Bangla News

Heavy Rain In Kolkata: ফিরে এল স্মৃতি! তিলোত্তমায় ফের ‘মেঘভাঙা বৃষ্টি’, বৃষ্টির জেরে বানভাসি উত্তর থেকে দক্ষিণ কলকাতা

জমা জলে অলিগলি থেকে শুরু করো মূল সড়ক– সর্বত্রই স্তব্ধ জনজীবন। বহু বাসাবাড়িতে জল ঢুকে গিয়ে তৈরি হয়েছে চরম দুর্ভোগ।

Heavy Rain In Kolkata: মহানগরের বিস্তীর্ণ এলাকার একাধিক রাস্তাই জলমগ্ন! ভারী বর্ষণে জল জমায় শ্লথ গাড়ির গতি

হাইলাইটস:

  • গতকালের তীব্র ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত কলকাতানগরী
  • এখনই জল নামার আশা দেখছেন না নিকাশি বিভাগ
  • এই দুর্যোগে নাগরিক পরিষেবা পুরোপুরি ব্যাহত হচ্ছে

Heavy Rain In Kolkata: গত বছরের সেপ্টেম্বরের স্মৃতি উস্কে এ বছর আগস্টেই নজিরবিহীন ‘মেঘভাঙা বৃষ্টিতে’ বিপর্যস্ত কলকাতা সহ পার্শবর্তী জেলা। গতকাল সকাল থেকেই রোদের তেজ ছিল বেশ। এর পাশাপাশি আদ্রতাজনিত অস্বস্তিও দেখা যায়। তবে সন্ধ্যার পরই বদলে যায় আবহাওয়া। রাত আটটা নাগাদ শুরু হয় মুষলধারায় বৃষ্টিপাত। উত্তর থেকে দক্ষিণ কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকা একটানা অতিবর্ষণে ভেসে গিয়েছে, এর প্রভাব পড়েছে উত্তরের শহরতলিতেও।

We’re now on WhatsApp- Click to join

জমা জলে অলিগলি থেকে শুরু করো মূল সড়ক– সর্বত্রই স্তব্ধ জনজীবন। বহু বাসাবাড়িতে জল ঢুকে গিয়ে তৈরি হয়েছে চরম দুর্ভোগ। এদিকে, পুরসভার নিকাশি পাম্পিং স্টেশনের তথ্য অনুসারে, মাত্র ১ থেকে ১.৩০ ঘণ্টার এই ভারী বৃষ্টিপাতে স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলেছে ‘ক্লাউড বার্স্ট’-এর। কেবলমাত্র বেলগাছিয়া পাম্পিং স্টেশন এলাকায় ১ ঘণ্টায় বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে সর্বোচ্চ ১৩০ মিলিমিটার। রাত বাড়লেও বৃষ্টি তখনও সম্পূর্ণ থামেনি।

We’re now on Telegram- Click to join

এর পাশাপাশি ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি এলাকায় ১০০ মিমি, বীরপাড়ায় ৯০ মিমি, উল্টোডাঙ্গা এবং দত্ত বাগান এলাকায় প্রায় ১০০ মিমি এবং মানিকতলায় ৮০ মিমি বর্ষণ হয়েছে। পরিস্থিতি এতটাই শোচনীয় হয় যে আরজি কর ট্রমা কেয়ার সেন্টারের সামনেও হাঁটু সমান জলও জমে গিয়েছে। রাত বাড়লেও বৃষ্টি সম্পূর্ণ থামেনি।

এছাড়াও, উত্তর কলকাতার মানিকতলা, আহিরীটোলা, শ্যামবাজার, টালা এবং দেশবন্ধু পার্কের মতো কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতেও থই থই করছে জলে। এদিকে, দক্ষিণ কলকাতার বেশ কিছু এলাকাতে জল জমেছে। চিনার পার্ক, সল্টলেক সেক্টর ফাইভের একাধিক রাস্তা, হলদিরাম এলাকা কার্যত গিয়েছে জলের তলায়। গতকাল শহরের বহু রাস্তা জলমগ্ন হওয়ায় রাতে বাড়ি ফিরতেও সাধারণ মানুষদের নাকাল হতে হয়েছে।

Read More- বাংলাজুড়ে প্রবল দুর্যোগ, ফুঁসছে নদী, শহরে জমেছে জল, দিঘার সমুদ্রে যেতে জারি নিষেধাজ্ঞা!

এবার পাম্পিং স্টেশনগুলো পুরোদমে চালানো হলেও দ্রুত জল নামার এখনই কোনও আশা দেখছেন না নিকাশি বিভাগের আধিকারিকরা। এই দুর্যোগে পুরসভার মেয়াদ শেষ হওয়া আর প্রশাসনিক দূরদর্শিতার অভাবেই পুরোপুরি ব্যাহত হচ্ছে নাগরিক পরিষেবা।

এইরকম আরও আবহাওয়ার প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।

Back to top button