Bangla News

Vaishno Devi Silver Controversy: রাম মন্দির ইস্যুর পর এবার বৈষ্ণো দেবী মন্দিরে দেওয়া দান-সামগ্রী নিয়ে দেখা দিয়েছে নয়া বিতর্ক, জেনে নিন বিস্তারিত

এই মামলাটি মন্দিরে ভক্তদের দেওয়া প্রায় ২০ টন রুপোর সঙ্গে সম্পর্কিত। অভিযোগে বলা হয়েছে যে, দান হিসেবে প্রাপ্ত এই রুপো পরীক্ষা, গলানো এবং প্রক্রিয়াজাত করার সময় গুরুতর অনিয়ম হয়েছে।

Vaishno Devi Silver Controversy: ৫৫০ কোটি টাকার নকল রুপোর মামলায় কঠোর অবস্থান নিল আদালত, তলব করা হল ক্রাইম ব্রাঞ্চের আধিকারিককে

হাইলাইটস:

  • ৫৫০ কোটি টাকার ‘নকল রুপো’ সংক্রান্ত মামলায় আদালত কঠোর অবস্থান নিয়েছে
  • রাম মন্দির ইস্যুর পর বৈষ্ণো দেবী মন্দিরে এবার নকল রুপো থাকার অভিযোগ
  • সংশ্লিষ্ট নথিপত্রসহ ক্রাইম ব্রাঞ্চের তদন্তকারী কর্মকর্তাকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ

Vaishno Devi Silver Controversy: জম্মু ও কাশ্মীরের শ্রী মাতা বৈষ্ণো দেবী মন্দিরে ভক্তদের দেওয়া দান বা উপঢৌকন সংক্রান্ত একটি বিষয় সম্প্রতি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। মন্দিরে প্রায় ৫৫০ কোটি টাকা মূল্যের “নকল” বা ভেজাল রুপো জমা পড়ার অভিযোগের প্রেক্ষিতে আদালত এখন কঠোর অবস্থান নিয়েছে। জম্মুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সিজেএম)-এর আদালত এই মামলার তদন্তকারী ক্রাইম ব্রাঞ্চের আধিকারিককে নির্দেশ দিয়েছে যে, তিনি যেন ২৯শে জুলাই, ২০২৬ -এ সমস্ত প্রাসঙ্গিক নথিপত্রসহ সশরীরে আদালতে হাজিরা দেন।

We’re now on WhatsApp- Click to join

পুরো বিষয়টি কী?

এই মামলাটি মন্দিরে ভক্তদের দেওয়া প্রায় ২০ টন রুপোর সঙ্গে সম্পর্কিত। অভিযোগে বলা হয়েছে যে, দান হিসেবে প্রাপ্ত এই রুপো পরীক্ষা, গলানো এবং প্রক্রিয়াজাত করার সময় গুরুতর অনিয়ম হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, পরীক্ষায় দেখা গেছে যে মাত্র ৫ থেকে ৬ শতাংশ রুপো ছিল খাঁটি; বাকি ধাতুর মধ্যে ক্যাডমিয়াম, লোহা এবং অন্যান্য সংকর উপাদান পাওয়া গেছে। তবে, এই অভিযোগগুলি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি এবং বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।

We’re now on Telegram- Click to join

অভিযোগে গুরুতর সব বিষয় উত্থাপন

আবেদনকারীর দায়ের করা অভিযোগে বেশ কিছু গুরুতর বিষয় উঠে এসেছে—যার মধ্যে রয়েছে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ, নথিপত্রে কারচুপির অভিযোগ এবং ক্যাডমিয়াম-যুক্ত উপাদান সংগ্রহ বা ব্যবহারের মতো বিষয়। এতে পুরো বিষয়টি নিয়ে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

কেন কঠোর অবস্থান নিল আদালত?

অভিযোগকারীর দাবি, অভিযোগ দায়ের করা সত্ত্বেও ক্রাইম ব্রাঞ্চ সময়মতো ও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে। আদালতে দাখিল করা ‘স্ট্যাটাস রিপোর্ট’ বা অগ্রগতির প্রতিবেদন নিয়েও আপত্তি তোলা হয়েছে; সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে, প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের পরিবর্তে অভিযোগটি কেবল বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে চালাচালি করা হয়েছে। এসব যুক্তি শোনার পর আদালত তদন্তকারী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছেন যেন তিনি পরবর্তী শুনানিতে সমস্ত প্রাসঙ্গিক নথিপত্র ও রেকর্ডসহ সশরীরে উপস্থিত থাকেন।

কোন কোন নথি পরীক্ষা করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে?

অভিযোগে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দলিল ও নথি পরীক্ষা করার দাবি করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে:

  • উৎসর্গীকৃত পণ্যের মজুদ ও মজুত রেজিস্টার
  • সিসিটিভি ফুটেজ
  • পরিবহন ও প্রেরণের নথি
  • রুপো পরীক্ষা ও গলানোর প্রতিবেদন
  • ইলেকট্রনিক নথি
  • প্রাসঙ্গিক চিঠিপত্র এবং অন্যান্য নথি

অভিযোগকারী বলেছেন যে এই নথিগুলোর ভিত্তিতে পুরো বিষয়টির সত্য উদ্ঘাটন করা সম্ভব।

২৯শে জুলাই পরবর্তী শুনানি

চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এই মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ ২৯শে জুলাই, ২০২৬ নির্ধারণ করেছে। মামলার অগ্রগতির পর্যালোচনার লক্ষ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় নথিপত্রসহ সশরীরে হাজির হওয়ার জন্য আদালত স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে।

Read More- রাম মন্দিরের কর্মকর্তা চম্পত রায়, অনিল মিশ্র কি রাম মন্দিরের ট্রাস্ট থেকে অপসারিত হবেন? ৬ই জুলাই ভোট দেবেন সদস্যরা

পরিশেষে, বৈষ্ণো দেবী মন্দিরে প্রদত্ত মানত বা উপহারসামগ্রী সংক্রান্ত এই বিষয়টি এখন বিচারিক প্রক্রিয়ার আওতাধীন। তদন্তের বিষয়টিকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে আদালত বিস্তারিত নথিপত্র তলব করেছে। অভিযোগগুলোর বিষয়ে তদন্ত বর্তমানে চলমান রয়েছে এবং তদন্ত ও পরবর্তী আইনি কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে।

এইরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।

Back to top button