EntertainmentBangla News

EIMPA Piya Sengupta: ‘ফাইল চোর’ বলে স্লোগান পিয়াকে দেখেই , অসুস্থ হয়ে অ্যাম্বুল্যান্সে ইম্পার অফিস ছাড়লেন পিয়া, অভিযোগ জানাতে থানাতেও যাবেন!

২২শে মে অর্থাৎ গতকাল তথা শুক্রবার ইম্পার অফিসে যে বৈঠক রয়েছে, আগেই মিলেছিল সে খবর। এবং সংশ্লিষ্ট মিটিংয়ে ফের সভাপতি পিয়া সেনগুপ্তের পদত্যাগের দাবিতে একপ্রস্থ ঝামেলা হতে পারে, তেমনই ইঙ্গিত ছিল।

EIMPA Piya Sengupta: ইম্পার অফিসে রণক্ষেত্র, এবার পিয়া সেনগুপ্তর পদত্যাগের দাবিতে উত্তেজনা চরমে

হাইলাইটস:

  • শুক্রবারের বৈঠকে ওঠে সভাপতি পিয়া সেনগুপ্তের পদত্যাগের দাবি
  • পিয়া সেনগুপ্তের পদত্যাগের দাবি ঘিরে দক্ষযজ্ঞ বাঁধে ইম্পার অফিসে
  • পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতেই বৈঠকের মাঝেই বেরিয়ে আসেন পিয়া সেনগুপ্ত

EIMPA Piya Sengupta: ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই ইম্পার অশান্তি বর্তমানে অব্যাহত রয়েছে। গত শুক্রবারই ইম্পার মিটিংয়ে সংশ্লিষ্ট সংগঠনের সদস্যরা তীব্র বাদানুবাদেতে জড়িয়ে পড়েন। বর্তমান সভাপতি পিয়া সেনগুপ্তের পদত্যাগের দাবিতে এবার অনড় বিক্ষুব্ধ সদস্যরা। সপ্তাহ ঘুরলেও মীমাংসা হল না সমস্যার! শুক্রবারের বৈঠকে ফের পিয়া সেনগুপ্তের পদত্যাগের দাবি ঘিরে রণক্ষেত্র ইম্পার অফিস।

We’re now on Telegram- Click to join

২২শে মে অর্থাৎ গতকাল তথা শুক্রবার ইম্পার অফিসে যে বৈঠক রয়েছে, আগেই মিলেছিল সে খবর। এবং সংশ্লিষ্ট মিটিংয়ে ফের সভাপতি পিয়া সেনগুপ্তের পদত্যাগের দাবিতে একপ্রস্থ ঝামেলা হতে পারে, তেমনই ইঙ্গিত ছিল। কিন্তু শুক্রবারই ইম্পার অফিসে যে দৃশ্য ধরা পড়েছে, তা বাংলা সিনেইন্ডাস্ট্রির জন্য বেশ অসন্তোষজনক! মাঝপথেই ফাইল হাতে নিয়ে মিটিং ছেড়ে বেরিয়ে যান তিনি। কিন্তু কেন বৈঠক ছেড়ে বেরোলেন? তাঁর অভিযোগ যে, ভিতরে পিআরের লোক আর বাইরের লোক ঢুকিয়েছে। পুলিশের সামনেই তেড়ে আসছে…!”

পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, বৈঠকের মাঝপথেই ফাইল হাতে বেরিয়েই থানায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন পিয়া সেনগুপ্ত। তাঁর অভিযোগ, এদিনের বৈঠকে এমন অনেকেই রয়েছেন, যাঁরা ইম্পার সদস্য নয়। তাই তাঁদের মিটিংয়ে তিনি রাখতে চান না। তাঁর দাবি, ক’জন প্রযোজক-পরিচালক তাঁরা বাইরের লোক নিয়ে এসেছেন। এরপরই ঘটনা অন্যদিকে মোড় নেয়।

We’re now on WhatsApp- Click to join

পুলিশের উপস্থিতিতে মিটিং শুরু হয় ফের। যেখানে ধ্বনিভোটে উঠে আসে অস্থায়ী সভাপতি পদে রতন সাহার নাম। কিন্তু সেটা মানতে অস্বীকার করেন পিয়া সেনগুপ্ত। তাঁর দাবি যে, “যেরকম গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত হয়েছি আমি, সেভাবেই সরানো হোক আমাকে। পুলিশকেও ওরা মানছে না! নিজেরাই কমিটি গঠন করবে। আইনের পথে হাঁটব আমরা। এবার আইনি লড়াই হবে, তারপর যা পারে করুক ওরা।”

Read More- ৫ বছর আগে ভোট-পরবর্তী হিংসায় উস্কানির অভিযোগে পরমব্রত ও স্বস্তিকার বিরুদ্ধে থানায় দায়ের FIR

এদিন, বর্তমান সভাপতি পিয়া সেনগুপ্ত ছাড়াও বেশ কজন ইম্পা সদস্য গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে দাবি তোলেন ভোটের। এদিকে, বিক্ষুব্ধ সদস্যদের পক্ষ থেকে জানানো হয় শুক্রবারই সিনেপরিবেশক শতদীপ সাহা দাবি করেছিলেন, “প্রথমে পিয়া সেনগুপ্ত পদত্যাগ করতে রাজি হয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু তারপরই তিনি আচমকা সুর বদল করেন তিনি। ওঁর দুর্নীতির সবই প্রমাণ আছে আমাদের কাছে। এবার সব প্রমাণ পেশ করব আমরা। এই কমিটিকে মানি না আমরা। ২২ তারিখ অবধি এই কমিটিকে আমরা মানব না। কারণ পুরো কমিটিটাই অবৈধ।” এই পরিস্থিতি যে এবার কোনদিকে মোড় নেয়? সেটাই দেখার অপেক্ষা।

এইরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।

Back to top button