Suvendu Adhikari on Mamata Banerjee: ২০২১ সালের নির্বাচনের আগে আদৌ কি পা ভেঙেছিল মমতার? কাগজ দেখিয়ে প্রমাণ করার চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু
ঘটনার এবার পাঁচ বছর পর নন্দীগ্রাম থেকে সেই প্রসঙ্গ তুলেই এদিন বিস্ফোরক দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, সেদিন নন্দীগ্রামের বিরুলিয়ার ঘটনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে কোনও ফ্র্যাকচারই হয়নি।
Suvendu Adhikari on Mamata Banerjee: প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পায়ে চোট লাগার প্রসঙ্গ টেনে কি বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী?
হাইলাইটস:
- ২০২১ সালের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চোট নিয়ে কথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী
- কাগজ দেখিয়ে প্রমাণ করার জন্য চ্যালেঞ্জের হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর
- এদিন সরাসরি এ প্রসঙ্গে মুখ খুলে কি বলেছেন শুভেন্দু অধিকারী?
Suvendu Adhikari on Mamata Banerjee: গত ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগেই নন্দীগ্রামের বিরুলিয়া বাজারে পায়ে চোট পেয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর পায়ে ফ্র্যাকচার হয়েছিল। সেইসময় পায়ে প্লাস্টার নিয়েই প্রচার চালিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রচারের মঞ্চ থেকে ভাঙা পায়েই স্লোগান তুলেছিলেন ‘খেলা হবে’।
We’re now on Telegram- Click to join
ঘটনার এবার পাঁচ বছর পর নন্দীগ্রাম থেকে সেই প্রসঙ্গ তুলেই এদিন বিস্ফোরক দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, সেদিন নন্দীগ্রামের বিরুলিয়ার ঘটনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে কোনও ফ্র্যাকচারই হয়নি। সামান্য চোট পেয়েছিলেন মাত্র। কিন্তু, পা ভাঙার নাম করে পায়ে ব্যান্ডেজ লাগিয়ে ঘুরে বেরিয়েছেন তিনি, এদিন এমনই বিস্ফোরক দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কাছে এর প্রমাণও রয়েছে বলে দাবি করেছেন এদিন মুখ্যমন্ত্রী। প্রয়োজনে তিনি চ্যালেঞ্জ করলে প্রমাণও দেখিয়ে দেবেন বলে বিস্ফোরক দাবি করেন শুভেন্দু অধিকারী।
We’re now on WhatsApp- Click to join
উল্লেখ্য, এ বছর বিধানসভা ভোটে দুই কেন্দ্র থেকেই লড়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর। দুই কেন্দ্রে থেকেই জয়লাভ করেন তিনি। তবে , শেষপর্যন্ত নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে ভবানীপুরকেই বেছে নেন তিনি। তাঁর ছেড়ে যাওয়া নন্দীগ্রামের আসনেই এবার হবে উপনির্বাচন ৬ই অক্টোবর।

এদিন বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের প্রচারেই নন্দীগ্রামে গিয়েছিলেন শুভেন্দু ওধিকারী। সেখান থেকেই তিনি ব্যাখ্যা করলেন যে, ভবানীপুরের আসন তিনি কেন ছাড়েননি। তাঁর কথায়, “চিন্তার আর কোনও কারণ নেই। আপনাদের শুভেন্দু অধিকারী যা ছিল, আজও তাই আছে, আর আগামিকালও তাই থাকবে। ভবানীপুরটা আমি ছেড়ে দিলে যাঁকে মানুষ বিতাড়িত করেছে, সে আবার দাঁড়ানোর সুযোগ পেয়ে যেত।”
Read More- পুরসভা ভোটেও সিন্দুকে ‘ঘাসফুল’, এবং বিদ্রোহী ঋতব্রতদের বিধায়কপদ নিয়ে এবার সিদ্ধান্ত নেবেন স্পিকার
এরপরই ২০২১ সালে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে চোট লাগার প্রসঙ্গটাও ফের টেনে আনেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “নন্দীগ্রামেই হেরে গিয়ে ঘর চলে গিয়েছিল। ভালো পায়ে সে ব্যান্ডেজ লাগিয়েছিল। ব্যক্তিগত আক্রমণ আমি পছন্দ করি না। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর আমি পিজি হাসপাতালে গিয়েছিলাম। আমি ওখানকার সভাপতি, যা ভবানীপুরের মধ্যে পড়ে। রোগীরা তো এক্স-রে প্লেট পেয়ে যায়। ডাক্তারের কাছে শুধু রিপোর্টটা থাকে। আপনাদের সেদিন বদনাম করে দিয়েছিল না? লোহার বিমে লেগেছিল গাড়ির দরজা। দরজাটা ফিরে এসে ওনার পায়ে একটু লেগেছিল। আর পা ভেঙেছে বলে সর্বত্র ব্যান্ডেজ লাগিয়ে ঘুরেছিল। আমার কাছে রয়েছে ওই কাগজটা। তখন উনি মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। ওনার ডাক্তাররা লিখে দিয়েছে যে নো ফ্র্যাকচার। যেদিন দরকার হবে চ্যালেঞ্জ করলে সেটাও দেখিয়ে দেব। এখন আমি পুলিশমন্ত্রীও বটে। সেদিন দেখিয়ে দেব, গোটা বিরুলিয়া এবং নন্দীগ্রামকে কীভাবে সে অপমান করেছিল।”
এইরকম আরও রাজনৈতিক প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।





