Politics

TMC Leadership Change: ভোটে ভরাডুবির পরও অভিষেকের ওপরই আস্থা মমতার, ফের নিজের হাতেই সাজালেন দল তৃণমূল সুপ্রিমো

তাঁর দলের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক হলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে সাহায্য করবেন ডেরেক ওব্রায়েন, দোলা সেন। তাঁদের সর্বভারতীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। তৃণমূলের সভাপতি হলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।

TMC Leadership Change: ভাঙা ঘর জুড়তেই পদে রদবদল, দলে কে কোন পদ পেলেন? এখানে বিস্তারিত জেনে নিন

হাইলাইটস:

  • ভরাডুবির পরও অভিষেককেই ভরসা মমতার
  • এবারে দলে রয়েছে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক
  • দলে কে কোন পদ পেলেন? এখনই জেনে নিন

TMC Leadership Change: ২৬-শের বিধানসভায় ডুবেছে দল। ভেঙে একেবারে খান খান হয়ে গিয়েছে তৃণমূলের সাজানো বাগান। বিরোধী দলনেতা হিসাবে বেছে নিয়েছেন বিদ্রোহী ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে ৫৮ বিধায়ক। সংসদেও এবার শুরু টানাপোড়েন। অন্যদিকে, কয়েকদিন আগেই তৃণমূলের সব ফ্রন্টাল অর্গানাইজেশন ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। ছাত্র সংগঠন থেকে শুরু করে মহিলা সংগঠন, সব পদের অবলুপ্তি সব ক্ষেত্রেই! কিন্তু দলের এহেন ভরাডুবির পরও অভিষেকেই আস্থা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের, ফের নিজের হাতেই দল সাজালেন।

We’re now on WhatsApp- Click to join

তাঁর দলের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক হলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে সাহায্য করবেন ডেরেক ওব্রায়েন, দোলা সেন। তাঁদের সর্বভারতীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। তৃণমূলের সভাপতি হলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। মহিলা সভানেত্রী হলেন মালা রায়। আর যুব তৃণমূলের সভানেত্রী হলেন সায়নী ঘোষ। অন্যদিকে, দলের ছাত্র পরিষদের সভানেত্রী হলেন প্রিয়াঙ্কা অধিকারী। আর এদিকে আইএনটিটিইউসি-র সভাপতি হলেন মলয় ঘটক। আগে এই পদেই ছিলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে তৃণমূল কংগ্রেস বহিস্কারের পরে তাঁর পদে থাকা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছিলেন দলেরই বিপরীত শিবিরের নেতারা।

We’re now on Telegram- Click to join

এরই মাঝে দলের রাজ্য মুখপাত্র হলেন কুণাল ঘোষ। জাতীয় মুখপাত্রের দায়িত্ব থাকছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ডেরেক ওব্রায়েন। কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থায় ট্রেড ইউনিয়ন আর হকার ইউনিয়ন দেখবেন মদন মিত্র।

এ প্রসঙ্গে কী বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা? 

প্রসঙ্গত, দলের এহেন ভাঙনের নেপথ্যে বহুবার উঠে এসেছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। দলের অন্দরেই তাঁর উপরেই একেবারে রীতিমতো ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটেছে। অভিষেকের জন্যই দলের আজ এই রকম হাল, ভোটেও হয়েছে ভরাডুবি এমনটাই দাবি করেছেন বিদ্রোহী বিধায়করা। সোজা সাপ্টা কথায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে দূরেই থাকতে চাইছেন তৃণমূলের সিংহভাগ বিধায়করা। তাঁর কর্পোর্ট রাজনীতি না পাসন্দ।

এই আবহেই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে যখন তাঁদের পরামর্শদাতা হিসাবে চাইছেন তখনই অভিষেকের উপর মমতার ফের আস্থা যে তাৎপর্যপূর্ণ তা বলার আর অপেক্ষা রাখে না। ভোটের হারের পরেও বারবার বলেছেন মমতা তাঁরা হারেননি, তাঁদের হারানো হয়েছে। কিন্তু দলের অভ্যন্তরণে অভিষেককে ঘিরেই রোষ। তারপরেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেই দলের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক পদে রাখলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Read More- ভুয়া স্বাক্ষর মামলায় এই দুই তৃণমূল বিধায়ককে সাসপেন্ড করে বড় পদক্ষেপ নিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ঠিক কি হয়েছিল?

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বড় অংশের মত, টালমাটাল পরিস্থিতিতেও অভিষেককে পদে রেখে আসলে মমতা যে তাঁর নিজেরই রাস্তাই ঠিক তাই আরও একবার প্রমাণ করতে চাইলেন। তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশাপাশি দোলা সেন এবং ডেরেক ওব্রায়েনকেও তাৎপর্যপূর্ণভাবেই দলের সর্বভারতীয় যুগ্ম সাধারণ সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। এদিকে কুণাল ঘোষ বলছেন, ‘আমাদের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের তো অনেক কাজের চাপ বাড়ছে। ফলে তাঁকে সহযোগিতা করার জন্যই আরও দুজনকে যুগ্ম সম্পাদক হিসাবে আমাদের ন্যাশানাল ওয়ার্কিং কমিটি থেকে করা হয়েছে।’

এইরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।

Back to top button