Nandigram Bypoll TMC Candidate: চাকরি গিয়েছে আগেই, এবার মমতার হাতিয়ার হয়ে প্রার্থী হলেন সঞ্চিতা প্রধান দে
এবার ঘোষণা করা হয়েছে নন্দীগ্রামের কালীঘাট তৃণমূলের প্রার্থীর নামও। আর তাতেও রয়েছে চমক। কারণ এবার কোনও তাবড় নেতানেত্রী নয়, হটসিটের এই লড়াইয়ে একেবারেই নয়া মুখেই ভরসা রাখলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
Nandigram Bypoll TMC Candidate: কে এই সঞ্চিতা প্রধান দে? আজ এই প্রতিবেদনে বিস্তারিত জেনে নিন
হাইলাইটস:
- নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করলেন কালীঘাট তৃণমূল
- নন্দীগ্রামে কালীঘাট তৃণমূল প্রার্থীর নাম হল সঞ্চিতার প্রধান দে
- কে এই সঞ্চিতা প্রধান দে, তা নিয়েই গুঞ্জন শুরু হয়েছে চারিদিকে
Nandigram Bypoll TMC Candidate: নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে বিজেপির সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কাকে ময়দানে নামাবেন কালীঘাট তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? এই নিয়েই রাজনৈতিক মহলে ছিল জোর চর্চা। একটা সময়ে এমনই গুঞ্জন শুরু হয় যে, খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই নাকি লড়তে পারেন নন্দীগ্রাম থেকে উপনির্বাচনে। তবে গতকালই প্রার্থী ঘোষণা করে দেয় কালীঘাট তৃণমূল।
We’re now on Telegram- Click to join
এবার ঘোষণা করা হয়েছে নন্দীগ্রামের কালীঘাট তৃণমূলের প্রার্থীর নামও। আর তাতেও রয়েছে চমক। কারণ এবার কোনও তাবড় নেতানেত্রী নয়, হটসিটের এই লড়াইয়ে একেবারেই নয়া মুখেই ভরসা রাখলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল কংগ্রেসের নন্দীগ্রাম বিধানসভার উপ নির্বাচনের প্রার্থীর সঞ্চিতা প্রধান দে।
We’re now on WhatsApp- Click to join
কিন্তু কে এই সঞ্চিতা প্রধান দে?
সূত্রের খবর, একেবারেই রাজ্য স্তর থেকেই ঘোষণা করা হয়েছে নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থীর নাম। সঞ্চিতার নাম ঘোষণার পরই জেলা স্তরেও শুরু হয়েছে গুঞ্জন। আসলে কে এই সঞ্চিতা, তা নিয়েই এবার খোঁজখবর করা শুরু করেছেন জেলা নেতৃত্বও। প্রাথমিকভাবে তাঁকে নিয়ে তৃণমূলের জেলা নেতৃত্বের মধ্যেই শুরু হয় গুঞ্জন। সঞ্চিতা প্রধান দে-র বাড়ি পবিত্র করের বুথেই। বয়স প্রায় চল্লিশের কোঠায়।
নন্দীগ্রামে তৃণমূল (কালীঘাট) প্রার্থী হচ্ছেন সঞ্চিতা প্রধান (দে)।
রেজিনগর কেন্দ্রের প্রার্থী হলেন রবিউল আলম চৌধুরী।আসন্ন উপনির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের এই প্রার্থীদের বিপুল ভোটে জয়ী করুন!#MamataBanerjee #TMCS pic.twitter.com/WuPiMJ5ODy
— Trinamool Supporters TMCS (@TMC_Supporters) September 13, 2026
সঞ্চিতা প্রধান দে ছিলেন বয়াল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষিকা। এদিকে ২৬ হাজার শিক্ষক শিক্ষিকার চাকরি বাতিলের সময়ই বাতিল হয়েছে তাঁর চাকরিটাও। বর্তমানে তমলুকে থাকেন তিনি। জানা গিয়েছে নন্দীগ্রাম বয়াল-২ বাসিন্দা বলে। ২০১৮-২৩ সালের পঞ্চায়েত সমিতিরও সদস্যা ছিলেন তিনি।
এদিকে, রেজিনগর থেকে কালীঘাট তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছে রবিউল আলম চৌধুরী।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের নির্বাচনে নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর এই দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নিয়ম মেনে তাঁকে একটি আসন ছাড়তে হয়। নিজের গড় নন্দীগ্রামের আসনটিই ছেড়ে দেন শুভেন্দু অধিকারী। এর ফলে ওই কেন্দ্র থেকে ফের নতুন করে নির্বাচন হবে। অন্যদিকে, মু্র্শিদাবাদের রেজিনগর এবং নওদা- জোড়া কেন্দ্রে তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত অর্থাৎ আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর জেতেন। ওই দুই আসন স্বাভাবিকভাবেই বিধায়ক শূন্য। নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর কেন্দ্রে আগামী ৬ই অক্টোবর হবে উপনির্বাচন।
এইরকম আরও রাজনৈতিক এবং নির্বাচন সংক্রান্ত প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।




