Sports

Virat Kohli Fitness Secret: সুঠাম শরীর ও শান্ত মন, বিরাট কোহলির ফিটনেসের রহস্য কী?

তিনি বলেন যে, শরীর ফিট থাকলে মন আরও স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। এটি তাঁকে মাঠের পরিস্থিতি আরও ভালোভাবে বুঝতে, শটের পরিকল্পনা করতে এবং সেই পরিকল্পনা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে সাহায্য করে।

Virat Kohli Fitness Secret: জেনে নিন কীভাবে একটি সুস্থ শরীর ফিটনেস, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ, মানসিক শান্তি এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করতে পারে

হাইলাইটস:

  • বিরাট কোহলি বিশ্বাস করেন যে একটি সুস্থ শরীর মনকে দক্ষতার সাথে কাজ করতে সাহায্য করে
  • তাঁর মতে শরীর ফিট থাকলে মন আরও স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে
  • কোহলির মতে শরীরকে ফিট রাখলে তিনি মাঠে আরও ভালোভাবে খেলার প্রস্তুতি নিতে পারেন

Virat Kohli Fitness Secret: বিরাট কোহলির ব্যাটিং শুধু কৌশল ও অভিজ্ঞতার উপরই নির্ভরশীল নয়, বরং তাঁর ফিটনেসের উপরও নির্ভরশীল। সম্প্রতি তাঁর দুর্দান্ত ওয়ানডে ইনিংসের পর কোহলি ফিটনেস ও মানসিক অবস্থার মধ্যকার সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি বলেন যে, শরীর ফিট থাকলে মন আরও স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। এটি তাঁকে মাঠের পরিস্থিতি আরও ভালোভাবে বুঝতে, শটের পরিকল্পনা করতে এবং সেই পরিকল্পনা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে সাহায্য করে।

We’re now on WhatsApp – Click to join

তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক, একটি সুস্থ শরীর সত্যিই মনকে আরও ভালো সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে কি না। এর পেছনের কারণগুলো এবং শরীরকে সুস্থ রাখার সহজ উপায়গুলো জেনে নিন।

সুস্থ শরীর ও শান্ত মনের মধ্যে সংযোগ

কোহলির মতে, ফিটনেস মানে শুধু শারীরিক শক্তি বা স্ট্যামিনা নয়। তিনি এটিকে মানসিক প্রস্তুতিরও একটি অংশ বলে মনে করেন। তিনি বলেন যে, শরীরকে ফিট রাখলে তিনি মাঠে আরও ভালোভাবে চিন্তা করতে পারেন এবং নিজের ইচ্ছামতো খেলার প্রস্তুতি নিতে পারেন। একটি সক্রিয় শরীর সরাসরি মনের ওপর প্রভাব ফেলে এবং এর চিন্তাশক্তি বাড়িয়ে তোলে। ক্রিকেটে খেলোয়াড়দের নানা ধরনের চাপের সম্মুখীন হতে হয়; সামনে থাকা বোলার, ম্যাচের পরিস্থিতি এবং দর্শকদের প্রত্যাশা—এই সবকিছুই একই সাথে বিদ্যমান থাকে। কোহলির মতে, এই ধরনের সময়ে শান্ত থাকা এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া পারফরম্যান্সের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে ওঠে।

ব্যায়াম মনকেও সুস্থ রাখে

ব্যায়াম শরীরে অক্সিজেন ও রক্ত ​​সঞ্চালন বাড়ায়, যা মনকে শান্ত করে এবং চিন্তাভাবনায় সাহায্য করে। ব্যায়ামের ফলে এন্ডোরফিন নামক এক প্রকার হ্যাপি হরমোন নিঃসৃত হয়, যা উদ্বেগ ও মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। নিয়মিত ব্যায়াম মস্তিষ্কের নিউরনের বৃদ্ধিকেও উদ্দীপিত করে, যা ক্লান্তি কমাতে সহায়ক।

Read more:- রোহিত শর্মা ১২,০০০ ওডিআই রান পূর্ণ করেছেন এবং বিশ্বের সপ্তম ব্যাটার হিসেবে এই কৃতিত্ব অর্জন করেছেন

ব্যায়াম শুধু পেশি বাড়ানোর জন্য নয়

অনেকে মনে করেন যে ব্যায়াম শুধুমাত্র পেশী বৃদ্ধি এবং ওজন কমানোর জন্যই করা হয়। তবে, এই ধারণাটি পুরোপুরি সত্য নয়, কারণ ব্যায়াম কেবল শরীরকেই নয়, মনকেও প্রভাবিত করে। ব্যায়াম স্ট্রেস হরমোন কর্টিসলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।

স্বাস্থ্য সংক্রান্ত আরও প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।

Back to top button