Madan Mitra: এবার ইডির স্ক্যানারে মদন মিত্রর পরিবার! স্ত্রী এবং দুই ছেলেকে তলব সল্টলেকের ইডির দপ্তরে
শিক্ষাদপ্তরে নিয়োগে তৃণমূল আমলে ব্যাপক দুর্নীতির বিষয় সামনে আসার পরই একই অভিযোগ ওঠে পুরসভাতেও। রাজ্যের বহু পুরসভাতে বেআইনিভাবে নিয়োগের অভিযোগও সামনে এসেছে।
Madan Mitra: পুরনিয়োগ দুর্নীতির অর্থ ট্রান্সফারের মামলায় এবার ইডির তলব মদন মিত্রের স্ত্রী এবং দুই ছেলেকে
হাইলাইটস:
- এবার মদন মিত্রের পরিবারকে তদন্তের আওতায় এনেছে ইডি
- আগামী সপ্তাহেই ইডির অফিসে ডেকে পাঠানো হয়েছে তাঁদেরকে
- তাঁদের সকলেরই অ্যাকাউন্টের দিকে নজর রয়েছে ইডির
Madan Mitra: কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের স্ক্যানারে পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রের গোটা পরিবারই। তাঁর স্ত্রী এবং দুই ছেলেকে ইডি তলব করবে। আগামী সপ্তাহে তাঁদের পরিবারের তিনজনকেই সল্টলেকের ইডি দপ্তরে হাজিরা দিতে হবে। এ ব্যাপারে যদিও এখনও মদন মিত্র কিংবা তাঁর পরিবারের কারোরই কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও মেলেনি। মনে করা হচ্ছে যে, ধৃত প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুকে পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জেরার সূত্রে পাওয়া তথ্য থেকেই নতুন করে মদন মিত্রের পরিবারকেও তদন্তের আওতায় এবার আনছে ইডি।
We’re now on WhatsApp- Click to join
শিক্ষাদপ্তরে নিয়োগে তৃণমূল আমলে ব্যাপক দুর্নীতির বিষয় সামনে আসার পরই একই অভিযোগ ওঠে পুরসভাতেও। রাজ্যের বহু পুরসভাতে বেআইনিভাবে নিয়োগের অভিযোগও সামনে এসেছে। যোগ্যদের বাদ দিয়ে অযোগ্যদেরকে চাকরি পাইয়ে দেওয়ারও অভিযোগ ওঠে তৎকালীন প্রভাবশালী মন্ত্রী এবং বিধায়কদের বিরুদ্ধে। তার মধ্যেই নাম ওঠে মদন মিত্ররও। এর আগে পুরনিয়োগে দুর্নীতি মামলায় একাধিকবার কামারহাটির বিধায়কের বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। তাঁকে ডেকে করা হয়েছে জিজ্ঞাসাবাদও। প্রত্যেকবারই তদন্তে সহযোগিতা করেছেন বিধায়ক।
We’re now on Telegram- Click to join
এদিকে, তবে ইডি তদন্তকারীরা মনে করছেন, একা মদন মিত্রই নন, তাঁর পরিবারের সদস্যদের অ্যাকাউন্টেও পুরনিয়োগ দুর্নীতির অর্থ ট্রান্সফার হয়েছে। ২৬শের ভোট মিটতেই রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুকে পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার করেছিল ইডি।
Breaking: ED summons Madan mitra wife and two sons in municipal job scam next week .
— Taanusree Bose তণুশ্রী বোস (@tanvibose) July 14, 2026
অন্যদিকে, জেরা করার পর জানা যায়, সুজিতের স্ত্রীরও প্রভূত সম্পত্তিও রয়েছে। তার বেশিরভাগেরই আয়ের সাথে সম্পত্তিহীন। তদন্তকারীদের নজর এড়াতেই নিজের স্ত্রীর অ্যাকাউন্টে বিপুল অর্থ ট্রান্সফার করেছিলেন সুজিত বসু, এমনই বেশ কিছু তথ্যও এবার হাতে পেয়েছে ইডি।
সম্প্রতি, সুজিত বসুর বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে পেশ করা হয়েছে চার্জশিট। আর তাতেই তদন্তকারীদের অনুমান যে, সুজিতের মতোই মদন মিত্রও স্ত্রী এবং ছেলেদের অ্যাকাউন্টে লেনদেন করেছেন টাকা। মদন মিত্রের স্ত্রী অর্চনা হলেন গৃহবধূ। দুই ছেলে স্বরূপ এবং শুভরূপ হলেন ব্যবসায়ী। এক ছেলের বধূ মেঘনা হলেন কামারহাটি পুরসভার কাউন্সিলর। এহেন পরিস্থিতিতে তাঁদের সকলেরই অ্যাকাউন্টের দিকে নজর ইডির। তাই আগামী ২২ এবং ২৩শে জুলাই সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দপ্তরে তাঁদের ডেকে পাঠানো হয়েছে।
এইরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।







