TMC Rebels Merger With NCPI: তৃণমূলের আলাদা ফ্রন্ট নয়, কেন NPCI-এর সঙ্গে মিশে গেলেন তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা?
বর্তমানে লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ছিল ২৮ জন। তার মধ্যে ২০ জন সাংসদ এখন বিদ্রোহী শিবিরে। তবে দেশের আইন বলছে, একটি দলের অন্দরে দুটি ফ্রন্ট বা শিবির হতে পারে না। তাই দলত্যাগ বিরোধী আইনে তখন তাঁরা ফেঁসে যেতে পারেন।
TMC Rebels Merger With NCPI: কেন তৃণমূল কংগ্রেসের বিদ্রোহী সাংসদরা আলাদা শিবির না গড়ে, অন্য দলের সঙ্গে মিশে গেলেন?
হাইলাইটস:
- ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়ায় মিশে গেলেন তৃণমূলের টিকিটে নির্বাচিত ২০ জন সাংসদ
- এই দল এখন সমর্থন করবে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটকে
- আইনি জট এড়াতেই এই আলাদা দলে মিশে যাওয়ার পদক্ষেপ নিলেন তাঁরা
TMC Rebels Merger With NCPI: বিধানসভা নির্বাচনে হেরে যেতেই দল ভেঙে গেছে। তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে আর আলাদা কোনও শিবির কিংবা লোকসভায় আলাদা ফ্রন্ট হিসাবে নয়, বরং অন্য একটি আঞ্চলিক দলের সঙ্গে মিশে গেল তৃণমূল কংগ্রেসের বিদ্রোহী সাংসদরা (TMC Rebel MPs)। জানা যাচ্ছে, ওই দলের নাম ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়া বা NCPI (Nationalist Citizens Party of India)। এই দলেরই সদস্য এখন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলী ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায় থেকে শুরু করে দেব, পার্থ ভৌমিক ও সায়নী ঘোষরা। এই দল সমর্থন করবে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটকে। তবে প্রশ্ন একটা থেকেই যাচ্ছে যে, কেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদরা আলাদা শিবির না গড়ে, অন্য দলের সঙ্গে মিশে গেলেন?
We’re now on WhatsApp – Click to join
এই প্রশ্নের উত্তর হল, আইনি জট এড়াতেই এই আলাদা দলে মিশে যাওয়ার পদক্ষেপ নিলেন তাঁরা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরকে বিগত কয়েকদিন কার্যত ঘোল খাইয়েই গতকাল NCPI-তে মিশে গেলেন তৃণমূলের টিকিটে নির্বাচিত ২০ জন সাংসদ।
TMC rebel faction would merge with NCPI. Group has demanded a separate seating arrangement, pic.twitter.com/nbA1hvLERK
— Vasudha Venugopal (@Vasudha156) June 14, 2026
দলত্যাগ বিরোধী আইন থেকে বাঁচতেই কী এই পদক্ষেপ?
বর্তমানে লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ছিল ২৮ জন। তার মধ্যে ২০ জন সাংসদ এখন বিদ্রোহী শিবিরে। তবে দেশের আইন বলছে, একটি দলের অন্দরে দুটি ফ্রন্ট বা শিবির হতে পারে না। তাই দলত্যাগ বিরোধী আইনে তখন তাঁরা ফেঁসে যেতে পারেন। সে থেকে বাঁচতেই তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা ঝুঁকি না নিয়ে অন্য দলে মিশে গেলেন। এক কথায় এটিকে বিদ্রোহী সাংসদদের মাস্টারস্ট্রোক বলা যেতে পারে।
Read more:- মিটে গেল অভিষেক-কল্যাণ দ্বন্দ্ব! অভিষেককে নিজের ছেলে হিসেবে বর্ণনা করেছেন তৃণমূলের প্রবীণ সাংসদ
গতকাল বিক্ষুব্ধ সাংসদদের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বাড়িতে পৌঁছনোর আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর দলের লোকসভার সাংসদ কীর্তি আজাদ ও রাজ্যসভার সাংসদ সাগরিকা ঘোষকে তাঁর বাড়ি পাঠান। তাঁরা মমতা-অভিষেকের চিঠি নিয়ে যান স্পিকারের কাছে। সেই চিঠিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, সংসদের নিয়ম ও সংবিধানের ১০ নম্বর ধারা অনুযায়ী, কোনও একটি রাজনৈতিক দলের সংসদীয় শাখার দুটি আলাদা ব্লক হতে পারে না। যদি সেই সিদ্ধান্তকে স্পিকার মান্যতা দেন, তবে তা সম্পূর্ণ ভাবে অ-সংসদীয় এবং সংবিধানের আইনের পরিপন্থী। তাই আদালতে যাতে কোনও রকম চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে না হয়, তার জন্যই বিদ্রোহী সাংসদদের এই বড় পদক্ষেপ।
এই রকম রাজনৈতিক প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।





