Prosenjit Chatterjee: এবার খোদ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের দিকেই উঠল অভিযোগের তীর, চরিত্র চুরি’র অভিযোগ এনে বিস্ফোরক পরিচালক সুমন ঘোষ
এবার এর জন্য সরাসরি মুখ খুললেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। অত্যন্ত মর্মাহত হয়ে অভিনেতা বলেন, ‘এই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে ৪০ বছরের ওপর কাজ করছি। এখন আমাকে চোর চোর অপবাদও শুনতে হচ্ছে। এটি কিছুতেই মেনে নেওয়া যায় না।
Prosenjit Chatterjee: পরিচালক সুমন ঘোষের ছবির চরিত্র চুরির বিতর্কে এবার মুখ খুললেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়
হাইলাইটস:
- শুক্রবার বড় পর্দায় মুক্তি পায় প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় অভিনীত ‘অভিমান’
- ছবি মুক্তির দিনই চরিত্র চুরি’র অভিযোগ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে
- অভিমান ছবির ‘ভাবনা এবং চরিত্র চুরির অভিযোগ এনেছেন সুমন ঘোষ
Prosenjit Chatterjee: গতকাল অর্থাৎ শুক্রবার অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে গল্প এবং চরিত্র চুরির অভিযোগ এনেছেন পরিচালক সুমন ঘোষ। পেশাগত দায়বদ্ধতা শেখার জন্য পরামর্শ দেন পরিচালক সুমন ঘোষ। সিনেমা হলে শুক্রবার মুক্তি পায় প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় অভিনীত ‘অভিমান’। আর এই ছবি রিলিজের দিনই প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিমানে তাঁর অভিনীত চরিত্র চুরি’র অভিযোগ এনে সমাজ মাধ্যমে বোমা ফাটালেন পরিচালক সুমন ঘোষ।
We’re now on WhatsApp- Click to join
এবার এর জন্য সরাসরি মুখ খুললেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। অত্যন্ত মর্মাহত হয়ে অভিনেতা বলেন, ‘এই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে ৪০ বছরের ওপর কাজ করছি। এখন আমাকে চোর চোর অপবাদও শুনতে হচ্ছে। এটি কিছুতেই মেনে নেওয়া যায় না। তিনি আরও বলেছেন দোষ সুমনের নয়। তার বক্তব্যকে ঘিরে বাকি অনেকেও সোশ্যাল মিডিয়ায় এবং অন্যত্র চোর চোর বলে আমাকে অপবাদ দিচ্ছে সেটা প্রসেনজিতের কাছে অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক।
We’re now on Telegram- Click to join
এছাড়া তিনি মনে করেন যে তিনি একজন অভিনেতা তার কাছে কেউ যদি কোনও চরিত্র নিয়ে আসে সবকিছুই যদি ঠিক থাকে তাহলে তার কাজ সেই চরিত্রটাকে নতুনভাবে রূপদান করা। ছবির চরিত্র কখনও এরকম ভাবে চুরি করা যায় বলেও এদিন প্রশ্ন তোলেন প্রসেনজিৎ। তবে তাঁর ছবির গল্পের বিষয়ে তিনি কিছু বলতে চান না। কারণ সেই বিষয়ে ইতিমধ্যে যিশু আর সৌরভের প্রযোজনা সংস্থা অফিশিয়াল বিবৃতি দিয়েছে।
যীশু সেনগুপ্ত এবং সৌরভ দাস এক বিবৃতিতে জানান, “আমরা অভিমান ছবির প্রযোজক হিসেবে আমাদের সমগ্র সৃজনশীল দলের মৌলিকতা, সততা এবং নিষ্ঠা নিয়ে আমরা অত্যন্ত গর্বিত। ছবিটির মূল ভাবনা হল যীশু ইউ. সেনগুপ্তর৷ এবং ছবির চিত্রনাট্য এবং সংলাপ তৈরি আর রচনা করেছেন পরিচালক ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত আর শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রতিষ্ঠিত শিল্প এবং আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সব নিবন্ধন, নথিপত্র এবং ডেভেলপমেন্ট সংক্রান্ত উপকরণ-সহ একটি সুস্পষ্ট এবং নথিভুক্ত সৃজনশীল প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এটা তৈরি করা হয়েছে। আমরা অন্যান্য সকল চলচ্চিত্র নির্মাতার কাজ এবং তাঁদের সৃজনশীল যাত্রাকে সম্মান করি। কিন্তু আমরা স্পষ্টভাবে জানাতে চাই যে, অভিমান হল একটি সম্পূর্ণ মৌলিক কাজ, যা এর লেখক এবং নির্মাতারা সৃষ্টি করেছেন স্বাধীনভাবে।
Read More- টলিউডে সুদিন আসছে, কমিটি চালাতে এবার কাদেরকে বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী? রইল তালিকা
আমাদের চিত্রনাট্যের স্বকীয়তা এবং এই ছবির সাথে যুক্ত প্রত্যেকের পেশাদার নৈতিকতার পক্ষে দৃঢ়ভাবে অবস্থান করছি আমরা। এবং আমরা বিশ্বাস করি যে, একটি শিল্পকর্মকে শেষ অবধি তার নিজস্ব গুণমান এবং মূল্যবোধের ভিত্তিতেই তা বিচার করা উচিত। আজ অভিমান প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে। আমরা সব দর্শক, সংবাদ মাধ্যমের সদস্য আর চলচ্চিত্র জগতের সকলকে এই ছবিটি দেখার এবং নিজেদের বিচার গড়ে তোলার জন্য বিশেষ আহ্বান জানাচ্ছি।”
এইরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ বিনোদন জগতের প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।






