Politics

ECI on TMC: তৃণমূলের প্রতীক কার? মমতা নাকি ঋতব্রত কে পাবেন দলের প্রতীক? দুই পক্ষকেই নোটিস ধরিয়ে দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন

অন্যদিকে সাম্প্রতিক কালে তৃণমূলের ন্যাশনাল ওয়ার্কিং কমিটি নিয়েও জট ক্রমেই বেড়ে চলেছে। প্রশ্ন উঠেছে এর বৈধতা নিয়েও। এই আবহে ঋতব্রত শিবিরের বক্তব্য ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে পুরনো ওয়ার্কিং কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে।

ECI on TMC: তৃণমূলের অধিকার নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, দুই পক্ষকেই নোটিস দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন

হাইলাইটস:

  • ছাব্বিশের নির্বাচনে ভরাডুবির পর ভেঙে গেছে তৃণমূল কংগ্রেস
  • আসল তৃণমূল কারা, এই নিয়ে দুই পক্ষকে নোটিসের জবাব জমা বলেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন
  • সাম্প্রতিক কালে তৃণমূলের ন্যাশনাল ওয়ার্কিং কমিটি নিয়েও জট ক্রমেই বেড়ে চলেছে

ECI on TMC: কে আসল তৃণমূল, কেই বা নকল তৃণমূল, তা নিয়ে টানাপোড়েনের অন্ত নেই। ছাব্বিশের নির্বাচনে ভরাডুবির পর বিধানসভায় বিরোধী শিবিরের তকমা জুটেছে ঋতব্রতপন্থী তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়কদের। অন্যদিকে জমি ছাড়তে নারাজ মমতাপন্থী কালীঘাট তৃণমলের বিধায়করাও। যার ফলে রোজই চলছে কাদা ছোড়াছুড়ির খেলা। টানাটানি চলছে তৃণমূল কংগ্রেসের জোড়াফুল প্রতীক নিয়েও। আড়াআড়ি ভাগ একুশে জুলাই শহীদ দিবস নিয়েও। এবার শেষ পর্যন্ত তৃণমূলের অধিকার নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, দুই পক্ষকেই নোটিস দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। তা নিয়ে এখন রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন চর্চা।

We’re now on WhatsApp – Click to join

কী বলছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন? 

কেন প্রকৃত তৃণমূল কংগ্রেসের মান্যতা দেওয়া হবে সেই প্রসঙ্গে নিজেদের সমর্থনে তথ্য দিয়ে নোটিসের জবাব দিতে বলা হয়েছে দুই পক্ষকে। আগামী ৬ই জুলাই, সোমবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার মধ্যে দুই পক্ষকেই নোটিসের জবাব জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

অন্যদিকে সাম্প্রতিক কালে তৃণমূলের ন্যাশনাল ওয়ার্কিং কমিটি নিয়েও জট ক্রমেই বেড়ে চলেছে। প্রশ্ন উঠেছে এর বৈধতা নিয়েও। এই আবহে ঋতব্রত শিবিরের বক্তব্য ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে পুরনো ওয়ার্কিং কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। তারপর আর কোনও অভ্যন্তরীণ নির্বাচন হয়নি। অপরদিকে মমতা শিবিরের স্পষ্ট বক্তব্য, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তাঁরা কমিটির তালিকা পাঠিয়ে দিয়েছেন। ফলে বৈধতা নিয়ে আর কোনও প্রশ্ন থাকার কথা নয়। এখন এর মূলেই যেতে চাইছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

Read more:- মহুয়া মৈত্রকে লক্ষ্য করে ডিম ও পাথর ছোঁড়ার ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূল সাংসদ

এদিকে নির্বাচন কমিশনের নিয়ম বলছে, দেশের প্রতিটা রাজনৈতিক দলকে একজন ব্যক্তিকে রাখতে হয় যিনি কমিশনের সঙ্গে দলের হয়ে ‘অফিসিয়ালি’ কথাবার্তা বলেন। যিনি পার্টির বিষয়ে সিদ্ধান্তের কথা জানাতে পারেন এবং একইসঙ্গে যার সাক্ষর নির্বাচন কমিশনে বৈধ হিসাবে গণ্য হবে। এই জটিলতার আবহে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে সেই অধিকার কার কাছে থাকছে তা নিয়েও চলছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। অন্যদিকে কালীঘাট তৃণমূল সূত্রে খবর এতদিন সাংগঠনিক ক্ষেত্রে এই সই করতেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আর প্রার্থীদের মনোনয়নের ক্ষেত্রে সই করতেন দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এই রকম রাজনৈতিক প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।

Back to top button