TMC Party Symbol Dispute: সত্যিই কী তবে ঘাসফুল প্রতীক মমতার হাতছাড়া হবে? আইনতভাবে কি সম্ভব? বিস্তারিত জানুন
‘তৃণমূল কংগ্রেস’, এই নাম হল পার্টির ফান্ড, জোড়া ফুল প্রতীক, কোন দিকে যাবে এটা? মমতাপন্থীদের দিকে নাকি বিক্ষুব্ধ ব্লকের দিকে? এহেন পরিস্থিতিতে আইনসিদ্ধ পদ্ধতিতে কী হয়ে থাকে এই গোটা বিষয়টি?
TMC Party Symbol Dispute: এদিন এ প্রসঙ্গে কী বললেন কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি দেবাশিস কর গুপ্ত
হাইলাইটস:
- মমতার জোড়া ফুল প্রতীক কোন দিকে যাবে এই নিয়ে বিতর্ক চরমে পৌঁছেছে
- এবার কি তবে হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে মমতার দলের নির্বাচনী প্রতীক?
- এই সাম্প্রতিক পরিস্থিতির ব্যাখ্যা দিয়ে কি বললেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি
TMC Party Symbol Dispute: এদিকে যেমন দলের অভ্যন্তরীণ সঙ্কট তো একটা বিষয় আছেই, ঠিক তেমনই পরিস্থিতি এখন অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই! বর্তমানে তৃণমূল কংগ্রেস লড়াই চালাচ্ছে তার অস্তিত্ব, সম্পত্তি, প্রতীক রক্ষায়। ‘বিদ্রোহী’ ব্লক যা পরিস্থিতি তৈরি করেছে, তাতে এবার হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে দলের নির্বাচনী প্রতীক এবং অফিশিয়াল নামও। কিন্তু সেটা সম্ভব কীভাবে? বা আদৌ কি তা সম্ভব?
We’re now on WhatsApp- Click to join
‘তৃণমূল কংগ্রেস’, এই নাম হল পার্টির ফান্ড, জোড়া ফুল প্রতীক, কোন দিকে যাবে এটা? মমতাপন্থীদের দিকে নাকি বিক্ষুব্ধ ব্লকের দিকে? এহেন পরিস্থিতিতে আইনসিদ্ধ পদ্ধতিতে কী হয়ে থাকে এই গোটা বিষয়টি? সেটাই এদিন এক সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি দেবাশিস কর গুপ্ত বুঝিয়েছেন।
We’re now on Telegram- Click to join
অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সাম্প্রতিক পরিস্থিতির ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, “যেকোনও সংসদীয় দলের দুটি উইং, একটি হল লেজিসলেটিভ উয়ং, যেখানে রয়েছেন সাংসদ, বিধায়করা। আর আরেকটি হল অর্গানাইজেশনাল উয়ং, যেখানে যাঁরা সাংগঠনিক কাজের সঙ্গে যুক্ত, তাঁরাই রয়েছেন। যাঁদের দিকে এঁদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকবে, প্রতীক তাঁদেরকেই দিয়ে থাকে নির্বাচন কমিশন। ফান্ডের ক্ষেত্রেও এটাই প্রযোজ্য।”
According to sources, 19 of the 20 TMC breakaway MPs sent their names to the Lok Sabha Speaker's Office on May 18. If these numbers hold, the next battle may not be over MPs but over the party's symbol. The Shiv Sena lost its symbol after its founder's demise, while the NCP lost…
— Ashok Upadhyay (@ashoupadhyay) June 12, 2026
এদিন তবে আরও একটি সম্ভাবনার কথাও তিনি বলে রেখেছেন। তাঁর মতে, যদি পরিস্থিতি এরকম তৈরি হয় যে, যেখানে নির্ধারণ করা যাচ্ছে না সংখ্যাগরিষ্ঠকে, তাহলে সেই প্রতীক ‘ফ্রিজ’ করে দিয়ে নয়া প্রতীক উভয়পক্ষকেই দিতে পারে নির্বাচন কমিশন। ঘটনাটা আদালত অবধিও গড়াতে পারে। ‘জুডিশিয়াল রিভিউ’ যেহেতু সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত হিসাবে নির্ধারিত হবে।
Read More- ২৮ বছর পর ফের কী ‘হাত’ শিবিরে ফিরবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? তৃণমূল সুপ্রিমোকে প্রস্তাব সোনিয়া গান্ধীর
সূত্রের খবর অনুযায়ী, নিজেদের ‘প্রকৃত তৃণমূল’ হিসাবে দাবি করে তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরই, তার বৈধতা চেয়েই নির্বাচন কমিশনে দরবার করতে পারে খুব শীঘ্রই। তবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেওয়ার আগেই বিদ্রোহী শিবির তৃণমূলের নয়া সভাপতি, কোষাধ্যক্ষ-সহ বিভিন্ন পদাধিকারী বাছাই করতে পারে বলেই খবর। এহেন পরিস্থিতিতে যে, খুব তাড়াতাড়িই এই বিষয়টি আদালতে পৌঁছবে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
এইরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।






