Bangla News

Anti Social Activities Bill: আজ থেকেই রাজ্যে কার্যকর গুন্ডা দমন আইন! কোন কোন ক্ষেত্রে অভিযুক্তকে ‘গ্রেফতার’ করতে পারবে পুলিশ?

‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল পাবলিক সেফটি অ্যান্ড কন্ট্রোল অব অ্যান্টি সোশ্যাল অ্যাক্টিভিটি বিল’-এ “অসামাজিক কার্যকলাপ বিরোধী” হিসেবে হতে চলেছে কার্যকর।

Anti Social Activities Bill: কোন কোন ইস্যুতে ‘আটক’? কী কী বাজেয়াপ্ত করতে পারবে পুলিশ? শাস্তি কী? জেনে নিন বিশদে…

হাইলাইটস:

  • তৃণমূল জমানায় আইন-শৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে কটাক্ষ শোনা গিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর গলায়
  • বারংবার অভিযোগ উঠেছে যে গুন্ডাদের প্রশ্রয় দেওয়ার কথা
  • এই প্রেক্ষাপটে বিধানসভায় কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী
  • এবার আজ থেকেই কার্যকর হয়ে গেল এই গুন্ডা দমন আইন

Anti Social Activities Bill: পশ্চিমবঙ্গে আজ থেকেই চালু হতে চলেছে ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল পাবলিক সেফটি অ্যান্ড কন্ট্রোল অব অ্যান্টি সোশ্যাল অ্যাক্টিভিটি বিল’ এবং ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল মেন্টেনেন্স অব পাবলিক অর্ডার অ্যামেন্ডমেন্ট বিল’। ইতিমধ্যেই এই বিল ঘিরে শাসক-বিরোধী জোরদার চর্চা।

We’re now on WhatsApp- Click to join

কী রয়েছে এই বিলে?

‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল পাবলিক সেফটি অ্যান্ড কন্ট্রোল অব অ্যান্টি সোশ্যাল অ্যাক্টিভিটি বিল’-এ “অসামাজিক কার্যকলাপ বিরোধী” হিসেবে হতে চলেছে কার্যকর। এই বিলে আতঙ্ক বা নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি, জনশৃঙ্খলা এবং জনশান্তি বিঘ্নিত করা, জীবন বা সম্পত্তির ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা, বৈধ ব্যবসা বা পেশা পরিচালনায় বাধা সৃষ্টি, বেআইনিভাবে জমি বা সম্পত্তি দখল, সরকারি বা বেসরকারি সম্পত্তির বড় ক্ষতি ইত্যাদির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি আনা হয়েছে। অবৈধ বালি উত্তোলন, খনি খাদান, বনজ সম্পদ বা বন্যপ্রাণ সংক্রান্ত অপরাধও আসতে চলেছে এই বিলের আওতায়।

We’re now on Telegram- Click to join

গত ২৯শে জুন বিধানসভায় গুন্ডা দমন সংক্রান্ত জোড়া বিল পাস হয়েছে। এই বিল পাস হতেই কড়া বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এর পাশাপাশি এই বিল নিয়ে তৃণমূলকেও চরম কটাক্ষ করেন মুখ্যমন্ত্রী। আর এবার আজ থেকেই রাজ্যে কার্যকর হয়ে গেল গুন্ডা দমন আইন।

এই বিল অনুযায়ী ‘গুন্ডা’ বলতে কাদেরকে বোঝানো হচ্ছে?

  • সংঘবদ্ধ অপরাধে নিয়মিত জড়িত ব্যক্তিকে।
  • নির্দিষ্ট গুরুতর অপরাধে চার্জশিটভুক্ত ব্যক্তিকে।
  • অপরাধে অর্থ জোগানদাতা বা মদতদাতাকে।
  • সমাজের জন্য বিপজ্জনক বলে পরিচিত ব্যক্তিকে।
  • মাদক, অস্ত্র, বিস্ফোরক বা মানবপাচার সংক্রান্ত অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিকে।

আটক সংক্রান্ত ক্ষমতা—

  • রাজ্য সরকার, জেলা শাসক কিংবা পুলিশ কমিশনার প্রতিরোধমূলক আটক করতে পারবেন।
  • গুরুতর পরিস্থিতিতে আটক রাখা সম্ভব বিচার শেষ হওয়ার আগেই। আটকাদেশ সর্বোচ্চ ১২ মাস অবধি বহাল থাকতে পারে।

কোন কোন ইস্যুতে ‘গ্রেফতার’?

রাজ্যে সম্পত্তি ধ্বংস, হিংসা এবং উগ্র-ধ্বংসাত্মক আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটাতেই বিধানসভায় দুই গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস করছে নতুন রাজ্য সরকার। বিল পাশের পরই বিধানসভায় দাঁড়িয়ে এই আইনের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করেছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নয়া এই বিল অনুযায়ী অশান্তির আঁচ পেলেই পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে পারবে। সরকারি এবং বেসরকারি সম্পত্তি নষ্টে গুন্ডাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত অবধি করতে পারবে পুলিশ। এবার থেকে এই বিল অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলার গুরুতর অবনতি থেকে হিংসাত্মক বিক্ষোভের আঁচ পেলেই, ঘটনা ঘটার আগেই পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে পারবে। এছাড়া সরকারি এবং বেসরকারি সম্পত্তি নষ্টের ক্ষেত্রে গুন্ডাদের সম্পত্তিও বাজেয়াপ্ত করতে পারবে রাজ্য সরকার।

কী কী বাজেয়াপ্ত করতে পারবে?

এক্ষেত্রে বাড়ি, গাড়ি কিংবা অন্য জায়গায় তল্লাশির ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে পুলিশকে। এরসঙ্গে টাকা, সম্পত্তি, নথি বা সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করতে পারবে পুলিশ। যদি, পুলিশ সুপারের নীচে নয় রাজ্য সরকার এমন পদমর্যাদার কোনও অফিসারের রিপোর্টের ভিত্তিতেই সন্তুষ্ট হয় যে কোনও গুন্ডাকে রাজ্যে সমাজবিরোধী কার্যকলাপ থেকে বিরত রাখতে প্রয়োজন আটক করা, তাহলে ওই ব্যক্তিকে আটক করার নির্দেশ দিতে পারে রাজ্য সরকার।

Read More- পশ্চিমবঙ্গেও কী এবার চালু হবে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি? এবার সোমবারই আসছে বিল

শাস্তি কী?

  • আটক কিংবা বহিষ্কার সংক্রান্ত নির্দেশ অমান্য করলেই জেল এবং জরিমানা।
  • আইনের অধীনে অপরাধ জামিন অযোগ্য হবে।
  • অভিযুক্তকে আশ্রয় দিলেই শাস্তির বিধান।

এইরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।

Back to top button