EntertainmentBangla News

Salman Khan: অসমের বন্যা সংকটের মধ্যে ‘বিইং হিউম্যান’ ও ফ্যান ক্লাবের সঙ্গে ত্রাণ মিশন শুরু করেছেন সালমান খান

সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদন অনুসারে, অভিনেতার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে যে, ত্রাণ কার্যক্রমটি অত্যন্ত সতর্কতার সাথে পর্যায়ক্রমে পরিকল্পনা করা হয়েছে।

Salman Khan: অসমের বন্যা দুর্গতদের সাহায্যার্থে এবার বহু-পর্যায়ের প্রচারাভিযান শুরু করেছেন সালমান খান

হাইলাইটস:

  • অসমে বিধ্বংসী বন্যায় লক্ষ লক্ষ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত
  • এবার তাঁদের পাশে এগিয়ে এলেন সালমান খান
  • খাদ্য ও পুনর্গঠন সহায়তার পরিকল্পনা অভিনেতার

Salman Khan: বলিউড সুপারস্টার সালমান খান অসমের বন্যা দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করার জন্য নীরবে এগিয়ে এসেছেন। জানা যাচ্ছে, অভিনেতা তাঁর এনজিও ‘বিইং হিউম্যান’-এর অধীনে একটি পর্যায়ক্রমিক ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করার জন্য ওই অঞ্চলের একটি ফ্যান ক্লাবের সঙ্গে একত্রিত হয়েছেন। এই কার্যক্রম খাদ্য বিতরণের মাধ্যমে শুরু হবে এবং এরপর অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ করা হবে।

We’re now on Telegram- Click to join

সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদন অনুসারে, অভিনেতার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে যে, ত্রাণ কার্যক্রমটি অত্যন্ত সতর্কতার সাথে পর্যায়ক্রমে পরিকল্পনা করা হয়েছে। বন্যা কবলিত এলাকাগুলোতে তৈরি খাবারের প্যাকেট এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণের মাধ্যমে প্রথম পর্যায়টি ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে।

We’re now on WhatsApp- Click to join

আগামী কয়েক সপ্তাহে এই কর্মসূচির আওতায় রেশন, কিট এবং স্কুল ও হাসপাতাল পুনর্নির্মাণের কাজ অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। খাদ্যের পাশাপাশি, বন্যাদুর্গতদের মধ্যে ওষুধ, পানীয় জল, স্যানিটারি ন্যাপকিন এবং মশা তাড়ানোর স্প্রে-সহ অন্যান্য সামগ্রী বিতরণেরও পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

ভূমি পেডনেকার এবং আদিল হুসেনের মতো অনেক তারকা পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতনতা ছড়াতে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করলেও, সালমান বলিউড জগতের সেই অল্প কয়েকজনের মধ্যে একজন যিনি সেখানে তৃণমূল স্তরের ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছেন।

অসমের বন্যা পরিস্থিতি গুরুতর রয়েছে

অসম রাজ্যে বন্যার কারণে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটেছে এবং রাজ্যের বিভিন্ন জেলার লক্ষ লক্ষ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৬০০-র বেশি গ্রাম জলমগ্ন হয়েছে; নাগরিকদের সম্পত্তি ও জীবনের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে এবং মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬৮-তে দাঁড়িয়েছে।

তবে মঙ্গলবার কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে যে পরিস্থিতিতে কিছু ইতিবাচক লক্ষণ দেখা যাচ্ছে, কারণ অনেক জেলায় জলস্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা কমে ৪.৪৫ লক্ষে দাঁড়িয়েছে। অসম রাজ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এএসডিএমএ) অনুসারে, শিবসাগর, গোলাঘাট, চরাইদেও, জোরহাট, নগাঁও এবং কামরূপ মহানগর জেলাগুলিতে মোট ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ৪,৪৫,৪৯৫ জন। রবিবার পর্যন্ত এই সংখ্যা ৫ লক্ষের বেশি ছিল।

সোমবার সন্ধ্যায় প্রকাশিত এএসডিএমএ-র পরিসংখ্যান থেকে জানা গেছে যে, ২১টি রাজস্ব সার্কেলের অধীনে মোট ৬৩১টি গ্রাম এখনও জলমগ্ন রয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত জেলা হল চরাইদেও, যেখানে মোট ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ১.৮৮ লক্ষ। এর পরেই রয়েছে শিবসাগর, যেখানে ১.৪৪ লক্ষ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

কৃষি, বাড়িঘর ও স্কুল ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে

রাজ্যের কৃষি ও পশুপালনের উপর বন্যার মারাত্মক প্রভাব পড়েছে। প্রায় ৩৭,১৩৯ হেক্টর আবাদি জমি জলমগ্ন এবং ২.৫৬ লক্ষেরও বেশি পশু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ২৬,০০০-এরও বেশি পশু ভেসে গেছে বলে জানা গেছে। এই দুর্যোগে জোরহাট, শিবসাগর এবং চরাইদেওর মতো ক্ষতিগ্রস্ত কিছু জেলার রাস্তাঘাটেরও ক্ষতি হয়েছে।

Read More- চীন, বৃষ্টি নাকি ব্রহ্মপুত্র, প্রতি বছর আসামে বন্যা হওয়ার আসল কারণ কী?

আবাসন পরিকাঠামোও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দেখা গেছে যে ১৭১টি বাড়ি সম্পূর্ণভাবে ভেসে গেছে, এবং আরও ৪,৬৬৭টি বাড়ি আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শিবসাগর ও জোরহাট জেলার কিছু বিদ্যালয়ও জলমগ্ন হয়েছে, যা এই অঞ্চলের শিক্ষাকার্যক্রমকে নিশ্চিতভাবে প্রভাবিত করবে। নদীগুলোর মধ্যে, ধানসিরি (দক্ষিণ) নদী নুমালিগড়ে বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনো নদীর সর্বোচ্চ বন্যা স্তর (HFL) অতিক্রম করার খবর পাওয়া যায়নি।

এইরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।

Back to top button