Politics

Arnab Banerjee: ‘মমতা-অভিষেকের হাত কখনও ছাড়বো না!’ তৃণমূলের নতুন যুব সভাপতি হয়েই বড় ঘোষণা অর্ণব বন্দ্যোপাধ্যায়ের

তৃণমূলের ব্যর্থতার পরেও মমতা দিদির জয়গান শোনা গিয়েছে অর্ণব এবং তাঁর স্ত্রী অভিনেত্রী ময়না বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলাতে। তবে এখনও যারা তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষে, দলের এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে তারাই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন।

Arnab Banerjee: এমন কঠিন পরিস্থিতিতেও কেন টলিপাড়ার তারকা মুখকেই বেছে নেওয়া হল ফের যুব সভাপতির পদে? উঠছে প্রশ্ন

হাইলাইটস:

  • সায়নী ঘোষের পর এবার তৃণমূলের নতুন যুব সভাপতি হলেন অর্ণব বন্দ্যোপাধ্যায়
  • এদিন স্পষ্ট সুরে অর্ণব জানিয়েছেন মমতা-অভিষেকের হাত কখনওই ছাড়বেন না
  • কিন্তু কেন কোনও দুঁদে ব্যাক্তিত্বকে কেন দেওয়া হল না দায়িত্ব? প্রশ্ন দলের অন্দরের

Arnab Banerjee: তৃণমূল কংগ্রেসের অন্তরে বর্তমানে ভোলদবলের পালা। বিক্ষুব্ধ সাংসদদের তালিকায় এবার নাম লিখিয়েছেন সায়নী ঘোষও। এতদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিশেষ করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশেষ ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি। তবে সে যাই হোক, এসবের মাঝে তৃণমূল দলের বিশেষ পদে আসীন হলেন টলিপাড়ার আরেক চেনামুখ। সায়নী ঘোষের পর এবার তৃণমূলের যুব সভাপতির পদে আসীন হয়েছেন অর্ণব বন্দ্যোপাধ্যায়।

We’re now on WhatsApp- Click to join

তৃণমূলের ব্যর্থতার পরেও মমতা দিদির জয়গান শোনা গিয়েছে অর্ণব এবং তাঁর স্ত্রী অভিনেত্রী ময়না বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলাতে। তবে এখনও যারা তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষে, দলের এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে তারাই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন। এহেন কঠিন পরিস্থিতিতে, রাজনৈতিক জগতের কোনও দুঁদে ব্যাক্তিত্বকে কেন দেওয়া হল না দায়িত্ব? সেই টলিপাড়া থেকেই তারকা মুখকেই কেন বেছে নেওয়া হল?

We’re now on Telegram- Click to join

আর যুব তৃণমূলের নয়া সভাপতি দায়িত্ব নিয়েই অর্ণব বন্দ্যোপাধ্যায় সাক্ষাৎকারে এক সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, এখন দলের জন্য সময়টা বেশ কিছুটা কঠিন হলেও তাঁর বিশ্বাস যে, এই পরিস্থিতি আর দীর্ঘস্থায়ী হবে না। তিনি জানিয়েছেন যে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্ব আর দিকনির্দেশনাই হচ্ছে তাঁর প্রধান ভরসা। তাঁদের দেখানো পথই তিনি অনুসরণ করবেন এবং নির্দেশ মেনে যুব সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই কাজ করবেন বলেই উল্লেখ করেন তিনি।

সাথে অর্ণব বন্দ্যোপাধ্যায় আরও জানান যে, তিনি কলেজে পড়ার সময় থেকেই রাজনীতির সাথে যুক্ত। কলেজে পড়াকালীন তিনি, ১৯৯৮ সাল থেকেই তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সাথে যুক্ত ছিলেন। সেসময় রাজ্যে চলছিল বামফ্রন্টের শাসন এবং যাঁরা কলেজে এসএফআইয়ের প্রভাব কমানোর আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন তিনিও, বলে এমনটাই দাবি করেছেন।

Read More- সত্যিই কী তবে ঘাসফুল প্রতীক মমতার হাতছাড়া হবে? আইনতভাবে কি সম্ভব? বিস্তারিত জানুন

তিনি আরও জানান যে, তাঁর অভিনয় পেশা হলেও তাঁর কাছে রাজনীতি কখনও পেশা নয়; বরং এটি তাঁর ভালোবাসা, আবেগ এবং আদর্শের জায়গা। তাঁর কথায়, তাঁর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং অনুরাগ রয়েছে এবং তাঁর পরেই রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বহুবার তিনি স্পষ্ট করেছেন, যে কোনও পরিস্থিতিতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত তিনি ছেড়ে যাবেন না।

এইরকম আরও রাজনৈতিক প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।

Back to top button