TMC News: পুরসভা ভোটেও সিন্দুকে ‘ঘাসফুল’, এবং বিদ্রোহী ঋতব্রতদের বিধায়কপদ নিয়ে এবার সিদ্ধান্ত নেবেন স্পিকার
গত ১৭ই সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল যে, ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ নামটি এবং জোড়াফুল চিহ্ন ‘ফ্রিজ’ করছে তাঁরা। তবে আপাতত তৃণমূলের ‘জোড়াফুল’ তাদের সিন্দুকে জমা রাখা হচ্ছে।
TMC News: সুপ্রিম কোর্টের রায়ে ধাক্কা খেল কালীঘাট তৃণমূল, ঘাসফুল চিহ্নের স্বত্বাধিকারী ঠিক করতে লাগবে আরও ৪ মাস
হাইলাইটস:
- একদিকে যেমন তৃণমূলের নাম এবং প্রতীক নিয়ে লড়াই
- অন্যদিকে ‘বিদ্রোহী’ হওয়া বিধায়কদের পদ খারিজের আবেদন
- এই দুই বিষয় নিয়েই সুপ্রিম কোর্টে দ্বারস্থ হয়েছে মমতা শিবির
- সোমবার এই দুই মামলারই শুনানি হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে
TMC News: সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে, রাজ্যে পুরভোট হবে আগামী নভেম্বরেই। এদিকে, ঘাসফুল চিহ্নের স্বত্বাধিকারী ঠিক করতে আরও ৪ মাস লেগে যাবে বলে জানালেন সুপ্রিম কোর্ট। অন্যদিকে, এর আগে ঘাসফুল প্রতীকে বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ জেতা ১০ বিধায়কের বিধায়কপদও খারিজের আর্জি জানিয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই মামলায়ই বিধানসভার স্পিকারের জন্য এবার সময়সীমা বেঁধে দিল না শীর্ষ আদালত। মূলত, এই একই দিনে দুই মামলাতেই প্রাথমিকভাবে ধাক্কা খেয়েছে কালীঘাট তৃণমূল।
We’re now on Telegram- Click to join
গত ১৭ই সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল যে, ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ নামটি এবং জোড়াফুল চিহ্ন ‘ফ্রিজ’ করছে তাঁরা। তবে আপাতত তৃণমূলের ‘জোড়াফুল’ তাদের সিন্দুকে জমা রাখা হচ্ছে। এর বদলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতীক হয় বল পায়ে ফুটবলার। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির অর্থাৎ গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস খাম পায়। সেই প্রতীক নিয়েই এবার আইএসএফের সাথে দ্বন্দ্ব চলছে। ৬ই অক্টোবর রাজ্যের দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচনের প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টে দ্বারস্থ হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলায় বিরোধী দলনেতা ঋতব্রতকে পক্ষ করেন। দ্রুতই শুনানির আর্জি জানান মমতার আইনজীবী।
We’re now on WhatsApp- Click to join
সোমবারই নিজেদের বক্তব্য জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তারপর ‘তৃণমূল’ নাম এবং প্রতীক নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনকেও এবার সময়সীমা জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। এই নির্দেশের ফলে জোড়াফুল চিহ্ন নিয়ে যে আইনি লড়াই ও টানাপড়েন চলছে, তা পুরসভা ভোটের আগে শেষ হবে না। তবে যদি জরুরিকালীন সিদ্ধান্ত নিতেই হয়, সেক্ষেত্রে শীর্ষ আদালতকে বিষয়টি জানাবে কমিশন।

সোমবারই প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ জানিয়েছে যে, ২০২০ সালে সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়ে বলা হয়েছে যে, কোনও বিধায়কের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইন কিংবা বিধায়কপদ খারিজ নিয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়ার সাংবিধানিক ক্ষমতা রয়েছে স্পিকারের হাতে। এর জন্য উপযুক্ত সময় দেওয়া হবে স্পিকারকে।
সাধারণত ৩ মাসের মধ্যেই ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। স্পিকার সেই সময়ের মধ্যেই সিদ্ধান্ত নেবেন বলেই তা আশাপ্রকাশ করছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানায় যে, এই মামলায় আর নতুন করে কোনও নির্দেশ দেওয়া হবে না। মমতা তৃণমূলের কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, “৩ মাসের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা বলা হয়েছে স্পিকারকে।” স্পিকার ওই সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত না নিলে তাঁরা কি ফের দ্বারস্থ হবেন আদালতের? তা খোলসা করেননি তৃণমূল সাংসদ।
এইরকম আরও রাজনৈতিক প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।






