Jyoti Basu Birth Anniversary: প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর জন্মবার্ষিকীতে ফিরে দেখা তাঁর বর্ণময় রাজনৈতিক জীবন…
আজ হল রাজ্যের কমিউনিস্ট নেতা জ্যোতি বসুর ১১৩তম জন্মবার্ষিকী। ভারত তথা গোটা রাজ্যের রাজ্য-রাজনীতিতে জ্যোতি বসুর প্রাসঙ্গিকতা বরাবর শীর্ষস্থানেই থেকেছে।
Jyoti Basu Birth Anniversary: জ্যোতি বসুর ১১৩তম জন্মবার্ষিকীতে জেনে নিন তাঁর অনুপ্রেরণামূলক কর্মজীবন সম্পর্কে
হাইলাইটস:
- আজ রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর জন্মবার্ষিকী
- কিংবদন্তী কমিউনিস্ট নেতার এ বছর ১১৩তম জন্মবার্ষিকী
- তাঁর এই জন্মবার্ষিকীতে ফিরে দেখুন তাঁর বর্ণময় কর্মজীবন
Jyoti Basu Birth Anniversary: আজ ৮ই জুলাই, আজ হল পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর জন্মবার্ষিকী। কিংবদন্তি রাজনীতিবিদ জ্যোতি বসুর আরও এক জন্মবার্ষিকীতে ফিরে দেখা যাক তাঁর বর্ণময় কর্ম এবং রাজনৈতিকজীবন।
We’re now on WhatsApp- Click to join
আজ হল রাজ্যের কমিউনিস্ট নেতা জ্যোতি বসুর ১১৩তম জন্মবার্ষিকী। ভারত তথা গোটা রাজ্যের রাজ্য-রাজনীতিতে জ্যোতি বসুর প্রাসঙ্গিকতা বরাবর শীর্ষস্থানেই থেকেছে। দেশের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক দুনিয়াতেও তাঁর খ্যাতি কিছু কম ছিল না। তাঁর আসল নাম হল জ্যোতিরিন্দ্র বসু। তবে তিনি জ্যোতি বসু নামেই পরিচিত। ১৯১৪ সালের ৮ই জুলাই কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন জ্যোতি বসু। লরেটো স্কুল এরপর সেন্ট জেভিয়ার্স এবং প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে তিনি ধাপে ধাপে শিক্ষা গ্রহণ করেছিলেন। ১৯৩৫ সালে আইন নিয়ে পড়াশোনা করতে চলে যান ইংল্যান্ডে। সেখানেই ঘটে তাঁর রাজনীতির দুনিয়ায় প্রবেশ। বিদেশেই তিনি কমিউনিস্ট পার্টির সংস্পর্শে আসেন। তাঁর পিতা ছিলেন নিশিকান্ত বসু এবং পেশায় একজন ডাক্তার। তাঁর মাতা ছিলেন হেমলতা বসু, তিনি একজন গৃহবধূ। মধ্যবিত্ত বাঙালি কুলীন কায়স্থ পরিবারের পরবর্তী সময়ে জ্যোতি বসু বাবার ডাক্তারির পেশার দিকে আকৃষ্ট হননি। বরং তাঁর ছিল আইন নিয়ে পড়াশোনার প্রতি বিশেষ ঝোঁক। তাই তিনি ইংল্যান্ডে চলে যান পড়াশোনা করতে।
We’re now on Telegram- Click to join
১৯৪০ সালে দেশে ফিরে পাকাপাকিভাবে তিনি ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগদান করেন। শুরু থেকেই তাঁর নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা ছিল বেশ প্রশ্নাতীত। অল্পদিনের মধ্যেই তৎকালীন সময়ের কমিউনিস্ট দলের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে সুনজরে চলে আসেন তিনি। ১৯৪০ সালেই রেল শ্রমিকদের সংগঠনের আন্দোলনে তিনি সক্রিয় ভূমিকা নেন। এরপর ধাপে ধাপে এগিয়ে চলে তাঁর রাজনৈতিক জীবন। তিনি হলেন অসম্ভব ভালো বক্তা আর সেই সাথে অত্যন্ত মনোযোগী স্রোতাও। অল্প সময়ের মধ্যেই ভারতীয় রাজ্য-রাজনীতিতে ব্যতিক্রমী এক গ্রহণযোগ্য নাম হয়ে ওঠেন তিনি।
জননেতা কমরেড জ্যোতি বসুর ১১৩ তম জন্মদিবসে শ্রদ্ধা ✊🏻 pic.twitter.com/GEp1qUuhLO
— Dibyendu Das. (@DibyenduDa21375) July 8, 2026
সিপিআই মার্কসবাদী পার্টি গঠনে ১৯৬৪ সালে জ্যোতি বসুর ভূমিকা ছিল এক অনস্বীকার্য। পরবর্তী সময়ে ১৯৭৭ সালে তাঁর নেতৃত্বেই রাজ্যে ক্ষমতায় আসে বাম-রা। তারপর থেকেই একটানা ২০০০ সাল অবধি রাজ্যর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কাজ চালিয়ে গিয়েছেন তিনি। মাঝে ১৯৯৬ সালে দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ারও ‘সুবর্ণ সুযোগ’ চলে আসে তাঁর কাছে। তবে তাঁর দল CPIM পৌঁছতে পারেনি ঐক্যমত্যে। প্রধানমন্ত্রী হওয়া হয়ে ওঠেনি জ্যোতি বসুর। সে সময় জ্যোতি বসুর ‘ঐতিহাসিক ভুল’ ভাবনা আজও চর্চায় থাকে।
এদিকে, তাঁর নেতৃত্বেই পশ্চিমবঙ্গ ভূমি সংস্কার এবং গ্রাম পঞ্চায়েত ব্যবস্থার বিস্তৃতি ঘটে। শিক্ষাব্যবস্থা ও শ্রমিক অধিকার প্রসারের পথে তিনি গুরুত্বপূর্ণ কিছু পদক্ষেপ করেছিলেন। ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি মার্কসবাদী প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের অন্যতম ছিলেন জ্যোতি বসু। দল গঠনের পর ২০০৮ সাল অবধি CPIM-এর তিনি পলিটব্যুরো সদস্য ছিলেন। তিনি মোট ১১ বার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার সদস্য নির্বাচিতও হয়েছিলেন। সুদীর্ঘ ৭ দশকেরও বেশি সময় ধরেই চলেছে তাঁর কর্ম অর্থাৎ রাজনৈতিক জীবন। যে সময়ে জ্যোতি বসু মুখ্যমন্ত্রীর পদ ত্যাগ করেন, সেই সময় পর্যন্তই ভারতের ইতিহাসে দীর্ঘতম সময় ধরে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের রেকর্ড গড়েন জ্যোতি বসু।
এইরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।







