Bangla News

Israel-Iran War: কাতারের গ্যাস প্ল্যান্টে ভয়াবহ হামলা চালালো ইরান, ভারতে এর কতটা প্রভাব পড়বে?

কাতারের রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে একটি প্রধান গ্যাস প্ল্যান্টে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আগুন লেগে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। এই হামলাটি এমন এক সময়ে ঘটে যখন ইসরায়েল ইরানের সাউথ পার্স গ্যাস ক্ষেত্রে হামলা চালিয়েছিল।

Israel-Iran War: কাতার বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) সরবরাহকারী দেশ

হাইলাইটস:

  • মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের মধ্যে ইরান কাতারের একটি গ্যাস প্ল্যান্টে হামলা চালিয়েছে
  • এর ফলে ভারতের গ্যাস সরবরাহ ও দাম প্রভাবিত হতে পারে
  • ভারত বছরে প্রায় ২৭ মিলিয়ন টন এলএনজি আমদানি করে, যার মধ্যে ১২ থেকে ১৩ মিলিয়ন টন আসে কাতার থেকে

Israel-Iran War: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ এখন সমগ্র বিশ্বকে প্রভাবিত করছে। ইরান, ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান যুদ্ধ ভারতকেও প্রভাবিত করছে, কারণ উপসাগরীয় দেশগুলোতে জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে হামলা শুরু হয়েছে। এখন পর্যন্ত ইরান শুধু মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকেই লক্ষ্যবস্তু করেছিল, কিন্তু এখন তারা তেল ও গ্যাস অবকাঠামোতে হামলা শুরু করেছে।

কাতারের রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে একটি প্রধান গ্যাস প্ল্যান্টে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আগুন লেগে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। এই হামলাটি এমন এক সময়ে ঘটে যখন ইসরায়েল ইরানের সাউথ পার্স গ্যাস ক্ষেত্রে হামলা চালিয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইরান কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতকে সতর্ক করে যে তাদের জ্বালানি স্থাপনাগুলো লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।

We’re now on WhatsApp – Click to join

সিএনবিসি-র একটি প্রতিবেদন অনুসারে, কাতার বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) সরবরাহকারী দেশ। দেশটির গ্যাস প্ল্যান্টে হামলার ফলে বিশ্বজুড়ে গ্যাস ও তেলের দাম বাড়ার ঝুঁকি বেড়েছে। ভারত বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, কারণ দেশটি তার গ্যাসের চাহিদার প্রায় ৪৭ শতাংশ কাতার থেকে আমদানি করে। ভারত বছরে প্রায় ২৭ মিলিয়ন টন এলএনজি আমদানি করে, যার মধ্যে ১২ থেকে ১৩ মিলিয়ন টন আসে কাতার থেকে। এছাড়াও, প্রায় ২৪ শতাংশ আসে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে এবং প্রায় ১১ শতাংশ আসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে।

কোন পরিস্থিতিতে ভারতকে অন্য দেশ থেকে গ্যাস কিনতে হবে?

যদি কাতারের গ্যাস উৎপাদন দীর্ঘ সময় ধরে ব্যাহত থাকে, তবে ভারত অন্য জায়গা থেকে আরও দামী গ্যাস কিনতে বাধ্য হতে পারে। এর ফলে সাধারণ মানুষ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, কারণ রান্নার গ্যাসের (এলপিজি) দাম বেড়ে যেতে পারে। উপরন্তু, হরমুজ প্রণালীতে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার কারণে কিছু ভারতীয় গ্যাস ট্যাঙ্কার সমুদ্রে আটকা পড়েছে, যা সরবরাহের উপর আরও চাপ সৃষ্টি করছে।

Read more:- ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছেন ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানি, কী জানালো ইরান?

তবে, সরকার জানিয়েছে যে দেশে বর্তমানে গ্যাসের কোনো ঘাটতি নেই। মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান হামলা এই ঝুঁকি বাড়িয়ে দিয়েছে যে যুদ্ধ শুধু সামরিক ঘাঁটিতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের উপরও প্রভাব ফেলবে। এটি ভারতসহ অনেক দেশের অর্থনীতি এবং সাধারণ মানুষের জীবনকে প্রভাবিত করতে পারে।

এই রকম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।

Back to top button