Boro Maa Naihati: নৈহাটির বড় মায়ের পুজো নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার, চোরবাগানের ঘটনা থেকে শিক্ষা
এই কালীকে পুজো দিতে এবং তাঁর দর্শনের জন্য কালীপুজো চলাকালীন অগণিত মানুষের জমায়েত হয়। এবার এই পুজো নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। চোরবাগানের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে সতর্ক শুভেন্দু সরকার।
Boro Maa Naihati: চোরবাগানের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে নৈহাটির বড় মায়ের পুজো নিয়ে সতর্ক শুভেন্দু সরকার
হাইলাইটস:
- রবিবার নৈহাটির বড় মায়ের মন্দির ও বিসর্জনের ঘাট ঘুরে দেখেন মন্ত্রী অর্জুন সিং
- বড় মায়ের খুঁটি পুজোয় উপস্থিত ছিলেন তিনি।
- চোরবাগানের মতো ঘটনা যাতে আর না সেই কারণেই রাজ্য সরকার বড় সিদ্ধান্ত নিল
Boro Maa Naihati: আর মাত্র কয়েকটা দিনের অপেক্ষা, তারপরই কালীপুজো (Kali Puja 2026)। এই পুজোতে বাংলার বেশ কিছু বড়-বড় জায়গায় কাতারে কাতারে মানুষ ভিড় করেন। তেমনই একটি পুজো হল নৈহাটির বড় মায়ের পুজো। এই কালীকে পুজো দিতে এবং তাঁর দর্শনের জন্য কালীপুজো চলাকালীন অগণিত মানুষের জমায়েত হয়। এবার এই পুজো নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। চোরবাগানের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে সতর্ক শুভেন্দু সরকার। এবার নৈহাটির বড় মায়ের পুজোয় থাকছে না কোনও ভিআইপি গেট।
We’re now on WhatsApp – Click to join
রবিবার নৈহাটির বড় মায়ের মন্দির ও বিসর্জনের ঘাট ঘুরে দেখেন রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী অর্জুন সিং। বড় মায়ের খুঁটি পুজোয় উপস্থিত ছিলেন তিনি। চোরবাগানের মতো ঘটনা যাতে বাংলায় আর না ঘটে সেই কারণেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অর্জুন সিং বলেন, “চোরবাগানের ঘটনা আর হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। আমরা আগে থেকে ব্যারিকেড দিয়ে দেব। প্রতিমা কীভাবে বিসর্জন হবে সবটা দেখে নেব। এছাড়া পুলিশ, NGO আমাদের কার্যকর্তা সবই থাকবে।”
Read more:- কালীপুজোর সন্ধ্যা থেকে কলকাতা সহ রাজ্যের জেলাগুলিতে দেদার বাজি, দিল্লির দূষকে টেক্কা দিচ্ছে বাংলা!
সপ্তমীর দিন উত্তর কলকাতার চোরবাগান সার্বজনীন দুর্গাপুজো প্যান্ডেলে পদদলিত হন বেশ কয়েকজন মানুষ। ১৭ই অক্টোবর সন্ধ্যে সাড়ে ৭টা নাগাদ ভারী বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয় কলকাতায়। সেই সময় বৃষ্টির জন্য বহু দর্শনার্থী মণ্ডপ থেকে না বেরিয়ে তার ভিতরেই ভিড় জমাতে থাকেন। যার ফলে মণ্ডপের একাংশ কোনওভাবে ভেঙে পড়ে। সেটি আবার মাইকে জানানো হয়। এর জেরে দর্শনার্থীদের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। সকলেই ছোটাছুটি করে মণ্ডপ থেকে বেরতে শুরু করেন। ভিড়ের চাপে প্রায় ১৯ জন প্রাণ হারান এবং আহত হন আরও অনেকে। সেই ঘটনার যাতে আর পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেই কারণেই বড় সিদ্ধান্ত নিল সরকার।
এই রকম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।







