও উদ্ধারকর্মীদের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন। এর ফলে বন্যার সময় কী ঘটেছিল তার একটি অনেক বেশি বিস্তারিত চিত্র পাওয়া গেছে।
স্থানীয়দের বিবরণ অনুযায়ী, ঘটনাগুলোর প্রায় প্রতি মুহূর্তের বিবরণ উঠে আসে, যা থেকে জানা যায় কীভাবে বন্যার জল ঘরবাড়িতে ঢুকে মানুষকে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। তবে, বন্যার সঠিক কারণ এখনও অজানা এবং বিজ্ঞানীরা এর কারণ অনুসন্ধানে গবেষণা করছেন।
চীনের রিপোর্টে ত্রাণ ও উদ্ধারের ওপর বেশি আলোকপাত করা হয়
দ্য গার্ডিয়ানের মতে, চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম বন্যা নিয়ে অসংখ্য রিপোর্ট প্রচার করেছে এবং এমনকি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় সাংবাদিকদেরও পাঠিয়েছে। তবে, এই রিপোর্টগুলোতে মূলত ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযানের ওপরই আলোকপাত করা হয়েছিল, ফলে ধ্বংসযজ্ঞের প্রকৃত মাত্রা অস্পষ্টই থেকে যায়।
রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, তিব্বতের একটি ত্রাণ কেন্দ্র থেকে সম্প্রচাররত একজন সাংবাদিক তার পেছনে বসে থাকা কোনো লোকের সঙ্গেই কথা বলেননি। তিব্বতে দীর্ঘদিন ধরে তথ্যের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।
Read more:- ‘চীনে ২০০ ভারতীয় আটকে, ২১ জন উদ্ধার’, নেপালের বন্যা নিয়ে বিস্তারিত জানালেন বিদেশ মন্ত্রক
তিব্বত চীনের অন্যতম সংবেদনশীল এবং কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল। অতীতে তিব্বতিরা বৃহত্তর স্বায়ত্তশাসন ও ধর্মীয় স্বাধীনতার দাবিতে অসংখ্য বিক্ষোভ করেছে, যার মধ্যে আত্মাহুতির ঘটনাও ছিল, যা চীনা কর্তৃপক্ষ কঠোরভাবে দমন করেছে।
আন্তর্জাতিক সাংবাদিকদের সাধারণত তিব্বতে স্বাধীনভাবে কাজ করার অনুমতি দেওয়া হয় না এবং তাদের সফর প্রধানত সরকার কর্তৃক আয়োজিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।
স্থানীয় লোকজন ও সাংবাদিকদের মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ রয়েছে
রিপোর্ট অনুসারে, অনেক তিব্বতিকে পাসপোর্ট রাখার অনুমতি দেওয়া হয় না এবং সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার জন্য তারা শাস্তির সম্মুখীন হতে পারেন।
এই রকম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।







