Entertainment

Rudranil Ghosh on Tollywood Violence: ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন মুখ‍্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী’, ইট-পাটকেল বৃষ্টির পরই নন্দনে রুদ্রনীল ঘোষ

পরিস্থিতি সামলাতেই শেষ অবধি পুলিশকেই লাঠি হাতে ময়দানে নামতে হয়। এই অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির মাঝেই দুপুরেই নন্দনে টেকনিশিয়ানদের এক প্রতিনিধি দলের সাথে জরুরি বৈঠকে বসলেন অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ।

Rudranil Ghosh on Tollywood Violence: এদিন কার দিকে আঙুল তুললেন অভিনেতা-বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ?

হাইলাইটস:

  • টলিপাড়ায় পাপিয়া অধিকারীর নয়া সংগঠন ঘোষণার পরেই রণক্ষেত্র টালিগঞ্জ
  • এই অশান্তির পরই নন্দনে টেকনিশিয়ানদের সাথে বৈঠক শেষে বিস্ফোরক রুদ্রনীল ঘোষ
  • এদিন নন্দন চত্বরে এসে ঠিক কী বললেন অভিনেতা-বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ?

Rudranil Ghosh on Tollywood Violence: যখন শিবপুর বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ নন্দন চত্বরে এসে পৌঁছেছিলেন, তখনই টলি দুনিয়ার উত্তাপ রীতিমতো চরমে। গতকাল সকালেp যা ঘটেছে টালিগঞ্জের টেকনিশিয়ান্স স্টুডিও চত্বরে, কোনওভাবেই তাকে ‘স্বাভাবিক’ বলা চলে না। স্টুডিও পাড়া রণক্ষেত্রের রূপ নিয়েছিল বিজেপির তারকা বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী সংগঠনের ভোলবদলের ঘোষণা করার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই। চলেছে ইটবৃষ্টি, হাতাহাতি আর ডিম ছোড়াছুড়ি।

We’re now on WhatsApp- Click to join

পরিস্থিতি সামলাতেই শেষ অবধি পুলিশকেই লাঠি হাতে ময়দানে নামতে হয়। এই অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির মাঝেই দুপুরেই নন্দনে টেকনিশিয়ানদের এক প্রতিনিধি দলের সাথে জরুরি বৈঠকে বসলেন অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ। টেকনিশিয়ানরা তাঁদের একগুচ্ছ সমস্যার কথা চিঠির মাধ্যমে অভিনেতা-বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষের হাতে তুলে দেন, যা সরাসরি পৌঁছে গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দরবারে।

We’re now on Telegram-Click to join

সকালের এই নজিরবিহীন অশান্তি নিয়েই মুখ খুলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রুদ্রনীল ঘোষ। সরাসরি আক্রমণকারীদের কাঠগড়ায় তুলে তিনি এক সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, “আজ সকালে যেটা হয়েছে তা খুব একটা আনন্দজনক নয়। টেকনিশিয়ানদের ওপরেই ইট-পাটকেল ছুড়েছে, আঘাত করেছে, মানুষ আহত হয়েছেন—এটা একেবারেই কাম্য নয়। তাঁরা যেই হোক না কেন, এই টলিউড ইন্ডাস্ট্রির সাথে জড়িয়ে থাকা মানুষ তারা হতেই পারে না।” রুদ্রনীল ঘোষের ইঙ্গিত, এই ঝামেলার নৈপথ্যে কিছু বহিরাগত মানুষেরও হাত রয়েছে, যারা ইচ্ছা করেই এই টলিপাড়ার কাজের পরিবেশ নষ্ট করতে চাইছে।

বুধবার ঘটনার সূত্রপাত। বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী ডাক দেন টলিপাড়ার দীর্ঘদিনের পুরনো ফেডারেশন ভেঙে নতুন কনফেডারেশন (EIMPCC) গড়ার। ২৬টি গিল্ড কমিয়ে মাত্র চারটি বিভাগে নামিয়ে আনার কথা তিনি ঘোষণা করেন। এই খোলনলচে বদলের পরেই গতকাল সকালে একটি বৈঠক টেকনিশিয়ান্স স্টুডিওতে ডাকা হলে দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ বেঁধে যায়। এক পক্ষের দাবি যে, বিদায়ী নেতারা নিজেদের পদ এবং আখের গোছাতে নোংরামি করছেন বহিরাগতদের এনে। নন্দনে আবাসর টেকনিশিয়ানদের দাবি, বহিরাগতরা তাঁদের কটাক্ষ ছুড়ে চোর চোর বলে স্লোগান দিতে শুরু করেন!

Read More- সাতসকালেই শওকত মোল্লার বাড়িতে হানা NIA, আটক প্রাক্তন বিধায়কের ছেলে

এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতি প্রসঙ্গে রুদ্রনীল ঘোষ জানান, “বাংলায় নতুন সরকার আসায় সকল মানুষের মনে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। টেকনিশিয়ান ভাই-বোনদের গভীর ভরসা রয়েছে সম্মানীয় মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি। তথ্য এবং সংস্কৃতি বিভাগের কাছ থেকেও তাঁদের অনেক কিছু জানার ছিল। কাজ না আটকে কীভাবে সুষ্ঠুভাবে স্টুডিওর চাকা সচল রাখা যায়, তা জানতেই টেকনিশিয়ান দাদারা এসেছিলেন। কিন্তু সেখানে কিছু অনভিপ্রেত সমস্যা তৈরি করা হল।” তবে রুদ্রনীলের দাবি, যাঁরা তাঁর কাছে এসেছিলেন, তাঁরা নির্দিষ্ট করে কারও বিরুদ্ধেই কোনও অভিযোগ করেননি। টলিপাড়ার প্রত্যেকে একসঙ্গেই তাঁরা মিলেমিশে কাজ করতে চান।

এইরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।

Back to top button