Politics

Sudip Bandyopadhyay: তৃণমূলের প্রতীকের দাবি জানিয়ে জুলাই মাসেই হাইকোর্টে মামলা, তৃণমূলের প্রতীকের দাবি ছাড়বেন না বিক্ষুব্ধরা?

এদিন সন্ধ্যায় সারা দেশের রাজনৈতিক মহলকে অবাক করে দিয়ে এনসিপিআই-এর মতো এবার অনামী দলে যোগদানের দাবি জানিয়ে চিঠি দেন লোকসভার অধ্যক্ষকে তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ ২০ জন সাংসদ৷

Sudip Bandyopadhyay: বিক্ষুব্ধদের আসল পরিকল্পনা এবার ফাঁস করলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কি বললেন তিনি?

হাইলাইটস:

  • এবার তৃণমূলের প্রতীকের দাবিতে বিক্ষুব্ধ সাংসদরা
  • আদালতে মামলা করতে পারেন তৃণমূলের বিদ্রোহীরা
  • এ প্রসঙ্গে এবার কি বলছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়?

Sudip Bandyopadhyay: অনামী দল এনসিপিআই-তে যোগ দিলেও ভবিষ্যতে তৃণমূলের প্রতীকের দাবি জানিয়ে তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ সাংসদরা আদালতে যাবেন৷ এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া উত্তর কলকাতার সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এমনটাই দাবি করলেন৷ এই প্রবীণ সাংসদের দাবি, জুলাই মাসেই নিজেদের আসল তৃণমূল বলে দাবি করে তৃণমূলের বিদ্রোহীরা কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করতে পারেন৷

We’re now on WhatsApp- Click to join

এদিন সন্ধ্যায় সারা দেশের রাজনৈতিক মহলকে অবাক করে দিয়ে এনসিপিআই-এর মতো এবার অনামী দলে যোগদানের দাবি জানিয়ে চিঠি দেন লোকসভার অধ্যক্ষকে তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ ২০ জন সাংসদ৷ তৃণমূলে থেকে লোকসভায় আলাদা ব্লক তৈরির পরিবর্তে আইনি জট এড়াতেই নির্বাচন কমিশনে নথিভুক্ত দল এনসিপিআই-কে বিক্ষুব্ধ সাংসদরা বেছে নেন বলেই দাবি করা হয়।

We’re now on Telegram- Click to join

তবে লোকসভার অন্যতম সিনিয়র ও বিক্ষুব্ধদের মধ্যেও অভিজ্ঞ সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, এনসিপিআই-তে যোগদান করার অর্থ এই নয় যে, তৃণমূলের জোড়াফুল প্রতীকের দখল তাঁরা নেওয়ার দাবি থেকে সরে এলেন৷ বরং, সংসদের অধিবেশন শুরু হলে তাঁরা নিজেদেরই আসল তৃণমূল বলে জুলাই মাসের ২০ তারিখের পর দাবি করে আদালতে আবেদন করবেন বলেও সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন দাবি করেছেন৷

এদিকে, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, আমাদের এনসিপিআই-এ মিশে যেতে হল কারণ দুই তৃতীয়াংশ সাংসদদের নিয়ে আলাদা হতে চাইলে আমাদের প্রথমে কোনও নথিভুক্ত রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত হতেই হত৷ যখন ২০শে জুলাই সংসদ খুলবে তখন তো তৃণমূলের আরও বাকি ৮ জন সাংসদরাও এসে নিজেদের তৃণমূলের সদস্য বলেই দাবি করবেন৷ তাঁদেরকেও সেই মতো আসন বণ্টন করতে হবে৷ তখন অধ্যক্ষকে আমরাও বলব যে তৃণমূলের প্রতীকেই ভোটে জিতে এসেছি আমরাও৷ লোকসভায় যিনি মুখ্যসচেতক হবেন তিনি বলবেন যে আমাদের সাথেই আছেন তৃণমূলের সংখ্যাগরিষ্ঠ সাংসদ৷ অন্য কিছুজন এসে নিজেদের তৃণমূল বলে আর দাবি করতে পারে না৷ তখন আমরা বড়সড় কোনও আইনজীবীকে ঠিক করে যাবো হাইকোর্টে। আইনজীবী নিয়ে যাওয়া হবে দিল্লি থেকেও।

আমরা নিশ্চিতভাবে তৃণমূলের প্রতীকের দাবি জানাবো৷ আপাতত তবে আমাদের একটা দলের ছাতার তলায় আসতেই হত৷ বেশ কিছু সুবিধাও তাতেও আছে৷ আমাদের দাবিকে অধ্যক্ষ স্বীকৃতি দিয়ে লোকসভায় বরাদ্দ করেছেন আলাদা ঘরও৷

Read More- ‘মমতা-অভিষেকের হাত কখনও ছাড়বো না!’ তৃণমূলের নতুন যুব সভাপতি হয়েই বড় ঘোষণা অর্ণব বন্দ্যোপাধ্যায়ের

যে দলে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়রা গিয়েছেন, সেই এনসিপিআই নির্বাচন কমিশনে নথিভুক্ত হলেও কমিশন স্বীকৃত নয় দলটি৷ জাতীয় অথবা আঞ্চলিক দল হিসেবেই এনসিপিআই কমিশনের স্বীকৃতি পায়নি৷ তবে আর ৫টি রাজনৈতিক দলের মতোই নিজস্ব প্রতীক রয়েছে এনসিপিআই-এর৷ ফলে প্রশ্ন উঠছে যে, কীভাবে এনসিপিআই-তে থেকে আবার অন্য একটি দলের প্রতীকের জন্য দাবি জানাবেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়রা? কিন্তু সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায় একটি বিষয় তবে স্পষ্ট, অদূর ভবিষ্যতে তৃণমূলের প্রতীক নিয়ে দীর্ঘমেয়াদী আইনি লড়াই শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে প্রবল৷

এইরকম আরও রাজনৈতিক প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।

Back to top button