Taratala Accident News: মুখ্যমন্ত্রীর চরম হুঁশিয়ারির পরই আটক করা হল ফিরহাদ ঘনিষ্ঠ কালীচরণকে, পুরসভার কোন দায়িত্বে ছিলেন তিনি?
সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, তারাতলা গুদাম বিপর্যয় ও বেআইনি নির্মাণকাণ্ডে কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের ওএসডি ছিলেন কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন তাকে গ্রেফতার করেছে সিট।
Taratala Accident News: কলকাতা পুরসভার কোনও প্ল্যান পাশ করাতে হলে কালীচরণের মাধ্যম ছাড়া তা প্রায় অসম্ভব, অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর
হাইলাইটস:
- মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগের পরই গ্রেফতার ফিরহাদ ঘনিষ্ঠ কালীচরণ
- প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের ওএসডি ছিলেন কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়
- তারাতলা গুদাম বিপর্যয় ও বেআইনি নির্মাণকাণ্ডে তাঁর নামই উঠে আসছে
Taratala Accident News: ‘কালীকে গ্রেফতার করলেই সব জানা যাবে..’ গতকাল বিধানসভার অধিবেশনে দাঁড়িয়ে তারাতলার ঘটনা নিয়ে এমনই মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে এখন সবাই জানতে আগ্রহী, কে এই কালীচরন? যার নাম নিয়ে চর্চা শুরু হওয়ার ২৪ ঘন্টার মধ্যে তাকে পাকড়াও করল পুলিশ। সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, তারাতলা গুদাম বিপর্যয় ও বেআইনি নির্মাণকাণ্ডে কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের ওএসডি ছিলেন কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন তাকে গ্রেফতার করেছে সিট।
We’re now on WhatsApp – Click to join
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হুঁশিয়ারি
বৃহস্পতিবার বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট অভিযোগ করেন, কলকাতা পুরসভার কোনও প্ল্যান পাশ করাতে হলে কালীচরণের মাধ্যম ছাড়া তা প্রায় অসম্ভব। তারাতলায় ভেঙে পড়া গুদামের ত্রুটিপূর্ণ নকশা এবং বেআইনি অনুমোদন প্রক্রিয়ার পেছনে তাঁর ঠিক কী ভূমিকা ছিল, তা ইতিমধ্যে খতিয়ে দেখছে বিশেষ তদন্তকারী দল এবং কেএমসি। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন যে, ”এই কালী আসলে ক্যামাক স্ট্রিটের অ্যাপয়েন্ট করা। বাইপাসের ধারে ২০০ কোটি টাকায় তৃণমূলর ভবন বানাচ্ছে এই কালী। এখান থেকে টাকা তুলে পাঠায়।’’
An under-construction warehouse has collapsed in the Taratala area of west Kolkata, several people are feared trapped. Four people are reported to have been rescued.
Personnel of the Kolkata Police, Disaster Management Group, civil defence, and fire and emergency services teams… pic.twitter.com/fIzwWTZ6bJ
— Vani Mehrotra (@vani_mehrotra) June 24, 2026
কালীচরণের পরিচয় কী?
মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির পর এখন চর্চায় কালীচরণের নাম। এই কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় হলেন কলকাতা পুরনিগমের চিফ ম্যানেজার। ফিরহাদ হাকিম কলকাতার মেয়র পদে থাকাকালীন তাঁর ওএসডি ছিলেন কালীচরণ। মেয়রের পাশেই তাঁকে বসে থাকতে দেখা যেত। ফিরহাদ মেয়র পদে ইস্তফা দেওয়ার পর সাংসদ তহবিল সংক্রান্ত বিভাগে দায়িত্ব পেয়েছেন তিনি। বর্তমানে সেখানেই কর্মরত ছিলেন কালীচরণ।
প্রসঙ্গত, গতকাল বিধানসভায় তারাতলা গুদামের নকশা-সংক্রান্ত নথি হাতে তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর স্পষ্ট দাবি, ভেঙে পড়া গুদামের ত্রুটিপূর্ণ নকশায় স্বাক্ষর রয়েছে কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের। গত ১৭ই জানুয়ারি কলকাতা পুরসভার তরফে এই ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি প্রশ্ন তোলেন, কাঠামোয় গলদ থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এই ত্রুটিপূর্ণ নকশা অনুমোদন পেল?
মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ নিয়ে পাল্টা সরব ফিরহাদ হাকিম
মুখ্যমন্ত্রী যখন বিধানসভায় এই অভিযোগ করছিলেন, সেই সময় ফিরহাদ হাকিম সভাকক্ষে উপস্থিত ছিলেন না। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি পুরো বিষয়টি থেকে নিজেকে দূরে রাখার চেষ্টা করেন। ফিরহাদের বক্তব্য স্পষ্ট, পুরসভার নকশা অনুমোদনের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয় বিল্ডিং ডিপার্টমেন্ট ও মিউনিসিপ্যাল বিল্ডিং কমিটির মাধ্যমে। আর সেই কমিটিতে থাকেন প্রযুক্তিগত বিশেষজ্ঞরা। মেয়রের কাছে নথি আসে শুধুমাত্র চূড়ান্ত আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষরের জন্য – কোনটা আইনসম্মত আর কোনটা নয়, সেই বিচার করার এক্তিয়ার তাঁর নেই বলে দাবি করেন তিনি। এদিন তিনি এও জানান, তারাতলার ওই গুদামের নকশার বিষয়ে তাঁর কিছুই জানা নেই।
এই রকম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।







