Bangla News

India-BRICS: দুর্বল থেকে সরাসরি বৃদ্ধির ইঞ্জিন, ১৪ বছরের মধ্যে কীভাবে বদলে গেল ব্রিকস-এ ভারতের গল্প

একসময় ব্রিকস-এর ‘দুর্বল দেশ’ ছিল ভারত। ২০১২ সালে প্রশ্ন উঠছিল যে, এই গোষ্ঠীর সবচেয়ে দুর্বল সদস্য হয়ে উঠছে কী ভারত? ভারত কি সত্যিই ব্রিকস-এ থাকার যোগ্য?

India-BRICS: বিগত ১৪ বছরে কীভাবে পরিবর্তন হল ব্রিকস-এ ভারতের? এখানে আরও বিশদ তথ্য জেনে নিন

হাইলাইটস:

  • ২০১২ সালে ভারত যখন ব্রিকস-র আয়োজন করে তখন অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ছিল একেবারে ভিন্ন
  • ভারত এখন আর কেবল ব্রিকস-এ নিজের অবস্থানকে ন্যায্যতা দেওয়ার চেষ্টা করছে না
  • বরং এখন এই দেশটিকে ব্রিকস-এর অন্যতম প্রধান বৃদ্ধির ইঞ্জিন হিসেবে দেখা হচ্ছে

India-BRICS: ১৪ বছর পর এবার ২০২৬ সালে ভারত যখন আবার BRICS-এর আয়োজন করছে, তখন নাটকীয়ভাবে বদলে গিয়েছে পরিস্থিতি। এখন আর কেবল এই গোষ্ঠীতে নিজের অবস্থানকে ভারত যুক্তিসঙ্গত প্রমাণ করার চেষ্টা করা একটি দেশ নয়। বরং, দেশটিকে ক্রমশ ব্রিকস-এর অন্যতম প্রধান প্রবৃদ্ধির ইঞ্জিন ও এর অর্থনৈতিক এবং কৌশলগত শক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই দুই সময়ের পার্থক্য থেকেই বোঝা যায় যে, কতটা বদলে গিয়েছে ভারত।

We’re now on Telegram- Click to join

একসময় ব্রিকস-এর ‘দুর্বল দেশ’ ছিল ভারত। ২০১২ সালে প্রশ্ন উঠছিল যে, এই গোষ্ঠীর সবচেয়ে দুর্বল সদস্য হয়ে উঠছে কী ভারত? ভারত কি সত্যিই ব্রিকস-এ থাকার যোগ্য? ব্রিকস-এর ‘I’ হিসেবে কি ভারতের বদলে আনা উচিত ইন্দোনেশিয়াকে? এই গোষ্ঠীর দুর্বলতম কী ভারত? সে সময়ের অর্থনৈতিক পরিস্থিতিই প্রতিফলন ছিল এই প্রশ্নগুলির। ভারতের আর্থিক বৃদ্ধি কমে গিয়েছিল তীব্রভাবে, মূল্যবৃদ্ধির হারও ছিল বেশি, চাপ তৈরি হয়েছিল টাকার দামে এবং অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যকর করার ক্ষেত্রে উদ্বেগ বাড়ছিল সরকারের সক্ষমতা নিয়েও।

We’re now on WhatsApp- Click to join

Standard & Poor’s ২০১২ সালের জুন মাসে সতর্ক করেছিল যে, ধীরগতির বৃৃদ্ধি ও নীতি নির্ধারণে রাজনৈতিক বাধার কারণে প্রথম ব্রিক দেশ হিসেবে ভারত হারাতে পারে তার ইনভেস্টমেন্ট-গ্রেড সার্বভৌম ক্রেডিট রেটিং। সেই সময় BBB- ছিল ভারতের রেটিং, যা ঠিক এক ধাপ উপরে স্পেকুলেটিভ গ্রেডের।

এদিকে, মনোভাবেরও অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হয়ে উঠেছিল। ব্রিক শব্দবন্ধের উদ্ভাবক গোল্ডম্যান স্যাকসের অর্থনীতিবিদ জিম ও’নিলও মূল্যায়নের দিক থেকে খুব একটা আশাবাদী ছিলেন না ভারতের অর্থনীতি নিয়ে। ২০১২ সালের অগাস্টে এক সাক্ষাৎকারে মূল্যায়নের নিরিখে তিনি চারটি ব্রিক অর্থনীতির মধ্যে সবচেয়ে কম আকর্ষণীয় বলে ভারতকেই উল্লেখ করেছিলেন। তাঁর তালিকায় প্রথমে নাম ছিল চিনের, এর পরে ব্রাজিল, রাশিয়া এবং তারপর ভারতের।

Read More- দিল্লির গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর রাস্তা, পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা, পরিচ্ছন্নতা ও নাগরিক সুবিধা পরিদর্শন করবে দিল্লি সরকার

একই রকম কঠিন ছিল বৃহত্তর অর্থনৈতিক চিত্রটিও। ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ৫ শতাংশের নীচে নেমে যায় ২০১২-১৩ অর্থবর্ষে, এবং অন্যদিকে, উচ্চস্তরে থেকে যায় মূল্যস্ফীতিও। ভারতের অর্থনীতি নিয়ে যে ধারণা ছিল, তাতেও বদল আসতে শুরু করেছিল—একটি উদীয়মান অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে ভারতের ভাবমূর্তির বদলে সামনে আসছিল এমন একটি অর্থনীতির চিত্র, যা নীতিগত অচলাবস্থা, মূল্যস্ফীতি ও মন্থর বৃদ্ধির সাথে লড়াই করছে।

এইরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।

Back to top button